আবারও বেপরোয়া কাইল্লা ফারুক

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A named extortionist, Kaila Faruk, went to a courier company's office on Wednesday night (17 June 2026), damaged several of its vehicles, and took money after the company refused his demand. This is a concrete, recent act of vandalism and robbery, so it counts as violence.

Reported by:JugantorSingle source
17/06/26•ঘাটারচর, কেরানীগঞ্জ

Killed

0

Injured

0

Summary

কুখ্যাত চাঁদাবাজ কাইল্লা ফারুক ২০২৬ সালের ১৭ জুন (বুধবার) রাতে কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে গিয়ে চাঁদা দাবি করে। প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে প্রতিষ্ঠানটির একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করে এবং টাকা ছিনিয়ে নেয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

কাইল্লা ফারুক

Affected infrastructure

গাড়িস্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের অফিস

Tags

ExtortionRobbery

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 20/06/26open original ↗

আবারও বেপরোয়া কাইল্লা ফারুক

ফাইল ছবি। রাজধানীর মোহাম্মদপুর ও আশপাশের এলাকার ত্রাস ফারুক ওরফে ‘কাইল্লা ফারুক’। এক সময়ের সাধারণ ভেকু ও পিকআপচালক এই ব্যক্তি ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর হয়ে ওঠেন দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী ও শীর্ষ চাঁদাবাজ। নির্মাণাধীন ভবন বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে চাঁদা না পেলেই প্রকাশ্যে হামলা, কুপিয়ে জখম ও মালামাল লুট করা তার গ্যাংয়ের নিত্যনৈমিত্তিক কাজ। বসিলা, সিটি হাউজিং ও গ্রীনভিউ হাউজিং এলাকার মানুষ তার ভয়ে তটস্থ থাকেন। তিনবার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হলেও সাক্ষীর অভাব ও আইনি দুর্বলতায় প্রতিবারই জামিনে বেরিয়ে ফের বেপরোয়া হয়ে ওঠে বহিষ্কৃত এই শ্রমিক দল নেতা। সবশেষ একটি কুরিয়ার সার্ভিসে হামলার ঘটনায় তাকে ধরতে আবারও মাঠে নেমেছে পুলিশ। ফারুক প্রথমবার গ্রেফতার হয় টায়ার লুট করে। চাঁদা চেয়ে না পেয়ে মোহাম্মদপুর সিটি হাউজিংয়ে এক ব্যক্তির গোডাউন থেকে দিন-দুপুরে প্রকাশ্যে পিকআপে অনেক টায়ার লুট করে। পরে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ কেরানীগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতার করে। জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের চাঁদাবাজি শুরু করে। এবার তাকে আটক করে পুলিশে দেয় সেনাবাহিনী। কিন্তু আবারও সে ছাড়া পেয়ে যায়। ফারুক তৃতীয়বার গ্রেফতার হয় শাহীন নামে একজনের গ্যাসের দোকানে চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে। এরপর সম্প্রতি জামিনে বের হয়ে আবারও সন্ত্রাসী কার্যকলাপে জড়িয়ে পড়ে। তার বিরুদ্ধে আরও অনেক অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু সাহস করে মামলা করেন না অনেক ভুক্তভোগী। পুলিশ জানায়, ২২ ফেব্রুয়ারি চাঁদাবাজির মামলায় কেরানীগঞ্জের কলাতিয়ায় অভিযান চালিয়ে ফারুককে গ্রেফতার করা হয়। ওইসময় তাকে হাতকড়া পরিয়ে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মাইকিং করেছিল পুলিশ। তবে গ্রেফতারের মাত্র ৪ মাসের মাথায় জামিনে বের হয়ে ফের অপকর্মে জড়ায় সে। বুধবার রাতে কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে অবস্থিত বেসরকারি স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের অফিসে গিয়ে চাঁদা দাবি করে ফারুন। তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির একাধিক গাড়ি ভাঙচুর ও টাকা ছিনিয়ে নেয় সে। কাইল্লা ফারুককে বারবার গ্রেফতার করলেও জামিনে মুক্তি পাওয়ার বিষয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন পুলিশ ও স্থানীয়রা। পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, অনেক কষ্ট করে ও কৌশলে এই কুখ্যাত চাঁদাবাজকে ধরি। কিন্তু অল্প কিছুদিনের মধ্যেই সে জেল থেকে বের হয়ে আবারও চাঁদাবাজি শুরু করে। জামিনের বিষয়ে জানতে চাইলে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক যুগান্তরকে বলেন, চাঁদাবাজ বলে যাদের পুলিশ গ্রেফতার করছে সাধারণত তাদের বিরুদ্ধে কেউ সাক্ষ্য দেন না। পুলিশও কখন, কোথায়, কিভাবে চাঁদাবাজি হয়েছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করে না। এগুলো ছাড়া চাঁদাবাজির অভিযোগ হলে আসামি জামিন পেয়ে যায়। তিনি বলেন, দুর্বলতা হচ্ছে পুলিশ হয়তো জানছে সে কোন এলাকা থেকে চাঁদা আদায় করেছে। কিন্তু যে মামলা করছে সে কোন দিন, কোন জায়গায়, কত টাকা চাঁদা নিয়েছে তার তথ্য স্পষ্ট দিচ্ছেন না। তখন আসামি সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, কাইল্লা ফারুক কিছুদিন আগেও মোহাম্মদপুরের সিটি ডেভেলপার হাউজিং এলাকায় বাসা নিয়ে থাকত। তার দুই স্ত্রী রয়েছে। সম্প্রতি গ্রেফতার এড়াতে ওই এলাকা ছেড়ে কেরানীগঞ্জে চলে যায়। সূত্র জানায়, ফারুকের উত্থান শ্রমিক দল করার মাধ্যমে। মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আলী কায়সার পিন্টুর অনুসারী ছিল ফারুক। সে ছিল শ্রমিক দলের সদস্য। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের কারণে দল থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে আলী কায়সার পিন্টু যুগান্তরকে বলেন, মোহাম্মদপুর থানা শ্রমিক দলের আগের কমিটির আহ্বায়ক ছিলাম আমি। তখন ফারুক আমাদের সঙ্গে ছিল কিন্তু কোনো পদ-পদবি ছিল না। তার নানা অপকর্মের কারণে আমি নিজেই তাকে গ্রেফতার করিয়েছি। তিনি আরও বলেন, ফারুক বর্তমান কমিটির সদস্য। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, জুলাই অভ্যুত্থানের পর সক্রিয় হয় কাইল্লা ফারুক। এ সময় পুরোদমে চাঁদাবাজিতে যুক্ত হয় সে। মোহাম্মদপুরের বসিলা রোড এবং তৎসংলগ্ন এলাকার ব্যবসায়ী এবং ফুটপাতের ক্ষুদ্র দোকানদারদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ব্যবসায়ীদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পুলিশের তদন্তসংশ্লিষ্টরা বলছেন, কাইল্লা ফারুক মোহাম্মদপুরের গ্রীনভিউ হাউজিং এলাকায় একটি বড় মাদক স্পটের নেতৃত্ব দিত। সেখান থেকেই সে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করত। এ নিয়ে স্থানীয়রা তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে সে চরম হিংস্র হয়ে ওঠে। চাঁদা দাবির প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ী মো. রাসেল এবং তার বন্ধু মামুনকে ধারালো সামুরাই দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে তারা সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় ফারুকের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, মোহাম্মদপুর এলাকায় নিজস্ব একটি গ্যাং বা সন্ত্রাসী দল নিয়ে জমি দখল এবং হাউজিং এলাকাগুলোতে আধিপত্য বিস্তার করার চেষ্টা করে ফারুক। তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা ও অভিযোগ রয়েছে। ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান যুগান্তরকে বলেন, স্টেডফাস্ট কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি ভাঙচুরের পর থেকে কাইল্লা ফারুককে গ্রেফতারে অভিযান চলছে। আমাদের মনিটরিং অব্যাহত আছে। তার অবস্থান মোহাম্মদপুরের বাইরে হলেও টিম গিয়ে ধরে আনবে। তিনি বলেন, কাইল্লা ফারুকসহ এই ঘটনার সঙ্গে আরও যারা জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করা হবে।