সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আহত ৫
Why this classification
The incident is classified as political violence because the victim is a political candidate and former BNP leader, and the attack occurred during a political gathering (courtyard meeting) for the upcoming Union Parishad election.
Killed
0
Injured
5
Summary
২০২৬ সালের ২৮ আগস্ট কুমিল্লার তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বিএনপি নেতা মো. ফরিদ সরকারের উঠান বৈঠকে হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় ফরিদ সরকারসহ ৫ জন আহত হয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আহত ৫
তিতাসে উঠান বৈঠকে হামলা সম্ভাব্য ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ আহত ৫ Advertisement কুমিল্লা উত্তর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিতাস উপজেলার ৬নং ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. ফরিদ সরকারের উঠান বৈঠকে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় ৫ জনকে পিটিয়ে জখম করা হয়। ফরিদ ভিটিকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি। শুক্রবার বিকাল তিনটার দিকে পোড়াকান্দি গ্রামের মোল্লা বাড়ির আলম মোল্লার চায়ের দোকানের সামনে ঘটনাটি ঘটে। তিতাস থানার ওসি মমিরুল হক বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাইনি। পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফরিদ জানান, ‘আসন্ন ইউপি নির্বাচনে আমি ভিটিকান্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। সেই উপলক্ষ্যে আমার গ্রামের লোকজন নিয়ে উঠান বৈঠক ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করি। বৈঠক লোকজন আসতে শুরু করলে পূর্ব শত্রুতার জেরে বিল্লাল, আকাশ, নুর নবীসহ ১৫/২০ জন হঠাৎ আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা আমাকে, আমার বড় ভাই, আসলাম সরকার, রাশাদ সরকারসহ ৫ জনকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’ এ বিষয়ে জানতে বিল্লালের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘যেখানে মিটিং হচ্ছিল, এরই পাশে আলম মোল্লার চায়ের দোকানে ছেলেরা কেরাম বোর্ড খেলছিল। তখন ফরিদ গিয়ে তাদের খেলা বন্ধ করে দেন। এ নিয়ে মারামারি হয়েছে।’ আকাশ মেম্বারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি কক্সবাজার আছি। শুনেছি বাড়িতে মারামারি হয়েছে। এতে আমার বড় ভাই বিল্লালসহ ৩-৪ জন আহত হয়েছে।’ নুর নবীর ফোন নম্বর না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
