মাইকে গুজব ছড়িয়ে হামলা, ৪ বন কর্মকর্তা আহত

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a valid, recent incident in which local followers of a religious leader attacked forest department officials during an eviction from forest land, injuring four of them. The attack was followed by a one-hour road blockade, so it qualifies as a physical attack and is not a statement or statistical roundup.

Reported by:SamakalSingle source
10/01/26•Dhuilla Chhara New Mosque area, Kanchannagar Union Ward 1

Killed

0

Injured

4

Summary

ফটিকছড়ির কাঞ্চননগর ইউনিয়নে ১০ জানুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) সকালে পাহাড় কাটা ও অবৈধ মসজিদ-মাদ্রাসা উচ্ছেদ অভিযানের সময় স্থানীয়দের হামলায় বন বিভাগের চার কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হন। হামলার পর পীর শাহ আলম নঈমীর অনুসারীরা খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি অংশে এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

92% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Law Enforcement

Other actors

Shah Alam Naimi Hujur's followersKhan Abrar Rahman (Assistant Chief Conservator of Forests)Bachchu Miah (Forest Ranger)Khondakar Mahfuz Ali (Forest Guard)Biplob (Excavator driver)Mohammad Enam (Ward 1 UP Member)Saeed Mohammad Ibrahim (UNO, Fatikchhari)Mo. Selim (OC, Fatikchhari Thana)Shafiqul Islam (Divisional Forest Officer, Chattogram)Mohammad Nazrul Islam (Assistant Commissioner, Land)

Affected infrastructure

Under-construction mosque and madrasaExcavatorMain road (blockaded for one hour)

Tags

Land Dispute

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 4

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 11/01/26open original ↗

মাইকে গুজব ছড়িয়ে হামলা, ৪ বন কর্মকর্তা আহত

মাইকে গুজব ছড়িয়ে হামলা, ৪ বন কর্মকর্তা আহত হামলার পর সড়ক অবরোধ করেন শাহ আলম নঈমী হুজুরের অনুসারীরা হামলায় আহত এক বন কর্মকর্তা খাগড়াছড়ি ও ফটিকছড়ি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ | ২২:৫১ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় মসজিদ-মাদ্রাসার নামে পাহাড় কাটা এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানোর পর স্থানীয়দের হামলায় বন বিভাগের চার কর্মকর্তা ও কর্মচারী আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ধুইল্ল্যাছড়ি নতুন মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রাত ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছিল। আহতরা হলেন– সহকারী বন সংরক্ষক খান আবরারুর রহমান, ফরেস্ট রেঞ্জার বাচ্চু মিয়া, ফরেস্ট গার্ড খন্দকার মাহফুজ আলী এবং এক্সক্যাভেটর চালক বিপ্লব। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, রাউজান উপজেলার পীর শাহ আলম নঈমী হুজুরের লোকজন গত কয়েক মাস ধরে ধুইল্ল্যাছড়ি এলাকায় পাহাড় কেটে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের কাজ চলছিল। কারও কাছ থেকে অনুমতি না নিয়েই তিনি এ কার্যক্রম পরিচালনা করছিলেন। নঈমী হুজুরের অনুসারীরাই এদিন বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে তারা খাগড়াছড়ির মানিকছড়ি অংশে এক ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় রাস্তার দুপাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সড়ক অবরোধকারী রহিমা বেগম, মনসুর আলী ও মেহেরুননিসা জানান, নঈমী হুজুরের লোকেরা স্থানীয় দরিদ্রদের দ্বীনি শিক্ষা দিতে বছর কয়েক আগে ধুইল্ল্যাছড়িতে একটি মাদ্রাসা নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু বন বিভাগ কোনো আলোচনা ছাড়াই এটি উচ্ছেদ করেছে। এর প্রতিবাদেই তারা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। কাঞ্চননগর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ এনাম জানান, বন বিভাগ দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধারে অভিযান চালিয়েছিল। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা ঘিরে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলা থেকে বাঁচতে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোনো রকমে মূল সড়কে উঠে এলে সেনাবাহিনী তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ফটিকছড়ির ইউএনও সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহীম জানান, মসজিদ-মাদ্রাসা ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বলে দুষ্কৃতকারীরা মসজিদের মাইকে গুজব ছড়িয়ে বন কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে চারজন আহত হয়েছেন। আমরা ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করেছি। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। চট্টগ্রামের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, দুষ্কৃতকারীরা পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়েছে। এই বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।   উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, বন বিভাগ নোটিশ দিতে সেখানে গেছে বলে জানতাম। পরবর্তী সময় উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হলে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে হামলায় জড়ায়।  ফটিকছড়ি থানার ওসি মো. সেলিম বলেন, উচ্ছেদ অভিযানকালে বন কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায় স্থানীয়রা। এ সময় গাড়ি থেকে একজন কর্মকর্তা পড়ে গিয়ে মারধরের শিকার হন। এদিকে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ ও হামলার বিষয়ে পীর শাহ আলম নঈমী হুজুরের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। জানা গেছে, তিনি চট্টগ্রাম শহরে থাকেন এবং ফোন ব্যবহার করেন না। কথা হয় হুজুরের বিভিন্ন কাজ দেখভাল করা হেলাল উদ্দিনের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমরা বনের জমি দখল করিনি, পাহাড়ও কাটিনি। স্থানীয়দের দ্বীনি শিক্ষা দিতে শুধু মাদ্রাসা করেছি। এমন মাদ্রাসা ফটিকছড়ির অনেক জায়গায় আছে। তাহলে শুধু আমাদেরটা উচ্ছেদ করা হচ্ছে কেন। বন বিভাগের লোকজন মাদ্রাসা ভেঙে দিতে গেলে স্থানীয় অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের ওপর হামলা করেছে বলে জেনেছি।