রাজশাহীতে আ.লীগ নেতার মোটরসাইকেল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ
Why this classification
This report describes one specific, recent incident: a local Awami League leader was allegedly beaten by members of a rival party group on 26 March 2026, which left him with broken bones, and his motorcycle was allegedly taken. Police say they found no one at the scene and received no complaint, and the accused deny involvement, but the physical assault itself is a concrete violent act that falls within the violence criteria.
Killed
0
Injured
1
Summary
রাজশাহীর শাহ মখদুম থানা এলাকায় ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ (বৃহস্পতিবার) বিকেলে আওয়ামী লীগ নেতা ফিরোজ খান ফরহাদকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মামুন আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন পিটিয়ে ড্রেনে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, এতে তার হাত ও কোমরের হাড় ভেঙেছে এবং মারধরের পর তার মোটরসাইকেলও কেড়ে নেওয়া হয়েছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
80% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মব করে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর, মোটরসাইকেল ছিনতাই
মব করে আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর, মোটরসাইকেল ছিনতাই ফাইল ছবি রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৬ | ২২:৪৩ রাজশাহীতে মব সৃষ্টি করে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে পেটানোর পর তাঁর মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে নগরীর শাহ মখদুম থানা সংলগ্ন পবা নতুনপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। ফিরোজ খান ফরহাদ নামের ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে ড্রেনের ভেতর ফেলে মারধরের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি শাহ মখদুম থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি ঢাকায় থাকেন। তবে মাঝে মাঝে অল্প সময়ের জন্য বাড়ি আসতেন। এবার ঈদ করতে তিনি বাড়ি এসেছিলেন। মারধরের পর তিনি ভয়ে হাসপাতালে থাকতে পারেননি। গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে থেকে কবিরাজের চিকিৎসা নিচ্ছেন। ফিরোজ খানের অভিযোগ, শাহ মখদুম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন আলী, তাঁর নিকট আত্মীয় শাকিব, লালন, মনাসহ কয়েকজন তাঁকে বেদম মারধর করেছেন। এতে তাঁর বাঁ হাত ভেঙে গেছে। এ ছাড়া বাঁ হাতের বাহু ও কোমরের হাড়ে ফাটল ধরেছে। কবিরাজ হাতে প্লাস্টার করে দিয়েছেন। কোমরে বাঁশের বাতা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ফিরোজ খান জানান, তাঁর নামে কোনো মামলা নেই। তাই মাঝে মাঝে এলাকায় যেতেন। বৃহস্পতিবার তাঁকে দেখতে পেয়ে মামুন চা খাওয়ার জন্য ডাকে। এ জন্য তিনি মোটরসাইকেল থেকে নামেন। এরপরই অন্যরা এসে তাঁকে কাঠের চলা ও লাঠি দিয়ে মারতে মারতে ড্রেনের ভেতর ফেলে দেয়। থানার পাশেই এমন ঘটনা ঘটলেও পুলিশ আসেনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু ভয়ে তিনি হাসপাতালে না থেকে গ্রামে আত্মীয়ের বাড়ি চলে গেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, মারধরের পর শাকিব তাঁর ডিসকভার ১১০ সিসির মোটরসাইকেলটি কেড়ে নিয়েছেন। এলাকার কিছু ব্যক্তিকে তিনি মোটরসাইকেলের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। তাদের শাকিব জানিয়েছেন, মোটরসাইকেলটি থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। জানতে চাইলে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মামুন আলী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ আমলে ফিরোজ মানুষকে অনেক অত্যাচার-নির্যাতন করেছে। নির্যাতিত মানুষ এলাকায় পেয়ে তাকে শায়েস্তা করেছে।’ এই ঘটনার সঙ্গে তিনি নিজে জড়িত নন বলে দাবি করেন। অভিযুক্ত শাকিব দাবি করেন, ঘটনার ব্যাপারে তার কিছু মনে পড়ছে না। তিনি নিজে এসবের সঙ্গে যুক্ত নন। মোটরসাইকেল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ ভিত্তিহীন। শাহ মখদুম থানার ওসি ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। পরে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থলে কাউকে পায়নি। থানায় কেউ কোনো মোটরসাইকেল জমা দেয়নি। এ নিয়ে কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি। - বিষয় : - রাজশাহী - মব - আওয়ামী লীগ নেতা
রাজশাহীতে আ.লীগ নেতার মোটরসাইকেল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ
রাজশাহীতে আ.লীগ নেতার মোটরসাইকেল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৪ এএম রাজশাহীতে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে পেটানোর পর তার একটি মোটরসাইকেল কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকাল ৩টার দিকে মহানগরীর শাহ মখদুম থানা সংলগ্ন পবা নতুনপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। ফিরোজ খান ফরহাদ নামের ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে ড্রেনে ফেলে মারধরের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফিরোজ শাহমখদুম থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে তিনি ঢাকায় থাকেন। তবে মাঝে মাঝে অল্প সময়ের জন্য বাড়ি আসতেন। এবার ঈদ করতে তিনি বাড়ি এসেছিলেন। মারধরের পর তিনি ভয়ে হাসপাতালেও ভর্তি থাকতে পারেননি। গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আত্মগোপন করে আছেন। ফিরোজ খানের অভিযোগ, শাহ মখদুম থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মামুন আলী, তার নিকটাত্মীয় মো. শাকিব, লালন ও মনাসহ কয়েকজন তাকে নির্মমভাবে মারধর করেছেন। এতে তার বা হাত ভেঙে গেছে। এছাড়া বা হাতের বাহু ও কোমরের হাড়ে ফাটল ধরেছে। কবিরাজ হাতে প্লাস্টার করে দিয়েছেন। কোমরে বাঁশের বাতা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। ফিরোজ বলেন, তার নামে কোনো মামলা নেই। তাই মাঝে মাঝে এলাকায় যেতেন। বৃহস্পতিবার তাকে দেখতে পেয়ে মামুন চা খাওয়ার জন্য ডাকেন। এ জন্য তিনি মোটরসাইকেল থেকে নামেন। এরপরই অন্যরা এসে তাকে মারধর করেন। মারতে মারতে তাকে ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়। থানার পাশেই এমন ঘটনা ঘটলেও পুলিশ আসেনি। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেন, কিন্তু ভয়ে তিনি হাসপাতালে না থেকে গ্রামে আত্মীয়ের বাড়ি চলে গেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, মারধরের পর শাকিব তার ডিসকভার ১১০ সিসির মোটরসাইকেলটি কেড়ে নিয়েছেন। এলাকার কিছু ব্যক্তিকে তিনি মোটরসাইকেলের বিষয়ে জানিয়েছিলেন। তাদের শাকিব জানিয়েছেন যে মোটরসাইকেলটি থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মামুন আলী প্রথমে দাবি করেন, এ রকম কোনো ঘটনার কথা তিনি মনে করতে পারছেন না। পরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ আমলে ফিরোজ মানুষকে যে অত্যাচার-নির্যাতন করেছে, মানুষ এলাকায় পেয়ে তাকেও শায়েস্তা করেছে। তবে মামুন দাবি করেন, এ ঘটনায় তিনি নিজে জড়িত নন। অভিযুক্ত শাকিবও দাবি করেন, ঘটনার ব্যাপারে তার কিছু মনে পড়ছে না। তিনি নিজে এসবের সঙ্গে যুক্ত নন। ঘটনা সম্পর্কেই যেহেতু জানেন না, তাই মোটরসাইকেল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও ভিত্তিহীন। কেউ তাকে ফাঁসাতে মিথ্যা তথ্য দিয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। শাহ মখদুম থানার ওসি ফারুক হোসেন বলেন, ঘটনার ব্যাপারে শুনেছি। পরে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থলে কাউকে পায়নি। থানায় কেউ কোনো মোটরসাইকেলও জমা দেয়নি। এ নিয়ে কোনো অভিযোগও পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
