চট্টগ্রামে সিকিউরিটি ইনচার্জের ওপর ঠিকাদারের কর্মীদের হামলার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single, specific incident dated 14 June 2026 in which a physical fight between a security in-charge and a contractor's representative's supporters left the in-charge seriously injured and hospitalised. It is a real physical attack, not commentary, so it qualifies as violence; the political motive claimed by the victim is disputed and unproven.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
14/06/26•পারকি সমুদ্র সৈকতের নির্মাণাধীন পর্যটন কমপ্লেক্স (Parki Sea Beach Tourism Complex)

Killed

0

Injured

1

Summary

চট্টগ্রামের আনোয়ারার পারকি সমুদ্র সৈকতে নির্মাণাধীন পর্যটন কমপ্লেক্সে গত ১৪ জুন (রোববার) মালামাল নিয়ে বিরোধের জেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান 'রাজ কর্পোরেশন'-এর প্রতিনিধির লোকজন সিকিউরিটি ইনচার্জ মো. আবদুল হককে মারধর করে, যাতে তিনি গুরুতর আহত হন। দুই পক্ষই থানায় পাল্টা অভিযোগ দিয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত করছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

BNP

Other actors

মো. আবদুল হক (সিকিউরিটি ইনচার্জ, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য)জাবেদ হোসেন (২৪, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান 'রাজ কর্পোরেশন'-এর প্রতিনিধি)মো. এমরান (২৮)নঈম (২৬)জেবল হোসেন (৫৫)জুনায়েত চৌধুরী (আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ওসি)

Tags

Land DisputeParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 16/06/26open original ↗

চট্টগ্রামে সিকিউরিটি ইনচার্জের ওপর ঠিকাদারের কর্মীদের হামলার অভিযোগ

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার পারকি সমুদ্র সৈকতে নির্মাণাধীন পর্যটন কমপ্লেক্সে সিকিউরিটি ইনচার্জের ওপর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির লোকজনের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে পর্যটন কমপ্লেক্সের সিকিউরিটি ইনচার্জ মো. আবদুল হক গুরুতর আহত হয়েছেন। গত রোববার (১৪ জুন) দুপুরের এই ঘটনার পর দুই পক্ষই থানায় পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রায়পুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য ও উপজেলা বিএনপি নেতা মো. আবদুল হক পারকি পর্যটন কমপ্লেক্সে সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে, বারশত ইউনিয়নের বাসিন্দা জাবেদ হোসেন (২৪) সেখানে নির্মাণকাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘রাজ কর্পোরেশন’-এর প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। গত কয়েকদিন ধরে নির্মাণ সামগ্রী রক্ষণাবেক্ষণ ও মালিকানা নিয়ে উভয়ের মধ্যে মতবিরোধ চলছিল। এরই জেরে রোববার দুপুরে সিকিউরিটি ইনচার্জ আবদুল হক ও ঠিকাদারের প্রতিনিধি জাবেদ হোসেনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সমর্থকেরা হাতাহাতি ও মারামারিতে লিপ্ত হলে আবদুল হক গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত সিকিউরিটি ইনচার্জ আবদুল হক অভিযোগ করে বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাজ কর্পোরেশন বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দোসর। আমি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হওয়ায় তারা পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। জাবেদের নেতৃত্বে মো. এমরান (২৮), নঈম (২৬) ও জেবল হোসেনসহ (৫৫) ১০-১২ জন সন্ত্রাসী পর্যটন কর্পোরেশনের মালামাল অবৈধভাবে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। আমি বাধা দিলে তারা আমার ওপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি জাবেদ হোসেন। তিনি বলেন, আমাদের কাজের একটি ত্রিপলি খুঁজে না পাওয়ায় সিকিউরিটি ইনচার্জ হিসেবে আমি আবদুল হকের কাছে বিষয়টি জানতে চাই। এতেই তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উল্টো আমার ওপর হামলা চালান। মালামাল চুরির অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, পারকি পর্যটন কমপ্লেক্স এলাকাটি কর্ণফুলী থানার অধীনে। তবে বিষয়টি যেহেতু আনোয়ারা সংলগ্ন, তাই অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এমআর/এমএন

Source 2: Jugantor · 13/06/26open original ↗

ওসিসহ দায়ী পুলিশদের গ্রেফতার চান ক্রিকেটার নাঈমের বাবা

‘সাসপেন্ড কোনো বিচার নয়’ ওসিসহ দায়ী পুলিশদের গ্রেফতার চান ক্রিকেটার নাঈমের বাবা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান ক্রিকেটার নাঈমের বাবা সাবেক কাউন্সিলর মাহবুবুল আলম (মাঝে)। ছবি: সংগৃহীত জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, নাঈমকে ওসির কক্ষে নেওয়া হলে সেখানেও তাকে হেনস্তা করা হয়। এ সময় খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমান নাঈমকে বলেন, ‘চোখ নামিয়ে কথা বল’। শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেওয়ার পর চট্টগ্রামে বিমানবন্দর থেকে সিএনজিযোগে বাড়ি ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শকসহ (এসআই) দুজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।  জানা গেছে, চট্টগ্রামের লালখানবাজার ফ্লাইওভার এলাকায় তার যানবাহন থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। নাঈমের বিবরণ অনুযায়ী, একজন সাদা পোশাকধারী ব্যক্তি এবং দুজন ইউনিফর্ম পরা পুলিশ সদস্য তাকে মারধর শুরু করে। নিজের পরিচয় স্পষ্টভাবে জানানোর পরেও আক্রমণ থামানো হয়নি। গতকাল (১২ জুন) রাতের এই ঘটনার বিষয়ে আজ (শনিবার) বিকালে চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নাঈম হাসান ও তার পরিবার। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ক্রিকেটার নাঈমের বাবা সাবেক কাউন্সিলর মাহবুবুল আলম। নাঈমের বাবা মাহবুবুল আলম পুলিশের এই ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।একই সঙ্গে খুলশী থানার ওসি আরিফুর রহমানসহ দায়ী পুলিশকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি। নাঈমের বাবা বলেন, ‘ওসি তো ব্যাগ দেখেই বুঝতে পেরেছিল ও একজন খেলোয়াড়। তারপরও পরিচয় পাওয়ার পর ‘চোখ নামিয়ে কথা বল’— এ কেমন সৌজন্যতা। এখন ওসি সাক্ষাৎকার দিয়ে মিথ্যা বলছেন যে ও নাকি দৌড়ে পালাতে চেয়েছিল, তাই হেঁচকা টান লেগেছে।’ মাহবুবুল আলম আরও বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি এসআই কামরুজ্জামান নামের একজন ভুল ইনফরমেশন দিয়েছিল। একজন আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড়কে নিয়ে এই ভুল তথ্য কে দিল, তা আইডেন্টিফাই করা দরকার। এর পেছনে অন্য কোনো চক্রান্ত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’  পুলিশের বিভাগীয় ব্যবস্থার ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করে মাহবুবুল আলম বলেন, ‘শুনলাম অভিযুক্ত অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশে তো এমন নিয়ম আমি দীর্ঘদিন দেখেছি, সাসপেন্ড করে কিছুদিন পর আবার অন্য জায়গায় বহাল বা প্রমোশন দেওয়া হয়। এটা তো কোনো বিচার হলো না। আমরা চাই এদের গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হোক এবং রিমান্ডে এনে অন্য কোনো নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে তদন্ত করা হোক, যাতে মূল ঘটনা উদঘাটিত হয়।’ শারীরিকভাবে আঘাত পাওয়ার পাশাপাশি ক্রিকেটার নাইম প্রচণ্ড মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।