গভীর রাতে শতবর্ষী মন্দিরের বেড়া ভেঙে প্রতিমা ভাঙচুর
Why this classification
The article describes one specific act of vandalism: unidentified people broke the bamboo fence of a temple in Kumarkhali, Kushtia on the night of 8 October 2026 and smashed at least four idols. This is a recent, real destructive act in Bangladesh, so it counts as a violent incident, though no one was reported killed or injured.
Killed
0
Injured
0
Summary
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে ৮ অক্টোবর ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) রাতে খয়েরচারা মাতৃ সার্বজনীন পূজা মন্দিরের বাঁশের বেড়া ভেঙে দুর্বৃত্তরা গণেশ, লক্ষ্মী ও সিংহসহ অন্তত চারটি প্রতিমা ভাঙচুর করে। ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়সহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
AI analysis
Category
Communal / Religious Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
গভীর রাতে শতবর্ষী মন্দিরের বেড়া ভেঙে প্রতিমা ভাঙচুর
গভীর রাতে শতবর্ষী মন্দিরের বেড়া ভেঙে প্রতিমা ভাঙচুর ছবি: সংগৃহীত কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬ | ১৯:৫০ কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে শতবর্ষী এক মন্দিরের চারটি প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়সহ সাধারণ মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে কুমারখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী খয়েরচারা মাতৃ সার্বজনীন পূজা মন্দিরে এ ঘটনাটি ঘটে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমান। জানা যায়, আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে কয়েক দিন ধরে নতুন প্রতিমা গড়ার কাজ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করেন কারিগর অধীর বিশ্বাস। এ সময় মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৌশিক বিশ্বাসসহ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন। কাজ শেষ করে সবাই বাড়ি ফিরে যান। পরদিন সকাল ৬টার দিকে মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, সীমানার বাঁশের বেড়া ভাঙা এবং ভেতরে থাকা গণেশ, লক্ষ্মী, সিংহসহ অন্তত চারটি প্রতিমায় ভাঙা। মন্দিরটিতে সিসিটিভি ক্যামেরা বা কোনো নিরাপত্তাবেষ্টনী ছিল না। ঘটনার বর্ণনা দিয়ে মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৌশিক বিশ্বাস বলেন, রাত ২টায় কাজ শেষ করে আমরা বাড়ি যাই। সকালে এসে দেখি চার-চারটি প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে। অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার জন্য সিসিটিভি লাগানো সম্ভব হয়নি। আমরা অপরাধীদের শনাক্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থার দাবি জানাচ্ছি। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শংকর মজুমদার বলেন, উৎসবের আনন্দ ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে সমাজের একশ্রেণির অপশক্তি বা অসুর এই চক্রান্ত চালিয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান বলেন, ‘বর্তমান সরকারকে বিতর্কিত করতে এবং অস্থিতিশীলতা তৈরিতে একটি মহল রাতের আঁধারে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটিয়েছে। শারদীয় দুর্গোৎসব যাতে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়, সে জন্য প্রশাসন ও আমাদের দলীয় নেতাকর্মীরা সার্বক্ষণিক সজাগ রয়েছেন।’ কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন বলেন, পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পাশাপাশি আলামত সংগ্রহ করেছে। মন্দিরের জমি নিয়ে বিরোধের তথ্য আমাদের হাতে এসেছে। সিসিটিভি ক্যামেরা না থাকায় দুর্বৃত্তরা সুযোগ নিয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। - বিষয় : - প্রতিমা ভাঙচুর - কুমারখালী
কুষ্টিয়ায় মন্দিরে ভাঙচুর, তিনটি প্রতিমা ক্ষতিগ্রস্ত
গণেশ ও লক্ষ্মী প্রতিমার মাথা এবং দুর্গার বাহন সিংহের কিছু অংশ ভাঙা দেখা যায়। আজ শুক্রবার সকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে। ছবি: প্রথম আলো কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একটি মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার পর কুমারখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনটি প্রতিমার বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় মন্দির কমিটি নিয়ে বিরোধ ও জমিসংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সামনে রেখে তদন্ত করা হচ্ছে। পুলিশ, স্থানীয় বাসিন্দা ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সূত্রে জানা যায়, দুর্গাপূজা উপলক্ষে খয়েরচারা মাতৃমন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছিল। গতকাল রাতে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষে বাড়ি ফিরে যান কারিগর ও অন্যরা। পরে আজ সকালে মন্দিরে গিয়ে গণেশ ও লক্ষ্মী প্রতিমার মাথা এবং দুর্গার বাহন সিংহের কিছু অংশ ভাঙা দেখতে পাওয়া যায়। মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৌশিক বিশ্বাস জানান, রাত দুইটা পর্যন্ত তাঁরা মন্দিরে ছিলেন। প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হওয়ার পর সেগুলো ঢেকে রেখে সবাই বাড়ি ফিরে যান। সকালে ভাঙচুরের বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিমাগুলো ভাঙা দেখতে পান। তাঁর ধারণা, রাত দুইটার পর এ ঘটনা ঘটেছে। দুর্গাপূজা সামনে রেখে এমন ঘটনায় আতঙ্কিত জানিয়ে কৌশিক বিশ্বাস বলেন, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত নন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি। কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, মন্দির কমিটি নিয়ে সেখানে দুটি পক্ষ আছে। তাদের মধ্যে বিরোধ আছে। বিরোধ মেটাতে উভয় পক্ষ বৈঠকও করেছে। আজ আবার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। এ ছাড়া জায়গাজমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিরোধ রয়েছে। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত চলছে। এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভাঙা অংশ দ্রুত মেরামত করা হচ্ছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নাভিদ সারওয়ার, কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মন্দিরে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো ছিল জানিয়ে ওসি জামাল উদ্দিন আরও বলেন, তবে বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার আশঙ্কায় মন্দিরের লোকজন গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ক্যামেরাগুলো খুলে রেখেছিলেন। এ কারণে কোনো ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না। কুমারখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভারপ্রাপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাভিদ সারওয়ার প্রথম আলোকে বলেন, এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভাঙা অংশ দ্রুত মেরামত করা হচ্ছে। সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন উৎসবভাঙচুরশারদীয় দুর্গাপূজাকুমারখালীখুলনা বিভাগকুষ্টিয়া
