বিয়ে বাড়িতে খাবার টেবিলে বসা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৮

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single, recent physical clash in Lakshmipur on 25 April 2026, in which families of the bride and groom fought with sticks and a microbus was vandalised. At least 8 people were injured and no deaths were reported.

Reported by:Dhaka PostSingle source
25/04/26•টুমচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মো. হারুনের বাড়ি (বড় বাড়ির পাশে), সদর উপজেলা

Killed

0

Injured

8

Summary

শনিবার (২৫ এপ্রিল ২০২৬) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নে খাবারের টেবিলে বসা নিয়ে বর ও কনে পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, যাতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন। বরপক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে কনেপক্ষের ওপর হামলা চালায় এবং একটি মাইক্রোবাস ভাঙচুর করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

বরপক্ষের লোকজন (groom's family side)কনেপক্ষের লোকজন (bride's family side)সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (SI) মো. শাহিনসদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জয়দেব নন্দীভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. শাহ আলম

Affected infrastructure

মাইক্রোবাস (microbus)

Tags

Family FeudClash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 8

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 25/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 25/04/26open original ↗

বিয়ে বাড়িতে খাবার টেবিলে বসা নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৮

লক্ষ্মীপুরে বিয়ে বাড়িতে খাওয়ার টেবিলে বসা নিয়ে বর পক্ষের সঙ্গে কনে পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বড় বাড়ির পাশে মো. হারুনের বাড়িত এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- ইব্রাহিম খলিল, মো. অনিক, মেহেদী হাসান আনন্দ, মো. রানা, মো. ইয়ামিন, মো. সামজিদ ও মো. শা আলমসহ অন্তত ৮ জন। তারা লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) হারুনের ছেলে ফারুক হোসেনের সঙ্গে ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আনোয়ার হোসেনের মেয়ে ছামিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। শনিবার বরপক্ষের বাড়িতে খাবারের আয়োজন ছিল। কনেপক্ষের লোকজন দুপুরে বরের বাড়িতে আসে। এ সময় খাবার টেবিলে বসার ব্যবস্থা নিয়ে দুই পক্ষের সঙ্গে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এর জের ধরেই তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কনেপক্ষের লোকজন অভিযোগ করেন, খেতে বসার সময় বরপক্ষের কিছু লোক চেয়ার ধরে দাঁড়িয়ে থাকেন। এতে কনেপক্ষের লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা কি আল্লাহর ওছিলায় খেতে আসছি? এ কথাকে কেন্দ্র করে প্রথমে হাতাহাতি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে। পরে তাদের (বরপক্ষ) লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে কনেপক্ষের ওপর হামলা চালায়। এ সময় মাইক্রোবাসও ভাঙচুর করা হয়। ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. শাহ আলম বলেন, খাওয়ার টেবিলে বসতে গেলে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যেই মারামারি শুরু হয়। তবে, এ ব্যাপারে বরপক্ষের কেউই কোনো কথা বলতে রাজি হননি। এজন্য তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. জয়দেব নন্দী জানান, আহত অবস্থায় ৬ জন চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শাহিন বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতাল ও পরে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। দুই পক্ষের সঙ্গেই কথা বলেছি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাসান মাহমুদ শাকিল/এসএইচএ