পবিপ্রবিতে শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান কর্মসূচি
Why this classification
The article reports a concrete physical attack on 11 May 2026 by local Jubo Dal activists at PSTU in Patuakhali, which injured several teachers and officers. The main body of the article covers the follow-up sit-in protest, but the attack itself is described with a date, place, perpetrators and injuries, so it is treated as a single real incident within the 14-day window.
Killed
0
Injured
20
Summary
গত ১১ মে উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের একপর্যায়ে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের হামলায় কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা আহত হন বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে ও হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে ১৩ মে থেকে ক্যাম্পাসে অবস্থান কর্মসূচি চলছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
80% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 20
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: University Teachers and Officers
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 11/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পবিপ্রবিতে শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান কর্মসূচি
পবিপ্রবিতে শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান কর্মসূচি দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। পবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬ | ২০:০৮ | আপডেট: ১৪ মে ২০২৬ | ১৭:৩৩ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে ক্যাম্পাসে। হামলার প্রতিবাদ এবং জড়িতদের বিচারের দাবিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন আন্দোলনকারীরা। বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বক্তারা শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দ্রুত দোষীদের শনাক্ত করে শাস্তির দাবি জানান। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষতি কমিয়ে আনতে অবস্থান কর্মসূচির পর ডিন কাউন্সিলের জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আগামী ১৭ মে থেকে পূর্বঘোষিত রুটিন অনুযায়ী সব সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত নিয়মিত ক্লাস, ক্লাস টেস্টসহ সব ধরনের একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ মে উপাচার্যের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাঁকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের একাংশ। আন্দোলনের একপর্যায়ে স্থানীয় যুবদলের নেতাকর্মীদের হামলায় কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তা আহত হন বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর থেকেই পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ‘শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।’
পবিপ্রবিতে বহিষ্কৃত যুবদল নেতার নেতৃত্বে হামলা
পবিপ্রবিতে বহিষ্কৃত যুবদল নেতার নেতৃত্বে হামলা আহত ২০ Advertisement দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রিপন শরীফের নেতৃত্বে সোমবার পটুয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর হামলা -যুগান্তর পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য অপসারণের দাবিতে চলা অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর আকস্মিক হামলা চালিয়েছে উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য-সচিবের নেতৃত্বে বহিরাগতরা। এতে বিএনপিপন্থি ৮ জন শিক্ষকসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনার ভিডিও করায় এক সাংবাদিককেও লাঞ্ছিত করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষকদের পেটানোর পর তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নামে স্লোগান দিতে থাকেন। আহতদের মধ্যে আটজনকে তাৎক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে নেওয়া হয়। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবিএম সাইফুল ইসলাম, হর্টিকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল মালেক, ডিন কাউন্সিলের আহ্বায়ক ও কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান, কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. নিজাম উদ্দীন, ড. মো. শহিদুল ইসলাম, ড. ননী গোপাল, ড.রিপন চন্দ্র পাল, পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) মো. জসিম উদ্দিন, কর্মকর্তা ড. হাসিব মোহাম্মদ তুষার, আরিফুর রহমান নোমান ও নাসরিন আক্তারসহ ২০ জন। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি শিক্ষক, কর্মকর্তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা উপাচার্যের অপসারণ দাবি জানান। এ সময় উপাচার্যের সমর্থনে দুমকি উপজেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য সচিব রিপন শরিফের নেতৃত্বে অর্ধ-শতাধিক বহিরাগত ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে কর্মসূচিতে বাধা দেয়। আন্দোলনকারীদের দাবি, বহিষ্কৃত উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রিপন শরীফের নেতৃত্বে আসা বহিরাগতরা শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় শিক্ষকদের চেয়ার দিয়ে পেটানো হয়। ঘটনার পর পুরো ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে শিক্ষকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। পরে বিকাল চারটায় শিক্ষক কর্মকর্তাদের এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনায় বিচার না হওয়া পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এছাড়া আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণাও দেন শিক্ষক নেতারা। ঘটনার পর ক্যাম্পাসে অবস্থানরত অভিযুক্ত বহিষ্কৃত যুবদল নেতা সালাউদ্দিন রিপন শরীফ সাংবাদিকদের বলেন, আমরা শুনেছি যে, আওয়ামী লীগের দোসরেরা উপাচার্য সাহেবকে এখানে আসতে দিচ্ছে না। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তি, শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমরা এখানে এসেছি। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে। তারা মব সৃষ্টিকারী। এদিকে হামলায় আহত বিশ্ববিদ্যালয়টির ডিন কাউন্সিলের কনভেনার ও কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এটি শিক্ষক-কর্মকর্তাদের ওপর নজিরবিহীন হামলা। তিনি অভিযোগ করে বলেন, জামায়াতপন্থি উপাচার্য এই হামলা করিয়েছেন। উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, হামলার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন, ক্যাম্পাসে ফিরে এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন। বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের চারজন বহিষ্কার : পবিপ্রবি শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের চার নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সোমবার বিকাল ও সন্ধ্যায় পৃথক চিঠি ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। বহিষ্কৃত নেতারা হলেন-দুমকী উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, সন্ত্রাস, হামলা ও দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে বশির উদ্দিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টায় কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আহসান ফারুক ও সুলতান শওকতকে দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়। সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. ওসমান গণির স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মুসা ফরাজীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
