সাজেকে দ্বিতীয় দফায় অবরোধ চলছে, সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ
Why this classification
প্রবন্ধে বৃহস্পতিবার (২০২৬-১০-১৩) গঙ্গারাম সেতুতে গাছের গুঁড়ি ও টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যা আর্থিক ক্ষতি ও সড়ক বন্ধের মাধ্যমে হিংসাত্মক কাজের অন্তর্ভুক্ত; কোনো আহত বা নিহতের উল্লেখ নেই, তবে এটি স্পষ্টভাবে হিংসা ঘটনারূপে বিবেচিত।
Killed
0
Injured
0
Summary
সাজেকের গঙ্গারাম সেতু ও আশেপাশের সড়কে গাছের গুঁড়ি ও টায়ার জ্বালিয়ে কয়েকজন গ্রামবাসী অবরোধ চালু করেছে, ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ। কোনো আহত বা নিহতের খবর নেই।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
সাজেকে আবারও সড়ক অবরোধ, আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ
সাজেকে আবারও সড়ক অবরোধ, আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ ছবি- সমকাল রাঙামাটি অফিস প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:৩৭ | আপডেট: ১৫ অক্টোবর ২০২৬ | ১৭:৫৮ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিন দফা দাবি পূরণ না হওয়া এবং প্রশাসনের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে বৃহস্পতিবার থেকে সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ শুরু করেছে সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কারবারী অ্যাসোসিয়েশন। প্রথম দিন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সাজেক সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন অবরোধকারীরা। এতে ওই পথে কোনো যানবাহন চলাচল করেনি। সকালে সড়কে অবরোধকারীদের পিকেটিং করতে দেখা গেলেও দুপুরের পর তাদের আর দেখা যায়নি। দিনভর অবরোধ চললেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, জেএসএসের সন্তু লারমা গ্রুপের সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়াসহ তিন দফা দাবিতে গত ১১ অক্টোবর সাজেক পর্যটন সড়কে অবরোধ কর্মসূচি পালন করে সংগঠন দুটি। পরে প্রশাসন দাবিগুলো পূরণের আশ্বাস দিলে ৪৮ ঘণ্টার জন্য কর্মসূচি স্থগিত করেন অবরোধকারীরা। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হওয়ায় বৃহস্পতিবার থেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দেওয়া হয়। সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সকালে সড়কে কিছুসংখ্যক অবরোধকারীকে দেখা গেছে। অবরোধ চলাকালে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। সাজেক এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
সাজেকে দ্বিতীয় দফায় অবরোধ চলছে, সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ
রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকের উজুবাজারের গঙ্গারাম সেতুতে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন অবরোধের সমর্থক কয়েকজন গ্রামবাসীছবি: সংগৃহীত রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে দুটি আঞ্চলিক সংগঠনের ডাকা দ্বিতীয় দফায় সড়ক অবরোধ চলছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ছয়টা থেকে ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন’ নামের দুটি সংগঠনের আহ্বানে এ কর্মসূচি শুরু হয়। অবরোধকারীরা সড়কে টায়ার ও গাছের গুঁড়িতে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঘাইহাট ১০ নম্বর, গঙ্গারাম সেতু ও মাচলঙ ১৪ কিলোসহ কয়েকটি স্থানে সড়ক অবরোধ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সাজেক পর্যটন সড়কে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাজেকগামী মানুষ ও সাজেকে থেকে ফেরার পথে থাকা পর্যটক এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন পূজার ছুটিতে সাজেক কি খুলবে, যা জানা গেল ১৪ অক্টোবর ২০২৬ অবরোধকারীরা তিন দাবিতে কর্মসূচি পালন করছেন। এর মধ্যে রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (সন্তু লারমা) সশস্ত্র সদস্যদের এলাকা থেকে সরিয়ে নেওয়া। গত ১১ অক্টোবর একই দাবিতে সাজেক পর্যটন সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধের ডাক দেওয়া হয়েছিল। ওই দিন বিকেলে প্রশাসনের আশ্বাসে তাঁরা ৪৮ ঘণ্টার জন্য কর্মসূচি স্থগিত করেছিলেন। তবে গতকাল বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে দ্বিতীয় দফার অবরোধের ঘোষণা দেন সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা ও সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নতুন জয় চাকমা। বিবৃতিতে তাঁরা অভিযোগ করেন, সাজেক এলাকায় সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করেছে আঞ্চলিক দল জেএসএস (সন্তু লারমা)। দলটি স্থানীয় জনসাধারণকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সমাবেশ করে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। তবু ব্যবস্থা না নেওয়ায় সড়ক অবরোধ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। আরও পড়ুন সাজেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সড়ক অবরোধ শুরু, পর্যটকদের কী হবে ১১ অক্টোবর ২০২৬ তবে জেএসএসের দাবি, স্থানীয় জনসাধারণকে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানোর দাবি ভিত্তিহীন। ইউপিডিএফের চাপে এই সড়ক অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগঠন দুটি। জেএসএসের প্রচার সম্পাদক সজীব চাকমা প্রথম আলোকে বলেন, সাজেকে নিরীহ জনগণের ওপর দীর্ঘদিন ধরে ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যদের যে নিপীড়ন ও হয়রানি চলছে, সেসব আড়াল করতেই এমন অভিযোগ তোলা হচ্ছে। অবরোধের কারণে গত রোববার পর্যটকবাহী যান সাজেক এলাকায় আটকা ছিল। এরপর ওই দিন সন্ধ্যায় নিরাপত্তার কারণে সাজেক সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। জানতে চাইলে সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, সাজেকের সড়কে বর্তমানে কোনো যানবাহন চলাচল করছে না। অবরোধকারীরা বিভিন্ন স্থানে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। তবে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পর্যটনঅবরোধপার্বত্য চট্টগ্রামচট্টগ্রাম বিভাগরাঙামাটি
