বরিশালে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে নার্স-কর্মচারীদের হাতাহাতি, আহত ৩
Why this classification
A physical attack took place when the patient's relatives assaulted a ward boy, and nurses who tried to help were also injured, with three people hurt in total. The incident occurred on 15 May 2026 in Barisal, within the 14-day window, so it qualifies as a concrete violent incident.
Killed
0
Injured
3
Summary
বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে ১৫ মে ২০২৬ (শুক্রবার) সন্ধ্যায় রোগীকে রক্ত দেওয়া নিয়ে স্বজনদের সঙ্গে নার্স ও হাসপাতালকর্মীদের হাতাহাতি হয়। এতে দুই নার্স ও এক ওয়ার্ড বয় আহত হন, পরে থানায় পুলিশের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ মুচলেকা দেয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
বরিশালে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে নার্স-কর্মচারীদের হাতাহাতি, আহত ৩
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (শেবাচিম) হাসপাতালে রোগীকে রক্ত দেওয়া নিয়ে রোগীর স্বজনদের সঙ্গে নার্স ও হাসপাতালকর্মীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই নার্স ও এক ওয়ার্ড বয় আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানায় পুলিশের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) দুপুর ১২টায় হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল স্টাফরা থানায় মুচলেকা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারপাশিয়া গ্রামের সেলিমা বেগম থ্যালাসেমিয়াজনিত সমস্যার কারণে রক্ত নেওয়ার জন্য হাসপাতালে আসেন। তাকে ক্যাজুয়ালিটি ওয়ার্ডে নেওয়া হলে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক আগের চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্র দেখতে চান। তবে রোগীর স্বজনরা কোনো প্রেসক্রিপশন দেখাতে পারেননি। পরে চিকিৎসকরা রোগীর নিরাপত্তা ও সঠিক চিকিৎসার স্বার্থে তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে পাঠানোর পরামর্শ দেন। কিন্তু সেখানে রোগীর চাপ বেশি থাকায় স্বজনরা যেতে অনীহা প্রকাশ করেন। এ নিয়ে রোগীর ছেলে এনামুল ও মেয়ের জামাই আবুল বাশারের সঙ্গে চিকিৎসক ও নার্সদের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে রোগীর স্বজনরা ক্যাজুয়ালিটি বিভাগের ওয়ার্ড বয় ইমন মোল্লার ওপর হামলা চালান। তাকে রক্ষা করতে গেলে নার্স শারমিন আক্তার ও দোলা আহত হন। পরে আহতদের হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। খবর পেয়ে হাসপাতালের আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে রোগীর স্বজনরা জানান, রোগী নিয়ে হাসপাতালে আসার পর দ্রুত চিকিৎসা না দিয়ে নিয়মের অজুহাতে হয়রানি করা হয়। মুমূর্ষু রোগী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছানোর পরও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। এ বিষয়ে দায়িত্বরত ইন্টার্ন চিকিৎসক মহিমা জামান বলেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া রোগীকে রক্ত দেওয়া সম্ভব ছিল না। এ কারণে রোগীকে মেডিসিন ওয়ার্ডে পাঠাতে বলা হয়েছিল। কিন্তু স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে নার্স ও কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন। বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. আল মামুন-উল ইসলাম বলেন, রোগীর স্বজন ও হাসপাতাল স্টাফদের নিয়ে থানায় আলোচনা হয়েছে। রোগীর স্বজনরা হাসপাতালে হয়রানির অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে হাসপাতাল স্টাফরা নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। পরে হাসপাতাল পরিচালকের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়েছে। আরিফ হোসেন/জেআই/এমএসএ
গৌরনদীতে চাচা ও ভাতিজার দুই গ্রুপের সংঘর্ষ
জমি নিয়ে বিরোধ গৌরনদীতে চাচা ও ভাতিজার দুই গ্রুপের সংঘর্ষ Advertisement গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গৌরনদীতে বাড়ির জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচা ও ভাতিজার দুই গ্রুপের মধ্যে হামলা-পালটা হামলা ও সংঘর্ষে দুই নারীসহ আটজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার সকালে উপজেলার খাঞ্জাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় উভয়পক্ষের সাতজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই গ্রামের ইলিয়াস হাওলাদার নিজেদের জমিতে শুক্রবার রান্নাঘর নির্মাণ শুরু করেন। এ সময় চাচা খালেক হাওলাদার ও তার ছেলেরা রান্নাঘর নির্মাণে বাধা দেন। এ নিয়ে খালেক ও ভতিজা ইলিয়াসের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে খালেকের নেতৃত্বে ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়ে পান্নু হাওলাদারের মাথায় জখম করে। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে পান্নুর ভাইয়েরা পালটা হামলা চালালে উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে ইলিয়াস ও তার ভাই পান্নু, মা ফজিলা বেগম ও প্রতিপক্ষ চাচাতো ভাই রকিব, রফিক, মিলন, বোন জান্নাত বেগমসহ আটজন আহত হন। ওসি তারিক হাসান রাসেল বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
