প্রেমের প্রতিশ্রুতির ফাঁদে চার বছর, অনশনে গেলে বিধবাকে লাঞ্ছনা
Why this classification
This is a specific, recent incident on 23 March 2026 in which a widow was allegedly beaten by the mother, sister and another female relative of a man at his home in Faridganj, Chandpur, and fainted as a result. The main content is the physical assault itself, not commentary on an earlier event, although the accused's family denies the allegations.
Killed
0
Injured
1
Summary
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের রূপসা উত্তর ইউনিয়নে ২০২৬ সালের ২৩ মার্চ (সোমবার) সকালে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসা এক বিধবা নারীকে অভিযুক্ত যুবক শরীফের মা, বোন ও পরিবারের এক নারী মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, যাতে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। অভিযুক্তের মা এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং পুলিশ ২৫ মার্চ থানায় বসে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
75% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
প্রেমের প্রতিশ্রুতির ফাঁদে চার বছর, অনশনে গেলে বিধবাকে লাঞ্ছনা
প্রেমের প্রতিশ্রুতির ফাঁদে চার বছর, অনশনে গেলে বিধবাকে লাঞ্ছনা Advertisement ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৩ পিএম চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নে প্রেমের প্রতিশ্রুতির ফাঁদে চার বছর পার করার পর বিয়ের দাবিতে এক বিধবা নারীর অনশনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, অনশনরত ওই নারীকে মারধর ও লাঞ্ছিত করেছেন অভিযুক্ত যুবকের পরিবারের সদস্যরা। উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের হাজী বাড়ির শরীফের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন ওই বিধবা নারী। অনশনকারী নারী জানান, স্বামীর মৃত্যুর পর শরীফ তার সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে এবং একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় চার বছর ধরে চলা এই সম্পর্কে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে শরীফ তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। লাকির দাবি, বিদেশে যাওয়ার আগে শরীফ তার কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নেন, যা তিনি নিজের গহনা বিক্রি করে জোগাড় করেছিলেন। বিদেশে থাকাকালেও শরীফ নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন এবং দেশে ফিরে তাকে ও তার দু সন্তানকে মেনে নিয়ে বিয়ে করবেন বলে আশ্বাস দেন। সম্প্রতি দেশে ফিরে শরীফ তাকে বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে নিয়ে গেলেও হঠাৎ করে অন্যত্র বিয়ের চেষ্টা শুরু করেন বলে অভিযোগ ওই নারীর। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও শরীফ কোনো উদ্যোগ নেননি। এরই প্রেক্ষিতে সোমবার (২৩ মার্চ) সকালে শরীফের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশনে বসেন ওই নারী। তবে অভিযোগ উঠেছে, এ সময় শরীফের মা, বোন ও পরিবারের অপর এক নারী তাকে মারধর করেন। নির্যাতনের এক পর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শরীফের মা। তিনি বলেন, আমার ছেলে বিয়ে করলে করুক, এতে আমাদের কিছু বলার নেই। আমার স্বামীর সম্পত্তি আমার নামে, তাই আমার ঘরে কাউকে উঠতে দেব না। স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তফা জানান, কয়েকদিন আগে বিষয়টি নিয়ে উভয়পক্ষকে নিয়ে বসা হয়েছিল এবং ঈদের পর সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন শরীফ। কিন্তু পরে তিনি আর যোগাযোগ করেননি। এদিকে স্থানীয়দের দাবি, এটি শুধুমাত্র পারিবারিক মীমাংসার বিষয় নয়, বরং এতে প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে, যা আইনি তদন্তের দাবি রাখে। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ফরিদগঞ্জ থানার এএসআই রাশেদ মিত্র জানান, থানার ওসির সঙ্গে আলোচনা করে আগামী ২৫ মার্চ থানায় বসে বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এবং আপাতত অভিযোগকারী নারীকে তার বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।
