যে সমাজে ছাত্রছাত্রী কথা বলাও অপরাধ

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

The article describes a concrete violent incident within 14 days, involving physical beating by individuals linked to a BNP leader; therefore it meets the relevance and recency criteria and is classified as political violence.

Reported by:SamakalProthom AloJugantorAjker PatrikaCorroborated · 4 sources
28/07/26•কাশিয়ানী উপজেলা স্কুল সেতু

Killed

0

Injured

2

Summary

২০২৬ সালের ২৮ জুলাই গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার একটি বিদ্যালয় সেতুর ওপর দুই শিক্ষার্থীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে, দলীয় গোষ্ঠীর সদস্যদের দ্বারা চড়-থাপ্পড় করা হয়; ঘটনায় দুজনই আহত হয় এবং এক শিক্ষার্থী মানসিক আঘাতে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

নয়ন গোলদারঅনিক মণ্ডলবখাটে সনাতন বিশ্বাস

Affected infrastructure

school bridge

Tags

Party ClashVigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (5 sources)

Source 1: Samakal · 06/08/26open original ↗

যে সমাজে ছাত্রছাত্রী কথা বলাও অপরাধ

সমকালীন প্রসঙ্গ যে সমাজে ছাত্রছাত্রী কথা বলাও অপরাধ কাওসার চৌধুরী কাওসার চৌধুরী প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬ | ০৭:৪৫ | আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০২৬ | ০৭:৪৬ | প্রিন্ট সংস্করণ ছেলেমেয়ে একসঙ্গে কথা বলার ‘অপরাধে’ গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার এক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের সঙ্গে বেঁধে এক কলেজছাত্র ও স্কুলছাত্রীকে নির্যাতন করা হয়েছে; গত ২৮ জুলাই, মঙ্গলবার দুপুরে। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে অপমান-ক্ষোভে ওই ছাত্রী বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। অভিযোগ উঠেছে, হাতিয়াড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নয়ন গোলদারের নির্দেশে ভ্যানচালক অনিক মণ্ডল, বখাটে সনাতন বিশ্বাসসহ কয়েক যুবক ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে নয়ন গোলদার বলেন, ‘ওই ছাত্রী ও তরুণকে আপত্তিকর অবস্থায় পেয়ে এলাকার যুবকরা আমার বাড়ির ওপর দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাদের দুজনকে স্কুলে নিয়ে অভিভাবকের হাতে তুলে দিই। নির্যাতনের বিষয়টি আমার জানা নেই’ (সমকাল, ২ আগস্ট ২০২৬)। অথচ সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, গত মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ের অদূরে একটি সেতুর ওপরে ওই ছাত্রী এবং কলেজছাত্র কথা বলছিল। ভ্যানচালক অনিক মণ্ডল এ দৃশ্য দেখেন। পরে তিনি বিষয়টি নয়ন গোলদার ও অন্যদের জানান। এর কিছুক্ষণ পর বখাটে সনাতনসহ কয়েকজন গিয়ে দুই শিক্ষার্থীকে ধরে নয়ন গোলদারের বাড়িতে নিয়ে আসেন। পরে তাদের বিদ্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে গাছের সঙ্গে দুজনকে বেঁধে রাখা হয়। এ সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় মানুষের ভিড় জমে। দুজনকে চড়-থাপ্পড় দেওয়া হয় (সমকাল, ২ আগস্ট ২০২৬)। যা হোক, সামাজিক মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে প্রতিবাদের কারণে শেষ পর্যন্ত পুলিশ সক্রিয় হয় এবং প্রধান অভিযুক্ত নয়ন গোলদারকে রোববার ভোরে আটক করে। ওই দিন রাতেই নির্যাতনের শিকার তরুণের বাবা বাদী হয়ে কাশিয়ানী থানায় মামলা করেছেন। এতে আটক বিএনপির নেতাসহ ১৪ জনকে আসামি করা হয়েছে (বিডিনিউজ, ৩ আগস্ট ২০২৫)। কথা হলো, প্রকাশ্য দিবালোকে সেতুর ওপরে দুজন শিক্ষার্থীর কথা বলা আমাদের সমাজে এখন অপরাধ! সমাজের ‘ফেরেশতাসম’ মানুষেরা সে জন্য তাদের ধরে নিয়ে নির্যাতন করেন। অথচ প্রায় প্রতিদিন কোথাও না কোথাও বলাৎকার, শিশু নির্যাতন, দলবদ্ধ ধর্ষণ সমাজের নজরে পড়ে না! ২ আগস্টের সমকালে এই শিক্ষার্থী নির্যাতনের খবরের পাশাপাশি আরেকটি খবর আছে– ‘রাজশাহীতে শিশুকে যৌন হেনস্তা, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার’। রাজশাহীতে ৯ বছর বয়সী শিশুকে যৌন হেনস্তার অভিযোগে পবা উপজেলার বড়গাছী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের রোকন এবং গ্রাম্য চিকিৎসককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁর বড় ভাই একই ওয়ার্ডের জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পবা থানায় একটি মামলাও হয়েছে। পাশবিক এসব ঘটনা যে শুধু উল্লিখিত দুটি রাজনৈতিক দলের সদস্য কিংবা নেতাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ; তা কিন্তু নয়। এই পাশবিকতা ছড়িয়ে পড়েছে গোটা সমাজে। কমবেশি সারাবছর এসব কদর্য ঘটনা ঘটতে থাকে। ঘটনার পর ‘সালিশ’ হয়। সালিশে কোনো না কোনোভাবে ধর্ষক ও নির্যাতনকারীরা পার পেয়ে যায়। এমনকি আদালত থেকেও আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে অপরাধীরা নিষ্কৃতি পেয়ে সমাজে এসে পুনরায় একই ধরনের অপরাধ সংঘটিত করে। সমাজ এবং আইন তাদের আইনকানুনের জটিলতার কাহিনি শোনায়, আর ভিকটিমরা তারই অভিশাপে হয় চুপ মেরে যান নতুবা আত্মহত্যার মতো অগ্রহণযোগ্য পথ বেছে নেন। কাশিয়ানীতে যে মেয়েটি অপমান সহ্য করতে না পেরে বিষপান করেছিল মরে যাওয়ার জন্য, তার কি আসলেই অন্য কোনো পথ খোলা ছিল? আমি মোটেও আত্মহত্যার মতো অগ্রহণযোগ্য বিষয়কে উৎসাহিত করছি না। কিন্তু ঘটনার বাস্তবতা কী বলে?  আমি জানি না, ওই এলাকার ছাত্রীটির পরিবারের সামাজিক অবস্থান কোন স্তরে। খুব শক্তিশালী অবস্থান হলে তো মেয়েটির পরিবারের সঙ্গে গোলদার চক্রের বড় রকমের সাংঘর্ষিক অবস্থা তৈরি হতো। কিন্তু সেই শক্তি মেয়েটির পরিবারের নেই বলেই হয়তো সব অপমান মাথায় নিয়ে অবশেষে মেয়েটি বিষপান করেছিল মৃত্যুকেই মুক্তি মনে করে। আমাদের এই জনপদে এটাই ঘটে থাকে। কারণ বিচার তো শক্তিমানদের জন্য; অসহায়দের জন্য নয়।  এ ধরনের ঘটনা ঘটলে সব দোষ ওই নারীর ওপরে গিয়েই বর্তায় বিনা ওজরে। আর সমাজপতিদের প্রায় শতভাগই পুরুষ এবং সামাজিকভাবে খুব শক্তিশালী। ফলে পুরুষ শাসিত সমাজে কোনো অপরাধ না করেও ‘গলায় দড়ি’ দিতে হয় কিন্তু নারীকেই। অপরাধী পুরুষরা দিব্যি গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ঘুরে বেড়ায়। গোলদার চক্রের ক্ষেত্রেও এর কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না বলে অনুমান করি।     নয়ন গোলদারের মতো নেতারা ব্যস্ত আছেন কিশোর-কিশোরী কিংবা তরুণ-তরুণীদের ‘কথা বলা’র অপরাধে শাস্তি প্রদান নিয়ে। অথচ খোঁজ রাখেন না দেশের আর্থসামাজিক দুরবস্থার দিকে। দিন দিন হু-হু করে বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। নিম্নবিত্ত তো দূরের কথা, মধ্যবিত্তদের নাগালের অনেক বাইরে চলে গেছে এসব পণ্যের দাম। গত রোববার ধানমন্ডির একটি বাজার থেকে কাঁচামরিচ কিনেছি ৩৭০ টাকা কেজি দরে। বাকি পণ্যের উচ্চমূল্যের কথা না-ই বা বললাম। আর পণ্য কিনেই বা কী হবে! চুলাই তো জ্বলে না আজ অনেক দিন। চুলায় গ্যাস নেই সারাদেশে। সমকাল পত্রিকায় দেখলাম ‘নদীর তলদেশে পাইপ কেটে গ্যাস চুরির চেষ্টা’ নিয়ে একটি খবর। আগে শুনতাম সিন্দুক চুরির কথা। পরে শুনেছি, পুকুরচুরিও হয়। এখন দেখছি নদীর তলদেশ পর্যন্ত চুরিচামারি থেকে রক্ষা পাচ্ছে না।    পরিশেষে একটিই আবেদন, কিশোর-কিশোরী কিংবা তরুণ-তরুণীদের স্বাভাবিক আচরণ, মেলামেশা উদার এবং স্বাভাবিক দৃষ্টিতে দেখার চেষ্টা করুন। তাদের সহযোগিতা করুন পড়াশোনার পাশাপাশি উন্নত এবং অগ্রসর জীবনের পথে এগিয়ে যেতে। নইলে যেভাবে বলাৎকার, ধর্ষণ এবং অনাচার চলছে সমাজের বিভিন্ন স্তরে; তার কুফল থেকে সমাজ কিংবা রাষ্ট্র রেহাই পাবে না। রেহাই পাব না আপনি-আমি কেউই। অতএব আসুন, সময় কিছুটা হলেও অবশিষ্ট থাকতে সাবধান হই। নইলে আম-ছালা দুটোই যাবে।   কাওসার চৌধুরী: প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা - বিষয় : - সমকালীন প্রসঙ্গ

Source 2: Samakal · 04/08/26open original ↗

নানা অপবাদ দিয়ে টাকা আদায় করে বখাটেরা

সারাদেশ নানা অপবাদ দিয়ে টাকা আদায় করে বখাটেরা × ছবি-সংগৃহীত গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬ | ০৮:৩৮ | আপডেট: ০৪ আগস্ট ২০২৬ | ১৮:৫৩ | প্রিন্ট সংস্করণ - অ + গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক ছাত্রী ও তরুণকে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন বিএনপি নেতা নয়ন গোলদার। উপজেলার হাতিয়াড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক এই সাধারণ সম্পাদক ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর নিজ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেন। বখাটেদের নেতৃত্বে গড়ে তোলেন একটি বাহিনী। তারা গ্রামের নিরীহ মানুষের ওপর বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে ধরে আনতো এবং অত্যাচার করে আদায় করা হতো টাকা। সেই টাকার ভাগ পেতেন নয়ন গোলদারও। গত রোববার ও গতকাল সোমবার সমকালের অনুসন্ধানে এসব তথ্য জানা গেছে। গত ২৮ জুলাই দুপুরে বিদ্যালয়ের অদূরে একটি সেতুতে এক কলেজছাত্রের সঙ্গে কথা বলছিলেন অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। কিছুক্ষণ পর দুজনকে ধরে নেওয়া হয় নয়ন গোলদারের বাড়িতে। সেখান থেকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এনে গাছে বেঁধে তাদের চড়থাপ্পড় দেওয়া হয়। এ সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন কয়েকজন। পরে তা ছড়িয়ে দেওয়া হয় সামাজিক মাধ্যমে। পরদিন ভিডিওটি ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়লে মেয়েটি বিষপান করে। স্থানীয় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিয়ে সে সুস্থ হয়। এ ঘটনায় ছেলেটির বাবা গত রোববার রাতে কাশিয়ানী থানায় মামলা করেছেন। এতে আটজনের নাম উল্লেখসহ পাঁচ-ছয়জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন– নয়ন গোলদার (৪৫), সাগর রায় ওরফে সম্রাট (১৯), সনাতন সিকদার (২০), মিশন রায় (১৯), জিৎ বিশ্বাস (২০), অনিক মণ্ডল (১৯), জয় সিকদার (২২) ও চয়ন বিশ্বাস (২৩)। এদের মধ্যে নয়ন গোলদারকে রোববার ভোরে মাদারীপুর জেলার রাজৈর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে অন্যরা গা-ঢাকা দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী জানায়, যখন বিদ্যালয়ে ঘটনাটি ঘটে, তখন ক্লাস চলছিল। ক্লাস শেষে গিয়ে সে অল্প সময়ের জন্য ওই দুজনকে গাছের সঙ্গে বাঁধা দেখেছে সে। তখন অনেক লোক জড়ো হয়েছিল। ছেলে ও মেয়েকে প্রকাশ্যে অপমান করা হচ্ছিল। আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী জানায়, বখাটেদের ভয়ে এলাকার মানুষ ও শিক্ষকেরাও কথা বলতে সাহস পান না। তারা একের পর এক অপকর্ম করে যাচ্ছে। বিচার হচ্ছে না। বিদ্যালয়ে আসতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বিএনপি নেতা নয়ন গোলদারের বাড়ি হাতিয়াড়া ইউনিয়নের রাহুথড় গ্রামে। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ৫ আগস্টের পর নয়নের নেতৃত্বে সাগর রায় সম্রাট, মিশন রায়, সনাতন সিকদার, জিৎ বিশ্বাস, ভ্যানচালক অনিক মণ্ডল, জয় সিকদার, চয়ন বিশ্বাসসহ কয়েকজন ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। তারা নিরীহ মানুষের বিরুদ্ধে প্রেম, অনৈতিক সম্পর্কসহ নানা অপবাদ ছড়ায়। পরে বখাটে বাহিনী দিয়ে ধরে নির্যাতন করে টাকা রেখে ছেড়ে দেয়। মানইজ্জতের ভয়ে কেউ প্রতিবাদের সাহসও পান না। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরে। গত রোববার সন্ধ্যায় গিয়ে তার মা ও দাদিকে পাওয়া যায়। নিরাপত্তার শঙ্কায় সঙ্গে শুরুতে কথা বলতে রাজি হননি। মেয়েটির মা বলেন, তাঁর বাবার বাড়ি থেকে মেয়েটি পড়াশোনা করে। ঘটনার পর নানি গালাগালি করায় সে বিষপান করেছিল। এখন সুস্থ আছে। কিন্তু কোথায় আছে তা জানেন না। এদিন ছেলেটির বাড়িতে গিয়েও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর ছোট ভাইয়ের দাবি, তাঁর দাদা বাড়ির পাশে পাটের জাগ দিচ্ছিল। সেখান থেকে নয়ন গোলদারের লোকজন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ধরে নিয়ে যায়। মেয়েটিকেও অটোরিকশা থেকে জোর করে নামানো হয়। দুজনকে নয়নের বাড়ি ও বিদ্যালয়ে নিয়ে মারধর করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, এ যুগলকে ছাড়ার জন্য টাকা আদায় করা হয়েছে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী তরুণের বাবা বলেন, ‘আমি সরাসরি জানি না। তবে শুনেছি, আমার খালাতো শালার কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছিল। পরে দরকষাকষি করে পাঁচ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে দেওয়া হয়।’ সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমান বলেন, গত রোববার ভোরে নয়ন গোলদারকে গ্রেপ্তার করা হয়। তরুণের বাবা কাশিয়ানী থানায় মামলা করেন। এতে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নয়নকে গতকাল সোমবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজনের নাম জানা গেছে। বিষয় : চাঁদাবাজি গোপালগঞ্জ আরও পড়ুন ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর গ্রেপ্তার ভৈরবে ডেঙ্গুতে একদিনে দুই মৃত্যু, ক্ষোভে সড়ক অবরোধ বাড়িতে পানি দিয়ে আলামত নষ্টের অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের দলবদ্ধ ধর্ষণে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ মামলার আসামি ৫ সর্বশেষ ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর গ্রেপ্তার ভৈরবে ডেঙ্গুতে একদিনে দুই মৃত্যু, ক্ষোভে সড়ক অবরোধ ঘুমের সমস্যা কমাতে যে ব্যায়াম কাজে আসতে পারে নেপাল-তিব্বতে ৮০০ বিদেশিসহ নিখোঁজ ১,৫০০ বাড়িতে পানি দিয়ে আলামত নষ্টের অভিযোগ, অস্বীকার পুলিশের দলবদ্ধ ধর্ষণে স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ মামলার আসামি ৫ প্যারেন্টস ওরিয়েন্টেশনে শিক্ষাবর্ষ শুরু হিমবাহ ভেঙে পড়ার কারণেই হয়তো নেপালে বন্যা-ভূমিধস আরও পড়ুন ×

Source 3: Ajker Patrika · 01/08/26open original ↗

বিদ্যালয়ে ছাত্রী ও যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে এক স্কুলছাত্রী ও এক যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ওই ছাত্রী বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি তার পরিবারের। গতকাল শুক্রবার রাতে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুরে উপজেলার একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী (১৩)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে প্রকাশ্যে এমন ঘটনার তিন দিন পার হলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার ওই ছাত্রী এবং যুবককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়েছিলেন বলে দাবি করেন কয়েকজন। পরদিন মঙ্গলবার ছাত্রী ও যুবককে ডেকে বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দেবদারুগাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে তাদের একসঙ্গে বেঁধে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এ সময় কিছু লোক পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ওই ছাত্রী বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে স্থানীয় উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী ছাত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা ভয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতা নয়ন গোলদার বলেন, ‘ওই ছাত্রী ও যুবককে আমার বাড়ির ওপর দিয়ে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল এলাকার যুবকেরা। তখন আমি দুজনকে স্কুলে নিয়ে অভিভাবকদের হাতে তুলে দেই। তবে গাছের সঙ্গে বেঁধে যারা নির্যাতন করেছে তারা ঠিক কাজ করেনি।’ ঘটনার দিন বিদ্যালয়ে ছিলেন না দাবি করে প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রজিত সরকার বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিও ঢাকায় ছিলেন। তিনি ফিরে এলে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিদ্যালয়ের সভাপতি স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতা সাগর মজুমদার বলেন, ‘যারা ঘটনাটি ঘটিয়েছে তারা অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে সঠিক বিচার করা হবে।’ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো অভিযোগ পাইনি। পেলে তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Source 4: Jugantor · 01/08/26open original ↗

স্কুলে ছাত্রী ও যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন, বিষপানের পর হাসপাতালে শিক্ষার্থী

কাশিয়ানীতে স্কুল আঙিনায় এক স্কুলছাত্রী ও যুবককে গাছের সঙ্গে বেঁধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের সেই দৃশ্য ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পর অষ্টম শ্রেণির ওই ছাত্রী অপমান ও লোকলজ্জায় বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ২৮ জুলাই দুপুরে উপজেলার রাহুথড় উদয়ন বিদ্যাপীঠ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রজিত সরকার। এ ঘটনার পর থেকে ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ভয়ে কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে প্রকাশ্যে এ ঘটনার তিন দিন পার হলেও কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও মামলাও হয়নি। এতে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী রাহুথড় উদয়ন বিদ্যাপীঠের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বরইভিটা গ্রামে। সে মুকসুদপুর উপজেলার ধর্মরায়ের বাড়ি গ্রামে নানা বাড়িতে থেকে পড়াশোনা করছে। অপর ভুক্তভোগী যুবক উপজেলার হাতিয়াড়া গ্রামের শিবনাথ বাড়ৈর ছেলে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার ওই ছাত্রী ও যুবককে আপত্তিকর অবস্থায় দেখা গিয়েছিল এমন দাবি তোলেন স্থানীয় কয়েক যুবক। তার জের ধরে সোমবার ওই ছাত্রীকে স্কুলের বাইরে থেকে এবং যুবককে তার বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ে ডেকে আনা হয়। পরে বিদ্যালয়ের একটি দেবদারু গাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে তাদের বেঁধে রাখা হয়। পরে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। এ সময় উপস্থিত কয়েকজন পুরো ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় হাতিয়াড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক নয়ন গোলদার, স্থানীয় যুবক জয় শিকদার, মিশন রায়সহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আরও পড়ুন সিংড়া পৌর আ.লীগ নেতা গ্রেফতার নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অপমান ও লোকলজ্জায় ওই স্কুলছাত্রী বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে দাবি পরিবারের। ঘটনার পর আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে রাহুথড় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। অভিযুক্ত নয়ন গোলদার বলেন, তারা আপত্তিকর অবস্থায় ধরার পর এলাকার যুবকরা আমার বাড়ির ওপর দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাদের দুজনকে স্কুলে নিয়ে অভিভাবকদের হাতে তুলে দিই। তবে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টি আমার জানা নেই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রজিত সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমি ঘটনার দিন স্কুলে ছিলাম না। পরে ঘটনাটি শুনেছি। স্কুলের সভাপতিও ঢাকায় ছিলেন। তিনি বাড়িতে আসছেন। তার সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাশিয়ানী থানার ওসি মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান বলেন, আমি কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Source 5: Prothom Alo · 01/08/26open original ↗

স্কুলে ছাত্রী ও তরুণকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, ছাত্রীর আত্মহত্যার চেষ্টা

গতকাল শুক্রবার রাতে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক স্কুলছাত্রী ও এক তরুণকে গাছের সঙ্গে বেঁধে প্রকাশ্যে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর ওই ছাত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বলে দাবি তার পরিবারের। গতকাল শুক্রবার রাতে নির্যাতনের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ২৮ জুলাই দুপুরে উপজেলার একটি উচ্চমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে। ভুক্তভোগী ওই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী (১৩)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভেতরে প্রকাশ্যে এমন ঘটনার তিন দিন পার হলেও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয় একাধিক বাসিন্দার। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২৮ জুলাই ওই ছাত্রীকে বিদ্যালয়ের বাইরে থেকে এবং তরুণকে তাঁর বাড়ি থেকে ডেকে বিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আগের দিন তাঁদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পেয়েছিলেন বলে কয়েকজনের দাবি। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে একটি দেবদারুগাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে তাঁদের একসঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে তাঁদের শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়া, অপমান ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে ওই ছাত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বর্তমানে সে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি আছে। এ সময় উপস্থিত কয়েকজন ঘটনার ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় নয়ন বাড়ৈ, জয় শিকদার, মিশন রায়সহ আরও কয়েকজন জড়িত বলে অভিযোগ। এ ব্যাপারে নয়ন বাড়ৈয়ের ভাষ্য, ‘আপত্তিকর অবস্থায় ধরার পর এলাকার কয়েক যুবক আমার বাড়ির ওপর দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। আমি তাঁদের বিদ্যালয়ে নিয়ে অভিভাবকদের হাতে তুলে দিই। তবে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়টি আমার জানা নেই।’ স্থানীয় লোকজনের দাবি, নির্যাতনের ভিডিও ছড়িয়ে পড়া, অপমান ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে ওই ছাত্রী বিষ পান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পরে তাকে স্থানীয় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখান থেকে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। বর্তমানে ওই ছাত্রী সেখানে চিকিৎসাধীন। ঘটনার দিন বিদ্যালয়ে ছিলেন না দাবি করে প্রধান শিক্ষক ইন্দ্রজিত সরকার বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতিও ঢাকায় ছিলেন। তিনি ফিরে এলে তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন কাশিয়ানীনির্যাতনঅপরাধঢাকা বিভাগগোপালগঞ্জঅভিযোগ