বনায়নের গাছ বিক্রি করলেন আ.লীগ নেতা
Why this classification
ঘটনাটি রাজনৈতিক সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে কারণ অভিযুক্ত ব্যক্তি আওয়ামী লীগ নেতা এবং তিনি ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পত্তি (গাছ) কেটে বিক্রি করেছেন। এটি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সংঘটিত একটি কাজ, যা রাজনৈতিক সহিংসতার আওতায় পড়ে।
Killed
0
Injured
0
Summary
বরিশালের বাবুগঞ্জে দেহেরগতি ইউনিয়নে সামাজিক বনায়নের ৩২টি মেহগনি গাছ কেটে গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে আ.লীগ নেতা রনি মোল্লার বিরুদ্ধে। ২৫ জুন রাকুদিয়া মোল্লা বাড়ির সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বনায়নের গাছ বিক্রি করলেন আ.লীগ নেতা
বনায়নের গাছ বিক্রি করলেন আ.লীগ নেতা Advertisement বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম বাবুগঞ্জের দেহেরগতি ইউনিয়নে সামাজিক বনায়নের ৩২টি মেহগনি গাছ কেটে গোপনে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে রনি মোল্লা নামে এক আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১০ লাখ টাকা। ২৫ জুন রাকুদিয়া মোল্লা বাড়ির সড়কে এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, ১৯৯৮ সালে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকার সমন্বয়কারী আব্দুর রহিমের তত্ত্বাবধানে রাকুদিয়া ডাকঘর থেকে মোল্লাবাড়ি ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সামাজিক বনায়নের অংশ হিসেবে বৃক্ষরোপণ করা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, গাছের মালিকানার ৭০ শতাংশ জীবনতরী মহিলা সমিতির সদস্যদের, ১৫ শতাংশ ইউনিয়ন পরিষদের। অবশষ্টি ১৫ শতাংশ প্রশিকার। সুবিধাভোগীরা জানান, প্রায় ২৮ বছর ধরে নিজেদের অর্থ ব্যয় করে তারা গাছগুলোর পরিচর্যা করেছেন। ইউনিয়ন পরিষদ এবং আমাদের না জানিয়ে রনি মোল্লা ক্ষমতার দাপটে গাছগুলি কেটে বিক্রি করেছে। রনি মোল্লা বলেন, সুবিধাভোগীদের অনুমতি নিয়েই গাছ কাটা ও বিক্রি করা হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, কেউ আমার কাছে গাছ কাটার অনুমতি নেয়নি। আমি কাউকে গাছ কাটার অনুমতি দেয়নি। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।
