পাথরঘাটায় শিশু ছিনিয়ে নিয়ে মায়ের হাত-পা বেঁধে মারধর
Why this classification
This incident is classified as political violence because the alleged perpetrator is identified as a local leader of the BNP. In Nij Lathimara, Patharghata, Barguna, a woman and a youth were tied up and beaten, resulting in two injuries, and a three-month-old infant was snatched. While the motive is cited as a land dispute, the perpetrator's political affiliation is the key evidence for this classification. The report is supported by two corroborating sources, though the specific victim and perpetrator sides are not explicitly recorded.
Killed
0
Injured
2
Summary
বরগুনার পাথরঘাটায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক নারী ও এক যুবককে হাত-পা বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা ছগির হোসেনের বিরুদ্ধে। ২০২৬ সালের ১ মার্চ রাতে এ ঘটনা ঘটে এবং এ সময় ওই নারীর তিন মাসের শিশুকে কোল থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
89% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পাথরঘাটায় গৃহবধূকে নির্যাতনের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে
বরগুনার পাথরঘাটায় তিন মাসের শিশুসন্তানকে কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে মায়ের হাত-পা বেঁধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ ছগির হোসেন নামে সদর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়কের বিরুদ্ধে। ছগির হোসেন সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।জানা যায়, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের নিজলাঠিমারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ওই নারীর ওপর শারীরিক নির্যাতনও চালানো হয়। এ সময় তাঁর তিন মাসের শিশুসন্তানকে কোল থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ওই নারীর বাবা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে জানান, রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বিএনপির আহ্বায়ক ও ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ছগির হোসেন মোবাইল ফোনে কল করে জানান, তাঁর মেয়ের বাসা থেকে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, ছগিরের নেতৃত্বে কয়েকজন তাঁর মেয়ে ও এক যুবককে হাত-পা দড়ি দিয়ে বেঁধে মারধর করছেন। তিনি আরও বলেন, ‘যাঁরা এ ঘটনা ঘটিয়েছেন, তাঁদের সাথে আমাদের জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ চলছে।’ এ সময় ছগির হোসেন সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রাখেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এ বিষয়ে মো. ছগির হোসেন জানান, নিজলাঠিমারার ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে এক নারী ও এক পুরুষকে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় দেখেন। পরে ওই নারীর বাবাকে ডেকে আনা হলে তিনি মেয়েকে এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়ার আশ্বাস দেন। স্থানীয়দের দাবিতে একপর্যায়ে ওই নারীকে জুতাপেটা করা হয়। সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে মামলা বা হয়রানি এড়াতেই এ স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।এ বিষয়ে পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা বলেন, ‘বিষয়টি জানতে পেরেছি। তবে এখন পর্যন্ত কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’এ বিষয়ে বরগুনা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদিক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ঘটনাটি যদি সত্য হয়ে থাকে, তবে তা অবশ্যই নিন্দনীয়। আইনবহির্ভূত কোনো কর্মকাণ্ড গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরগুনায় গৃহবধূকে পিটিয়ে ও মুখ থেঁতলে হত্যা
সারাদেশ বরগুনা বরগুনায় গৃহবধূকে পিটিয়ে ও মুখ থেঁতলে হত্যাজেলা প্রতিনিধিবরগুনা৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩১অ+অ-বরগুনায় নিজ ঘরে শাবল দিয়ে পিটিয়ে মুখমণ্ডল থেঁতলে আলম তাজ (৪৪) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ঘরে ওই গৃহবধূ একা থাকায় কারা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত তা বলতে পারছেন না স্বজনরা। তবে এ ঘটনায় একটি লোহার তৈরি শাবল জব্দ করা হলেও এখন পর্যন্ত জাড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ১০ নম্বর নলটোনা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আগাপদ্মা দিল মাহমুদ নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলম তাজ ওই এলাকার বাসিন্দা আবুল হাওলাদারের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় নিহত আলম তাজ তার নিজ বাড়িতে একা ছিলেন। এ সুবাদে কে বা কারা ঘরে ঢুকে লোহার তৈরি শাবল দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থান আঘাত করেন। বিশেষ করে তার মাথায় উপর্যুপুরি আঘাত করে মুখমণ্ডল থেঁতলে দেওয়া হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আলম তাজের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা টের পেয়ে স্বজন এবং পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নাঈম হোসেন তানভীর নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর শুনে ইফতারের পরে আমি এই বাড়িতে এসে মরদেহ পরে থাকতে দেখি। আমার জানামতে তাদের সঙ্গে কারো কোনো বিরোধ ছিল না। এমনকি তার সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার যা ছিল তাও পাওয়া গেছে। নিহতের ছেলেরা বরগুনা শহরে ব্যবসা করেন, এবং তার স্বামীরও ভালো টাকা-পয়সা আছে। তবে এলাকায় কারো সঙ্গে কোনো বিরোধ না থাকলেও দূরে অন্য কারো সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল কি-না তা আমার জানা নাই। চম্পা নামে নিহত আলম তাজের এক স্বজন ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রথমে শুনেছি ওই বাড়িতে আগুন লাগছে। পরে ডাক-চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ একত্রিত হয়ে এসে দেখি ঘরের বারান্দায় আলম তাজ মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন। তার মুখমণ্ডলে বেশি আঘাতের চিহ্ন দেখেছি। নিহত আলম তাজের মা মোসম্মৎ ছায়াতন বেগম ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমি মেয়ের বাড়িতে থাকি না। কি কারণে কি হয়েছে আমি তা কিছুই জানি না। জামাই অসুস্থর কথা জানিয়ে আমাকে খবর দেওয়া হয়। কিন্তু এসে দেখি আমার মেয়েকে কারা যেনো মেরে ফেলেছে। নলটোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিকুজ্জামান মাহফুজ ঢাকা পোস্টকে বলেন, এটি একটি নির্মম হত্যাকাণ্ড। আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীরা বেড়িয়ে আসুক এবং যারা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এ বিষয়ে বরগুনা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. সালাহ্উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে পুলিশ সদস্যরাসহ আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। পারিপার্শ্বিক অবস্থা পর্যালোচনা শেষে মরদেহের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। তবে ধারালো নয় এমন একটি লোহার তৈরি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে উপর্যুপুরি আঘাত করে মুখমণ্ডল থেঁতলে আলম তাজকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে আমারা জানতে পেরেছি। মো. আব্দুল আলীম/এএমকে
