কাঁচা ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

AI-classifiedconfidence 93%

Why this classification

This is a single, specific incident from Friday 27 March 2026 in Doarabazar, Sunamganj, where a dispute over cutting paddy escalated into a group clash. One man, Billal Hossain, died from his injuries and at least 10 people were hurt, so it qualifies as a deadly physical clash.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
27/03/26•Dewannagar village, Doholia Union, Doarabazar Upazila

Killed

1

Injured

15

Summary

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের দেওয়াননগর গ্রামে ২৭ মার্চ ২০২৬ (শুক্রবার) বিকালে কাঁচা ধান কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে বিল্লাল হোসেন (৪৭) নিহত এবং উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। গুরুতর আহত বিল্লালকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা যান।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

93% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Billal Hossain (47, killed, son of late Abdul Gafur)Mosharrab Ali (rival party from same village)Doarabazar Thana OC Tariqul Islam Talukder

Tags

Land DisputeMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 15

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 31/03/26open original ↗

পৃথক সংঘর্ষে নিহত এক আহত ৬৫, মামলা

পৃথক সংঘর্ষে নিহত এক আহত ৬৫, মামলা হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় দোকান বাকির পাওনা টাকা নিয়ে সৃষ্ট দ্বন্দ্ব একপর্যায়ে সোমবার গ্রামের দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের রূপ নেয় সমকাল হবিগঞ্জ ও ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ মার্চ ২০২৬ | ০৮:১০ | প্রিন্ট সংস্করণ হবিগঞ্জের লাখাই ও সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় পৃথক তিন সংঘর্ষের ঘটনায় একজন নিহত এবং অন্তত ৬৫ জন আহত হয়েছে।  এর মাঝে দোয়ারাবাজারে নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। রোববার ও সোমবার লাখাইয়ে ঘটে দুটি সংঘর্ষের ঘটনা। দোকান বাকি নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৩০ হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় দোকান বাকির পাওনা টাকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী-পুরুষসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। সোমবার দুপুরে উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের সুনেশ্বর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহতদের উদ্ধার করে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের জালাল মিয়ার দোকান থেকে রসম আলী বাকিতে মালপত্র ক্রয় করেন। পরে দোকানদার পাওনা টাকা চাইলে তাদের দুজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিষয়টি উভয়পক্ষের স্বজন ও সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হন। খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। দোকানদার জালাল মিয়া দাবি করেন, রসম আলীর কাছে ১৮৫ টাকা পাওনা রয়েছে তাঁর। দোকান বাকির টাকা চাইতে গেলে তিনি উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। পরে তাদের মধ্যে হাতাহাতি ও  সংঘর্ষ হয়। ক্রেতা রসম আলী জানান, তাঁর মাত্র ৩০ টাকা দেনা আছে। কিন্তু দোকানদার তাঁর কাছে আরও অতিরিক্ত টাকা দাবি করায় বাগ্বিতণ্ডার সূত্রপাত হয়।  এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল হক মুন্সী জানান, দোকানের পাওনা টাকা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোববার উপজেলার মশাদিয়া গ্রামের সবুজ মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের ইমন মিয়ার বাগ্বিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে দুপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে স্থানীয় মশাদিয়া খেলার মাঠে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে সবুজ মিয়া, সাইফুল মিয়া, ইমন মিয়া, লোকমান মিয়া, সালমান মিয়া ও বাবুল মিয়াকে লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক সমকাল প্রতিবেদককে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উভয় পক্ষকে শান্তি বজায় রাখতে বলা হয়েছে। এদিকে সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় বিল্লাল মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহতের ঘটোনায় থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। ধানের চারা কাটা নিয়ে স্থানীয় দুপক্ষের সংঘর্ষের সময় নিহত হন উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের দেওয়াননগর গ্রামের বাসিন্দা বিল্লাল। এ ঘটনায় নিহতের ভাই কামাল মিয়া বাদী হয়ে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। তবে এখন পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।      জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে নিহত বিল্লাল হোসেনের সঙ্গে তাঁর প্রতিবেশী মছরব আলীর ধানের চারা কাটা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তা গোষ্ঠীগত সংঘাতে রূপ নেয়। এর জের ধরে বিকেলে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।  এ সময় বিল্লাল মিয়াসহ অন্তত ১৫ জন আহত হন। গুরুতর আহত বিল্লালকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দিবাগত রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলা তদন্তাধীন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।    - বিষয় : - নিহত

Source 2: Jugantor · 28/03/26open original ↗

কাঁচা ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০

কাঁচা ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১০ Advertisement দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩০ পিএম সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে কাঁচা ধান কাটাকে কেন্দ্র করে চলা সংঘর্ষে বিল্লাল মিয়া (৪৭) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকালে উপজেলার দোহালিয়া ইউনিয়নের দেওয়াননগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বিল্লাল হোসেন ওই গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের পুত্র। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত বিল্লাল হোসেন এবং প্রতিপক্ষ মছরব আলী উভয়েই একই গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার বিকালে কাঁচা ধান কাটাকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা গোষ্ঠীগত সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় দুইপক্ষের তুমুল সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন বিল্লাল হোসেন। আহত অবস্থায় তাকে দ্রুত সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাত দেড়টার দিকে তিনি মারা যান। বাকি আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এ ঘটনায় এখনও কেউ অভিযোগ করেনি।