রক্তমাখা চিরকুটে ‘রঘু ডাকাতের’ হুমকি, আতঙ্কে গরুর খামারিরা
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Sirajganj. Parties reported: Roghu Dakat Gang, Villagers. Reported casualties: 0 killed and 2 injured. Reported by 1 source.
Killed
0
Injured
2
Summary
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার টেকুয়াপাড়া গ্রামে গত পাঁচ দিনে অন্তত ১৫টি বাড়িতে রক্তমাখা চিরকুটের মাধ্যমে ডাকাতির হুমকি দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের ১২ মে এক বাড়িতে চেতনানাশক স্প্রে করে ডাকাতি করা হয় এবং ১৪ মে গরু চুরির চেষ্টার ঘটনা ঘটে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 12/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রক্তমাখা চিরকুটে ‘রঘু ডাকাতের’ হুমকি, আতঙ্কে গরুর খামারিরা
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার একটি গ্রামে গরুর খামারিদের বাড়িতে রক্তমাখা চিরকুট পাঠিয়ে ডাকাতেরা হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। চিরকুটে রাতে ঘরের দরজা খোলা না রাখলে জিন্দা খালাসের হুমকি দেওয়া হয়েছে। হুমকিদাতা হিসেবে চিরকুটে ‘রঘু ডাকাত’ নাম লেখা আছে। গত পাঁচ দিনে শাহজাদপুর উপজেলার গাড়াদহ ইউনিয়নের টেকুয়াপাড়া গ্রামের ঈমান আলী, বাবর আলী মেম্বার, আব্দুল হামিদ, আব্দুল খালেক ফকির, বাবলু ফকির, শাহীন ফকির, ইসমাইল ফকির, জলিল মণ্ডল, শাহ আলমসহ অন্তত ১৫টি বাড়িতে হুমকির চিরকুট পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এই ঘটনায় পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এমন ৯টি চিরকুট আজকের পত্রিকার হাতে এসেছে। রক্তমাখা একটি চিরকুট। ছবি: আজকের পত্রিকাচিরকুটের একটিতে লেখা রয়েছে, ‘কালকে আপনাদের বাড়িতে ডাকাতি করতে আসব, তাই দরজা খোলা রাখবেন। না খুলে রাখলে জিন্দা খালাস...ইতি রঘু ডাকাত।’ আরেকটি রক্তমাখা চিরকুটে লেখা হয়, ‘আপনার মেয়ের জন্য আজকে বেঁচে গেলেন, ভাইবেন না আবার বাঁচবেন। এই বছরের প্রথমবারের মিছ হলো ঐ ম্যাডামের জন্য। দেখে লেবো, মেয়ে মানুষের এত সাহস ভালো না। কালকে রাতে বাঁচতে চাইলে দরজা খোলা রাখবেন। না রাখলে জিন্দা লাশ বানিয়ে দেবো। ইতি রঘু ডাকাত। কোড নং-০৬।’ গ্রামের গরুর খামারি হাজী রফিকুল ইসলাম, শাহাদৎ হোসেন, আজাদুল ইসলাম ও সানোয়ার হোসেন জানান, গত চার-পাঁচ দিনে ‘রঘু ডাকাত’ পরিচয় দিয়ে চিরকুট পাঠিয়েছে। এতে পরিবার নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের। ভুক্তভোগী আমজাদ হোসেন বলেন, গত মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজ শেষে বাড়িতে ফিরে তিনি দেখেন, তাঁর স্ত্রী সারা খাতুন অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে আছেন। ঘরে ঢুকতেই তাঁর নাকেও স্প্রের গন্ধ আসে এবং তিনিও অচেতন হয়ে পড়েন। পরে গভীর রাতে জেগে উঠে দেখেন, শোকেজের লকার ভেঙে ১ লাখ টাকা, ১২ ভরি স্বর্ণালংকার ও ৫ ভরি রুপার গয়নাসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালপত্র লুট হয়েছে। গ্রামবাসী জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে গ্রামের ক্লাবঘরে জরুরি বৈঠক চলার সময় দুর্বৃত্তরা আবু সাঈদের বাড়ি থেকে দুটি গরু লুট করে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় আবু সাঈদের মেয়ে ও প্রাইভেট শিক্ষক বিথী খাতুন বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে বৈঠকে থাকা লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পরে দুর্বৃত্তরা গরু ফেলে পালিয়ে যায়। ওই রাতেই বিথী খাতুনকে উদ্দেশ করে আরেকটি রক্তমাখা চিরকুট রেখে যায় তারা। সকালে চিরকুট দেখে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। টেকুয়াপাড়া মিলন সংঘের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন বলেন, গত চার দিনে অন্তত ১৫ জনের বাড়িতে এ ধরনের চিরকুট পাঠানো হয়েছে। চিরকুট পাওয়ার পর থেকে ক্লাবের সদস্যরা রাত জেগে গ্রাম পাহারা দিচ্ছেন। এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ডাকাতির বিষয়ে বাড়ি বাড়ি চিরকুট দেওয়ার বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। আপনাদের (গণমাধ্যমকর্মী) মাধ্যমেই আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি। ইতিমধ্যে একটি টিম আমি ওই গ্রামে পাঠিয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।’
