নাটোরে বালতির আঘাতে শাশুড়িকে হত্যা পুত্রবধূর
Why this classification
A daughter-in-law struck her 60-year-old mother-in-law on the head with a bucket during a family quarrel over an affair, and the mother-in-law died at hospital. This is a concrete, recent fatal assault, so it counts as violence.
Killed
1
Injured
0
Summary
নাটোর সদর উপজেলার বড়হরিশপুর ইউনিয়নে পরকীয়ার জেরে পুত্রবধূ লাইলী বেগমের বালতির আঘাতে শাশুড়ি সাহারা বেগম (৬০) মাথায় আঘাত পেয়ে মারা যান। ঘটনার পর অভিযুক্ত পুত্রবধূ পলাতক রয়েছেন এবং নিহতের ছেলে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (5 sources)
নাটোরে বিএনপি কর্মীর রগ কাটার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে
নাটোরে বিএনপি কর্মীর রগ কাটার অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে ফাইল ছবি নাটোর সংবাদদাতা প্রকাশ: ২৫ মে ২০২৬ | ২৩:৪০ নাটোর সদর উপজেলার হয়বতপুরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদ করায় বিএনপির কর্মী মিজানুর রহমানের হাত ও পায়ের রগ কাটার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। গত রোববার রাতে এ হামলায় গুরুতর আহত মিজানুরকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় সোমবার সন্ধ্যায় মিজানুরের বাবা রুস্তম আলী বাদী হয়ে নাটোর সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সোহেল রানাসহ আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ৫–৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে থানায় অভিযোগ করেছেন। সুমন নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। অভিযোগ করা হয়, গত ২০ মে বিকেলে হয়বতপুর এলাকার কিরণের কাছে ছাত্রদল নেতা সোহেলসহ কয়েকজন মিলে ৪৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। কিরণ টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে হয়বতপুর বাজারে মারপিট করা হয়। এসময় মিজানুর প্রতিবাদ করলে তার সাথেও বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে রোববার রাতে মিজানুরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে বাম পায়ের ও ডান হাতের রগ কেটে দেওয়া হয়। জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন সৃজন বলেন, এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। নাটোর থানার ওসি মো. মনসুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে সুমন আহমেদ নামে একজনকে আটক করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।
নিখোঁজের ৬ দিন পর যুবকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার
নাটোরের বড়াইগ্রামে নিখোঁজের ছয় দিন পর শফিকুল ইসলাম (৩৮) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার উপজেলার বনপাড়া পৌর এলাকার কালিকাপুর আদর্শ গ্রামে পাশের বাড়ির নির্মাণাধীন টয়লেটের ভেতর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। শফিকুল ইসলাম কালিকাপুর আদর্শ গ্রামের শহিদ আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার থেকে শফিকুল ইসলামকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার সকালে তাঁর পাশের বাড়ির মামুন হোসেনের নির্মাণাধীন টয়লেটের ভেতর থেকে পচা গন্ধ পান স্থানীয়রা। তাঁরা এগিয়ে গিয়ে শফিকুলের লাশ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। তাঁর শরীর পচে গন্ধ বের হয়ে গেছে। স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, শফিকুল ইসলাম মাদকাসক্ত ছিল। মাদকাসক্তির কারণে আট বছরের মেয়েসন্তানকে রেখে কিছুদিন আগে স্ত্রী বিয়ে করেছেন। নিহতের ভাই জাকির হোসেন বলেন, ওই গ্রামের সোহেল হোসেন নামের এক মাদক কারবারীর সঙ্গে শফিকুল ইসলামের নিখোঁজের কয়েক দিন আগে মাদক ক্রয়-বিক্রয় নিয়ে মারামারি হয়। এই সোহেলই আমার ভাইকে মেরে রেখে গেছেন। আমি ভাই হত্যার বিচার চাই। বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন না থাকায় তাঁর ভাই বাদী হয়ে মামলা করেছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নাটোরে স্বামীকে গলা কেটে হত্যা, স্ত্রী আটক
নাটোরের সদরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বৃদ্ধ স্বামীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রী রতেযান বেগমের (৬৫) বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৬ মে) দুপুরে উপজেলার কাফুরিয়া ইউনিয়নের চৌগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধ মানু সরকার (৭০) ওই গ্রামের মৃত জিয়ারত সরকারের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এই বৃদ্ধ দম্পতির মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল। দুপুরে কথা-কাটাকাটির পর মান্নান সরকার মাঠে কাজ করতে যান। কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে বিশ্রাম নেওয়ার সময় স্ত্রী হাসুয়া দিয়ে তার গলায় আঘাত করেন। এতে শ্বাসনালী কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে ঘটনাস্থলেই মানু সরকারের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে নাটোর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় অভিযুক্ত স্ত্রী রতেযান বেগমকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান ঢাকা পোস্টকে জানান, পারিবারিক কলহের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযুক্ত নারী আমাদের হেফাজতে রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান আছে। আশিকুর রহমান/এসএইচএ
নাটোরে বালতির আঘাতে শাশুড়িকে হত্যা পুত্রবধূর
পরকীয়ার জের নাটোরে বালতির আঘাতে শাশুড়িকে হত্যা পুত্রবধূর Advertisement নাটোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নাটোর সদর উপজেলায় পরকীয়ার জেরে বালতির আঘাতে শাশুড়ি সাহারা বেগমকে (৬০) হত্যার অভিযোগ উঠেছে পুত্রবধূ লাইলী বেগমের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে লাইলী বেগম পলাতক। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বড়হরিশপুর ইউনিয়নের চেয়াম্যানপাড়া মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সাহারা বেগম ওই এলাকার মৃত মুনসুর আলীর স্ত্রী। এ ঘটনায় রাতেই থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন নিহত সাহারা বেগমের ছেলে সাইফুল ইসলাম। নিহতের মেয়ে ফাতেমা বেগম জানান, আমার ভাই সাইফুল ইসলাম বিদেশ যাওয়ার পর থেকেই তার স্ত্রী লাইলী বেগম পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। আমার মা শাহারা বেগম ঘটনাটি জানতে পারেন। তারপর থেকেই মাকে নানাভাবে শারীরিক নির্যাতন করত লাইলী। বিষয়টি সাইফুল ইসলাম জানার এক বছর পর বিদেশ থেকে বাড়িতে চলে আসে। বিষয়টি নিয়ে মাঝে মধ্যেই পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। মঙ্গলবার বিকালে সাইফুল, তার স্ত্রী লাইলী বেগম ও মা সাহারা বেগমের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে সাইফুল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এ সময় লাইলী ক্ষিপ্ত হয়ে পাশে থাকা বালতি দিয়ে সাহারা বেগমের মাথায় আঘাত করলে তিনি জ্ঞান হারান। পরে স্বজনরা নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে নিয়ে যান। রাতে অবস্থার অবনতি হলে আবার একই হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নাটোরে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে রোগীর মাকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা, তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মী গ্রেপ্তার
নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক শিশুর মাকে (১৮) ধর্ষণের অভিযোগে হাসপাতালের তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে (আউটসোর্সিং) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন অমিত (২৩), অনিল (২৪) ও প্রাঙ্গণ (২৩)। তাঁরা নাটোর শহরের আলাইপুর সুইপার কলোনির বাসিন্দা। সদর থানা ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নাটোর পৌর এলাকার এক নারী তাঁর দুই বছর বয়সী অসুস্থ মেয়েকে চিকিৎসার জন্য ৫ জুন সন্ধ্যায় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। গত রোববার রাত ১১টার দিকে অমিত শিশুটির মাকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে লিফটে নিয়ে যান। পরে ওই নারী ধর্ষণের শিকার হন। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন অনিল ও প্রাঙ্গণ। ওই ভিডিও দেখিয়ে ভুক্তভোগী নারীকে অনিল ও প্রাঙ্গণ চাপ দেন। অসুস্থ শিশুটি মাকে না পেয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। দায়িত্বপ্রাপ্ত নার্স ও ওয়ার্ডবয়রা আনসার সদস্যদের নিয়ে ভুক্তভোগী নারীর সন্ধান করতে থাকেন। একপর্যায়ে সিসিটিভির ফুটেজ দেখে ওই নারীকে তাঁরা উদ্ধার করেন। ভুক্তভোগী নারী তাঁদের ঘটনার বিস্তারিত জানান। অভিযোগ আছে, এ সময় আনসার সদস্যরা হাসপাতালের কর্মীদের পরামর্শে অভিযুক্ত তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে ছেড়ে দেন। ভুক্তভোগী নারীও এ ঘটনায় মামলা করতে উৎসাহ দেখাননি। গতকাল সোমবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ তৎপর হয় এবং অভিযুক্ত তিন পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে আটক করে। আজ ভুক্তভোগী নারীর বাবা বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় আটক ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। তবে ওই হাসপাতালের আনসার সদস্য আল আমিন বলেন, তাঁরা নার্সদের কাছে ঘটনা শুনে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেন এবং অভিযুক্তদের আটক করেন। তবে পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা কীভাবে ছাড়া পেয়েছেন, তা তিনি জানেন না। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহাবুবুর রহমান বলেন, অসুস্থ শিশুটির কান্নাকাটি শুনে কর্মীরা তাৎক্ষণিক ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করেন। পরে পুলিশকে তাঁরা সব রকম সহযোগিতা করেছেন। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনসুর রহমান বলেন,এ ঘটনায় ধর্ষণ ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষাসহ অন্যান্য আইনি কার্যক্রম চলছে।
