কমলনগরে খাল পাড়ের মাটি কেটে উঠান ভরাট

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

ঘটনাটি সম্প্রতি (শনিবার) লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ঘটেছে এবং এতে সরকারি খালের পাড় কেটে মাটি নেওয়ার মতো ধ্বংসাত্মক কাজের বর্ণনা থাকায় এটি সহিংসতা ট্র্যাকারে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে; কোনো হতাহতের তথ্য নেই।

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
20/06/26•লরেন্স ৪নং ওয়ার্ডের শেষ সীমানার পোলের গোড়া এলাকা, কমলনগর

Killed

0

Injured

0

Summary

কমলনগরে বিএডিসির খনন করা তুলাতুলি খালের পাড় কেটে মাটি নিয়ে নিজের বাড়ির উঠান ভরাটের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতা আবদুল মতিনের বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে লরেন্স ৪নং ওয়ার্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে; স্থানীয়রা খালের পাড় ধস ও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা করছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 3

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

আবদুল মতিন (৪নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি)শ্রমিকমো. জুয়েল হোসেন (বিএডিসি উপসহকারী প্রকৌশলী)মো. রাহাত উজ জামান (উপজেলা নির্বাহী অফিসার)

Affected infrastructure

তুলাতুলি খালের পাড়নিষ্কাশন পাইপ

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 01/06/26open original ↗

এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে হত্যার হুমকি অভিযোগ এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলা, গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ ছবি: সংগৃহীত লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬ | ১৯:২৬ | আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ | ২০:১১ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীকে হত্যার হুমকিসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সাবেক সংগঠক ও শ্রমিক শক্তির সংগঠক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে রায়পুর থানায় রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আনোয়ার হোসেনকে প্রধান আসামি করা হয়। পরে পুলিশ তাকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখায়। এর আগে গতকাল শনিবার রাতে গণপিটুনির পর তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। লক্ষ্মীপুর-রায়পুর আঞ্চলিক সড়কের বাসাবাড়ী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আনোয়ার হোসেন (৩৮) রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মোহাম্মদ আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বিতর্কিত ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ক্ষুব্ধ জনতা বাসাবাড়ী বাজার এলাকায় আনোয়ারকে আটক করে পিটুনি দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, মারধরের সময় আনোয়ার হোসেন অভিযোগ করেন, ‘রায়পুরের এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়ার লোকজন আমার ওপর হামলা করেছে। এর বিচার হওয়া উচিত।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় আনোয়ার আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। নিকেজে রক্ষা করতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি এনসিপিতে যোগ দেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতাদের নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে কটূক্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেনের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি, কারণ তিনি পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। জেলা এনসিপির সিনিয়র সদস্য সচিব আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আনোয়ার হোসেন বর্তমানে কেন্দ্রীয় শ্রমিক শক্তির সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি এনসিপির কেন্দ্রীয় সংগঠক ছিলেন। তার ওপর যেভাবে হামলা চালানো হয়েছে, তা কোনো সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। একই সঙ্গে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত ও দ্রুত মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।’ রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া বলেন, ‘আনোয়ার হোসেন নিজেকে এনসিপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। রুহুল আমিন নামে একজন তার বিরুদ্ধে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হবে।’ তিনি আরও বলেন, আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সুযোগ নেই। যেকোনো অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

Source 2: Jugantor · 21/06/26open original ↗

কমলনগরে খাল পাড়ের মাটি কেটে উঠান ভরাট

বিএনপি নেতার কাণ্ড কমলনগরে খাল পাড়ের মাটি কেটে উঠান ভরাট Advertisement কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কমলনগরে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) খনন করা তুলাতুলি খালের পাড় কেটে মাটি নিয়ে নিজের বাড়ির উঠান ভরাট করার অভিযোগ উঠেছে আবদুল মতিন নামে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার দুপুরে উপজেলার লরেন্স ৪নং ওয়ার্ডের শেষ সীমানার পোলের গোড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে খালের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙে পড়া ও পাড় ধসের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। অভিযুক্ত আবদুল মতিন তোরাবগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবদুশ শহীদের বড় ভাই এবং একই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে তিনি এ কাজ করছেন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তোরাবগঞ্জ এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যা নিরসন এবং শুষ্ক মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে তুলাতুলি খালটি খনন করে বিএডিসি। খনন শেষে খালের পাড় সংরক্ষণের জন্য সেখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ এবং পানি চলাচল স্বাভাবিক রাখতে বড় আকারের পাইপ স্থাপন করা হয়। গত বছর খালটি খননের সময় আবদুল মতিন খালের পাড় নিয়ে কোনো আপত্তি বা মালিকানা দাবি না করলেও প্রায় এক বছর পর এখন জায়গাটি নিজের দাবি করে মাটি কেটে নিচ্ছেন। সরেজমিন দেখা গেছে, খালের পাড়ের মাটি কেটে পাইপের উপরিভাগের অংশও ফাঁকা করে ফেলা হচ্ছে। সেখানে ১০ জন শ্রমিক মাটি কাটার কাজ করছেন এবং দুটি ট্রাক্টর দিয়ে সে মাটি আবদুল মতিনের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কর্মরত শ্রমিকরা জানান, আবদুল মতিনের নির্দেশেই তারা মাটি কেটে তার বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, খালটি খননের পর দীর্ঘ সময় পার হলেও তখন কেউ মালিকানা দাবি করতে আসেনি। এখন রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের মাটি সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে খালের পাড় দুর্বল হয়ে পড়বে এবং বর্ষায় ধস নেমে ভবিষ্যতে তীব্র জলাবদ্ধতাসহ জনভোগান্তি তৈরি হবে। অভিযোগের বিষয়ে আবদুল মতিন বলেন, ‘আমার জমি থেকে আমি মাটি নিচ্ছি।’ সরকারি খালের পাড়ের মাটি কীভাবে ব্যক্তিগত হয় এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, খালের পাড়ের ওই জায়গাটি মূলত তার নিজস্ব সম্পত্তি। বিএডিসি’র উপসহকারী প্রকৌশলী (নোয়াখালী) মো. জুয়েল হোসেন বলেন, সরকারি খালের পাড়ের মাটি ব্যক্তিগতভাবে কেটে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি এবং তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাহাত উজ জামান বলেন, ‘খালের পাড় কেটে মাটি নেওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। সরেজমিনে তদন্ত করে এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’