জামায়াত এমপি ও বিএনপি নেতার বাগবিতণ্ডা

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a verbal and physical confrontation (বাগবিতণ্ডা) between a Jamaat MP and a BNP leader on 16 July 2026 in Pabna, with law‑enforcement officials intervening, meeting the criteria for political violence.

Reported by:JugantorSingle source
16/07/26•ইশ্বরদী উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষ

Killed

0

Injured

0

Summary

ইশ্বরদী উপজেলার আলোচনা সভায় জামায়াতের এমপি ও বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন জনির মধ্যে তর্ক-বিতর্ক ও শারীরিক টানাপোড়েন ঘটেছে। উপকর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

94% · severity 2

Perpetrator side

BNP

Victim side

Jamaat

Other actors

Professor Abu Taleb MondalAnwar Hossain JoniUNO Hasan Mohammad ShoaibOC Ashadur RahmanUpazila Assistant Commissioner (Land) Asaduzzaman SarkarUpazila Jamaat Secretary Saidul IslamPaur Amir Maulana Golam Azam KhanUpazila Livestock Officer Aklema KhatunJournalist Sheikh Mehedi Hasan

Tags

Party ClashPolitical

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 16/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 17/07/26open original ↗

মঞ্চে জামায়াত এমপির সঙ্গে বিএনপি নেতার বাগবিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল

মঞ্চে জামায়াত এমপির সঙ্গে বিএনপি নেতার বাগবিতণ্ডা, ভিডিও ভাইরাল Advertisement ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:২০ পিএম ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি ঈশ্বরদীতে জুলাই শহীদ দিবসের আলোচনা সভায় পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডলের সঙ্গে বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন জনির বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকালে ঈশ্বরদী উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় এ ঘটনা ঘটে। সভায় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ও পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল প্রধান অতিথি ছিলেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি রচনা করেছে। তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠন জরুরি। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি গণভোট ও জুলাই সনদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জুলাই চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রশ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ঐকমত্যে পৌঁছেছিল। কিন্তু বিএনপি এখনো গণভোটের বিষয়ে শপথ গ্রহণ করেনি। এ অবস্থান জাতির প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এর পরপরই সেখানে উপস্থিত ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন জনি দাঁড়িয়ে এমপির বক্তব্যের আপত্তি জানান। আনোয়ার হোসেন জনি উত্তেজিত হয়ে দাঁড়িয়ে বলেন, আপনি সরকারের বিরুদ্ধে এভাবে কথা বলতে পারেন না। সরকারি দলের কোনো সমালোচনা করা যাবে না। এ সময় সভাকক্ষে উপস্থিত বিভিন্নপক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মোহাম্মদ শোয়াইব ও থানার ওসি আশাদুর রহমান তাৎক্ষণিক দাঁড়িয়ে বিএনপি নেতাকে নিবৃত করার চেষ্টা করেন। পরে পরিবেশ শান্ত হয় এবং অনুষ্ঠান পুনরায় স্বাভাবিকভাবে চলতে থাকে। পরে তারা দুজন কোলাকুলি করে স্বাভাবিক হন। এ ব্যাপারে শুক্রবার দুপুরে সংসদ সদস্য অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল জানান, বিএনপি এখনো গণভোটের বিষয়ে শপথ গ্রহণ করেনি- এ কথাতে রাগান্বিত হওয়ার কি আছে? আমরা যদি সহনশীল না হই তাহলে রাজনীতি করি কেন? আনোয়ার হোসেন জনির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সভাটি ছিল জুলাই শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য। এখানে তিনি বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে আমি প্রথমে সাধারণ প্রতিবাদ জানাই। কিন্তু তিনি আঙ্গুল উঁচিয়ে ধমকের সুরে বলেন, তুমি কে? এরপর আমিও রেগে কথা বলতে বাধ্য হয়েছি। ইউএনও হাসান মোহাম্মদ শোয়াইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসাদুজ্জামান সরকার, ঈশ্বরদী থানার ওসি আশাদুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম, পৌর আমির মাওলানা গোলাম আজম খান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আকলিমা খাতুন এবং সাংবাদিক শেখ মেহেদী হাসান বক্তব্য দেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জুলাই আন্দোলনের নেতা, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।