সিলেটে পর্যটক হেনস্তা-হোটেলে চুরি, সালিশে কানধরে ওঠবস
Why this classification
A specific incident on 30 May 2026 in Sylhet is reported in which local residents, led by an expelled Swechchhasebak Dal leader, seized three children aged 12 to 13, beat them, made them do humiliating sit-ups, and forced an apology on live video. This is a concrete physical attack, so it qualifies as violence.
Killed
0
Injured
3
Summary
সিলেটের গোয়াবাড়ী এলাকায় ৩০ মে ২০২৬ (শনিবার) নারী পর্যটককে হেনস্তার অভিযোগে স্থানীয়রা ১২-১৩ বছর বয়সী তিন কিশোরকে ধরে এনে সালিশে মারধর, কানধরে ওঠবস ও লাইভে ক্ষমা চাইয়ে ছেড়ে দেয়। বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজ খান সজিবের নেতৃত্বে এ ঘটনা ঘটে এবং পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals, BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সিলেটে পর্যটক হেনস্তা-হোটেলে চুরি, সালিশে কানধরে ওঠবস
সিলেটে পর্যটক হেনস্তা-হোটেলে চুরি, সালিশে কানধরে ওঠবস Advertisement সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৬:০০ পিএম ছবি: সংগৃহীত ঈদের ছুটিতে সিলেটে বেড়াতে এসে চরম বিপাকে পড়েছেন কয়েকজন পর্যটক। গত শনিবার নগরীর গোয়াবাড়ী এলাকার আলী বাহার চা-বাগান এলাকায় আশফিকা তাহসিন নামে এক নারী পর্যটককে স্থানীয় কিছু কিশোর ও তরুণ ইভটিজিং ও অশালীন আচরণ করে হেনস্তা করে। ভুক্তভোগী তরুণী হেনস্তার এ ঘটনাটি তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে লাইভ করলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায় এবং নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। প্রশাসনিক কোনো পদক্ষেপের আগেই শনিবার রাতে বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজ খান সজিবের নেতৃত্বে স্থানীয় এলাকাবাসী টুকেরবাজার ইউনিয়নের ১২-১৩ বছরের তিন কিশোরকে ধরে এনে সালিশের মাধ্যমে মারধর, কানধরে ওঠবস ও লাইভে ক্ষমা চাইয়ে ছেড়ে দেয়। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কর্মকর্তা মনজুরুল আলম জানান, এলাকাবাসী অভিযুক্তদের পুলিশের কাছে হস্তান্তর না করে নিজেরাই ছেড়ে দিয়েছে, তবে তাদের আটকে পুলিশের অভিযান ও তৎপরতা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এদিকে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সিলেটের সভাপতি সৈয়দা শিরিন আক্তার এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আইন হাতে তুলে নিয়ে প্রকাশ্যে শিশু-কিশোরদের এভাবে বিচার করা অন্যায় এবং এসব ঘটনা প্রমাণ করে সিলেটে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হচ্ছে, যা পর্যটন খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে একই সময়ে নগরীর জিন্দাবাজারের ‘সিলেট প্লাজা’ হোটেলে রাত্রিযাপনকালে চট্টগ্রাম থেকে আসা এক পর্যটক দম্পতির রুম থেকে মোবাইল, নগদ টাকা ও কাপড়চোপড় চুরির ঘটনা ঘটেছে, যার কোনো গ্রহণযোগ্য জবাব দিতে পারেনি হোটেল কর্তৃপক্ষ।
