মাদকাসক্ত ছেলের হাতে প্রাণ গেল মায়ের, আহত বাবা-বোন
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Feni. Parties reported: Rafi (Accused), Family Members. Reported casualties: 1 killed and 2 injured. Reported by 2 sources.
Killed
1
Injured
2
Summary
১০ মে ২০২৬ সন্ধ্যায় ফেনীর দাগনভূঞায় মাদকের টাকার জন্য এক যুবকের ছুরিকাঘাতে তার মা নিহত এবং বাবা ও বোন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত রাফিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
89% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (4 sources)
মাদকাসক্ত ছেলের হাতে প্রাণ গেল মায়ের, আহত বাবা-বোন
ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় মাদকাসক্ত ছেলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন এক মা। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তাঁর স্বামী ও মেয়ে। রোববার (১০ মে) সন্ধ্যায় উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামের মকবুল আহমদ সুপারিনটেনডেন্টের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাকি বেগম (৪০) ওই গ্রামের মো. মোস্তফার স্ত্রী। আহতরা হলেন নিহত ব্যক্তির স্বামী মো. মোস্তফা (৪৫) ও মেয়ে মিথিলা (১৮)। অভিযুক্ত ছেলে রাফিকে (২১) স্থানীয় জনতা আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, সন্ধ্যায় রাফি হঠাৎ ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পরিবারের সদস্যদের ওপর এলোপাতাড়ি আঘাত করতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন লাকি বেগম। হামলায় গুরুতর আহত হন তাঁর স্বামী ও মেয়ে। পরিবারের সদস্যদের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ছুটে এসে রাফিকে আটক করে। পরে তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। নিহত লাকির দেবরের ছেলে এমরান হোসেন বলেন, ‘রাফি দীর্ঘদিন ধরে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। প্রায়ই সে মাদকের টাকার জন্য পরিবারের সঙ্গে ঝামেলা করত। আজও সম্ভবত মাদকের টাকার জন্য এ ধরনের নৃশংস ঘটনা ঘটিয়েছে।’আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির জানান, হাসপাতালে আনার আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম জানান, রাফি একজন বখাটে ও মাদকাসক্ত। প্রায়ই পরিবারের সঙ্গে মাদকের টাকার জন্য ঝামেলা করত। আটকের সময় তাঁর কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
পরিবারের ভালোবাসা থেকে ‘বঞ্চিত’ হওয়ার ক্ষোভেই মাকে হত্যা
ফেনীর দাগনভূঞায় মা লাকি বেগম (৪০) হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ছেলে মোশারফ হোসেন রাফি (২২) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, পরিবারের ভালোবাসা ও স্বাভাবিক আচরণ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। সোমবার (১১ মে) দুপুরে দাগনভূঞা আমলী আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শহীদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে রাফি এসব কথা বলেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দাগনভূঞা থানা পুলিশের উপপরিদর্শক মো. মোতালেব এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জবানবন্দিতে রাফি দাবি করেন, তিনি সিগারেট ছাড়া অন্য কোনো মাদকদ্রব্য সেবন করতেন না। তবে, পরিবারের সদস্যরা সবসময় তাকে মাদকাসক্ত ও বখাটে বলে অবজ্ঞা করতেন। এতে তিনি মানসিকভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। তার ভাষ্যমতে, মা লাকি বেগম তার সঙ্গে আপন সন্তানের মতো আচরণ করতেন না এবং ঘটনার দিন রাতে কথা বলতে গেলে তাকে দূরে সরিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে মাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। এ ঘটনায় রাফিকে একমাত্র আসামি করে দাগনভূঞা থানায় হত্যা মামলা করেন তার ফুফু শরীফা বেগম। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুইটি ছুরি পুলিশ আলামত হিসেবে জব্দ করেছে। দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, গ্রেপ্তার রাফি ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, রোববার (১০ মে) রাত ৯টার দিকে দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামের মকবুল আহমদ সুপারিন্টেন্ডেন্ট বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা আহত তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে দাগনভূঞা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে ফেনী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে লাকি বেগমের মৃত্যু হয়। ফেনী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত বাবা ও মেয়েকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে রাফির পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে রাফি মাদকাসক্ত ও বখাটে জীবনযাপন করছিলেন। এজন্য বাবা-মা তাকে প্রায়ই শাসন করতেন এবং ভালো পথে ফেরার পরামর্শ দিতেন। এতে পরিবারের সঙ্গে তার দূরত্ব ও ক্ষোভ তৈরি হয়। বাড়ির বয়োবৃদ্ধ সোলেমান মিয়া বলেন, ৩-৪ বছর আগে থেকে রাফি মাদকের সাথে জড়িয়ে যায়। ঠিকভাবে লেখাপড়াও করতেন না। এসব নিয়ে প্রায়ই তার মায়ের সাথে ঝগড়া হতো। রোববার রাতে আমি হঠাৎ তাদের বাড়ি থেকে শোরচিৎকার শুনে সেখানে গিয়ে দেখি, তাদের ঘরের মেঝেতে লাকি ও মোস্তফা পড়ে আছে। মিথিলাকে বাথরুমে আটকে রেখেছে। মাদকাসক্ত একটা ছেলে পরিবারকে শেষ করে দিয়েছে। আহত মোস্তফার ভাতিজা আবদুল হক বলেন, মা, বাবা ও বোনকে ছুরিকাঘাতের খবর পেয়ে ঘরে গিয়ে দেখি তখনও রাফি উগ্র আচরণ করছে। রাফি কাউকে কাছে যেতে দিচ্ছিলেন না। কোনোরকম বুঝিয়ে শুনিয়ে ঘরে প্রবেশ করে দেখি চাচির নিথর দেহ মেঝেতে পড়ে আছে। চাচা ও মিথিলাকে গুরুতর আহত অবস্থায় তাৎক্ষণিক হাসপাতালে পাঠিয়েছি। তিনি বলেন, রাফি মূলত একাকিত্ব ও মানসিক অবসাদগ্রস্ত ছিল। কারো সাথে মিশতেনও না। তারেক চৌধুরী/এসএইচএ
পরিবারের ভালোবাসা ‘বঞ্চিত’ হওয়ার ক্ষোভে মা খুন
দাগনভূঞায় রাফির স্বীকারোক্তি পরিবারের ভালোবাসা ‘বঞ্চিত’ হওয়ার ক্ষোভে মা খুন Advertisement ফেনী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মা-বাবার অপবাদ, ভর্ৎসনা এবং পরিবারের ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভে মাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে দাগনভূঞার মোশারফ হোসেন রাফি। মা লাকি আক্তারকে (৪০) হত্যার দায় স্বীকার করে সোমবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। রাফি জানান, ছোটকাল থেকে তিনি শ্বাসকষ্ট এবং মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তিনি সিগারেটে আসক্ত ছিলেন। মা-বাবা সবসময় তাকে ভুল বুঝতেন এবং নানা অপবাদ দিতেন। তাদের ভালোবাসা ও স্বাভাবিক আচরণ থেকে বঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই তিনি মাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেন। জানা যায়, মা লাকি আক্তার তার সঙ্গে আপন সন্তানের মতো আচরণ করতেন না। ঘটনার দিন রাফি নানার বাড়ি থেকে এসে শুয়ে পড়েন এবং মাকে মাথা টিপে দিতে বলেন। কিন্তু মা তাকে দূরে সরিয়ে দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে মাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। একপর্যায়ে গুরুতর আহত মা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং সেখানেই মারা যান। লাশ খাটের নিচে লুকানোর চেষ্টা করেন তিনি। এসময় বোন দেখে ফেললে তাকেও আঘাত করা হয়। এরপর বাবা এসে পড়লে তাকে ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়। রোববার রাতে উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবদুল মোতালেব বলেন, জবানবন্দিতে রাফি দাবি করে বেশিরভাগ সময় তিনি নানার বাড়িতে থাকতেন। এসএসসি পাশ করার পর লেখাপড়া ছেড়ে দেন। তিনি শ্বাসকষ্ট ও মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তার মা-বাবা মানসিক ডাক্তার দেখিয়ে চিকিৎসাও করিয়েছেন। তার মা-বাবা তাকে সবসময় ভুল বুঝতেন। পরিবারের সদস্যরা তাকে মাদকাসক্ত ও বখাটে বলে অবজ্ঞা করতেন। মা তাকে বলতেন, তুই মাদকসেবী, তুই বখাটেদের সঙ্গে আড্ডা দিস, তোর মতো পোলা দরকার নেই, তুই ট্রাকের নিচে পড়ে মর। এসব কথায় তিনি মানসিকভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা তার সবসময় ক্ষতি চাইতেন। হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি দুটি শনিবার অনলাইন থেকে কিনেছিলেন। হত্যার ঘটনায় সোমবার রাফিকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন তার ফুফু শরীফা বেগম। হত্যায় ব্যবহৃত দুটি ছুরি পুলিশ জব্দ করেছে।
অনলাইন থেকে অর্ডার করে ছুরি কেনেন ছেলে, সেই ছুরি দিয়ে মাকে খুন
খুনের অভিযোগে আটক মোহাম্মদ রফিকছবি: সংগৃহীত ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় ‘মাদকাসক্ত’ ছেলের ছুরিকাঘাতে মায়ের মৃত্যু হয়েছে। হামলায় আহত হয়েছেন বাবা ও বোন। আজ রোববার রাত সাড়ে নয়টার দিকে উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়নের দিলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম লাকি বেগম (৪৫)। তিনি দিলপুর গ্রামের মকবুল আহমদ হুদুর বাড়ির মোহাম্মদ মোস্তফার স্ত্রী। আহত ব্যক্তিরা হলেন মোহাম্মদ মোস্তফা (৫৫) ও তাঁর মেয়ে মোসাম্মদ মিথিলা মোস্তফা (১৮)। মিথিলা রাজাপুর আলিম মাদ্রাসার এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তাঁদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত ছেলে মোহাম্মদ রাফিককে (২১) আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় লোকজন তাঁকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য, রাফিক মাদকাসক্ত হিসেবে পরিচিত। পুলিশ জানায়, অনলাইনে অর্ডার করে ছুরি কিনে সেই ছুরি দিয়ে মাকে হত্যা করেন রফিক। পুলিশ, প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, রোববার রাতে রাফিক বাড়িতে এসে মাদক সেবনের জন্য মায়ের কাছে টাকা চান। লাকি বেগম টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে রাফিক ধারালো ছুরি দিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালান। এতে ঘটনাস্থলেই লাকি বেগম গুরুতর আহত হন। ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে স্বজনদের ভিড়। আজ রাতেছবি: প্রথম আলো একপর্যায়ে বোন মিথিলাকে ছুরিকাঘাত করলে তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে যান বাবা মোহাম্মদ মোস্তফা। তখন তাঁদের দুজনকেও ছুরিকাঘাত করা হয়। পরিবারের অন্য সদস্যদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে রাফিক পালানোর চেষ্টা করেন। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া করে তাঁকে আটক করেন। আহত তিনজনকে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক লাকি বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শাহরিয়ার কবির বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই লাকি বেগমের মৃত্যু হয়েছে। আহত মোস্তফা ও মিথিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দাগনভূঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান বলেন, ঘটনাস্থল থেকে রাফিককে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, অনলাইনে অর্ডার দিয়ে দুটি ছুরি কিনেছিলেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুটি ছুরি জব্দ করেছে পুলিশ। ওসি আরও বলেন, লাকি বেগমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মাদকফেনীঅপরাধখুনচট্টগ্রাম বিভাগ
