উপাচার্যের কার্যালয়ে মব সৃষ্টির অভিযোগ, হাতাহাতি
Why this classification
A group of BNP-leaning teachers entered the Vice-Chancellor's office without permission to demand reinstatement of removed teachers, and a physical scuffle followed in which seven people, including the Vice-Chancellor and a proctor, were injured. The Vice-Chancellor also reported that his mobile phone was snatched during the fight.
Killed
0
Injured
7
Summary
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অব্যাহতি ও বরখাস্ত শিক্ষকদের পুনর্বহালের দাবিতে বিএনপিপন্থি শিক্ষকরা উপাচার্যের কার্যালয়ে হট্টগোল ও হাতাহাতি করেন, যাতে উপাচার্য, শিক্ষক ও নিরাপত্তাকর্মীসহ ৭ জন আহত হন। উপাচার্যের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 7
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
উপাচার্যের কার্যালয়ে মব সৃষ্টির অভিযোগ, হাতাহাতি
সিকৃবিতে অব্যাহতিপ্রাপ্তদের পুনর্বহাল দাবি উপাচার্যের কার্যালয়ে মব সৃষ্টির অভিযোগ, হাতাহাতি সিলেট ব্যুরো প্রকাশ: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৮:৫০ ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে বিভিন্ন পদ থেকে অব্যাহতি ও বরখাস্ত শিক্ষকদের পুনর্বহালের দাবি নিয়ে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলামের অফিসে মব সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে। এ সময় বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের দুই পক্ষে হাতাহাতির ঘটনাও ঘটে। এতে উপাচার্য, শিক্ষক ও নিরাপত্তাকর্মীসহ ৭ জন আহত হন। উপাচার্যের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ ওঠে। গতকাল রোববার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করা এবং প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে আসছিলেন শিক্ষকদের একটি অংশ। এসব বিষয়ে আলোচনা করতে গতকাল দুপুরে বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের বর্তমান কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কাজী মেহতাজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. শাহানা বেগমের নেতৃত্বে ৭ জন উপাচার্য অফিসে গিয়ে নানা ইস্যুতে হট্টগোল করেন। এ সময় প্রশাসন ভবনে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ওই শিক্ষকরা অনুমতি না নিয়েই উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলামের কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে উপাচার্যপন্থি শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনার একপর্যায়ে উত্তেজনা তৈরি হয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় সাদা দলের শিক্ষক ড. মোহাম্মদ মাহবুব ইকবাল, প্রক্টর ড. জসিম উদ্দিন আহাম্মদসহ ৭ জন আহত হন। ঘটনা প্রসঙ্গে ড. মাহবুব ইকবাল বলেন, আমরা অনিয়মের প্রতিবাদ করতে গেলে উপাচার্য ও প্রক্টরের লোকজন আমাকে মারধর করেন। তারা মেরে আমার নাক-মুখ ফাটিয়ে দিয়েছেন। তবে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, কয়েকজন শিক্ষক অফিসে প্রবেশ করে মব সৃষ্টি করেন। আলোচনার সময় প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলা হলে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় কেউ ভিডিও ধারণ করতে গেলে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং হাতাহাতির মধ্যে আমার দুই হাতের আঙুলে আঘাত লাগে। ঘটনায় আরও তিনজন শিক্ষক আহত হয়েছেন। এটা খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত ঘটনা। শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের নিয়ম অনুসরণ করে যথাযথ পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। ৬ জন নতুন শিক্ষকের মধ্যে তিনজন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট। বিশেষায়িত বিষয়ে শিক্ষক না পাওয়ায় বাকিদের বাইরে থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিকৃবি উপাচার্য হিসেবে ড. আলিমুল ইসলামকে নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ময়মনসিং কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালে ড. আলিমুল ইসলাম বিএনপিপন্থি শিক্ষক সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি যোগদানের পর সিকৃবিতে ভর্তি পরীক্ষায় ছাত্রদলের ব্যানার টাঙানো নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যুক্তরা। তাদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রক্টর মোজাম্মেল হক ও রেজিস্ট্রার আতাউর রহমানসহ কয়েকজনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি এবং বরখাস্ত করা হয়। জানা গেছে, অতীতে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির জের ও সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপিপন্থি শিক্ষকরা আবার তৎপর হয়ে ওঠেন। তারা উপাচার্যকে ‘জামায়াত’ ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা শুরু করেন। বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের নতুন কমিটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে হওয়ার কথা। কিন্তু দায়িত্বপ্রাপ্তরা নতুন কমিটি গঠনের উদ্যোগ না নেওয়ায় সাদা দলের মধ্যেই বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। - বিষয় : - সিলেট
