ঝালাই মেশিন চুরির অভিযোগে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
Why this classification
Classified as a violence incident because locals subjected an individual to fatal physical beatings during an informal arbitration over an alleged theft, resulting in one confirmed death.
Killed
1
Injured
0
Summary
বগুড়ার সদর উপজেলায় ঝালাই মেশিন চুরির অভিযোগ তুলে সালিশ বৈঠকে রিপন মুরমু (২৭) নামের এক যুবককে মারধর করা হয়, যার ফলে তার মৃত্যু ঘটে।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ঝালাই মেশিন চুরির অভিযোগে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
বগুড়ার সদর উপজেলায় ঝালাই মেশিন চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে রিপন মুরমু (২৭) নামে এক সাওতাঁল যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের চানপাড়া এলাকার ডিউকের ইটভাটার একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রিপন মুরমু দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বেলোয়া বামুনপাড়ার মোসেস মুরমুর ছেলে। তিনি বেশ কিছুদিন ধরে চানপাড়া এলাকার ডিউকের ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। পাশাপাশি স্থানীয় ব্যবসায়ী রেজাউল করিমের ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপে নৈশপ্রহরীর দায়িত্ব পালন করতেন তিনি। পুলিশ ও নিহতের স্বজনদের সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে রেজাউল করিমের ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপ থেকে একটি ঝালাই মেশিন চুরি হয়। এ ঘটনায় শুক্রবার রিপনকে নিয়ে সালিশ বৈঠক করেন মেশিনের মালিক রেজাউল করিম ও স্থানীয় এক সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলে সেলিম। নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, সালিশের সময় রিপনকে মারধর করা হয়। পরে কালু নামে এক ব্যক্তিকে মেশিন চুরির সঙ্গে জড়িত হিসেবে শনাক্ত করা হয়। ওই ব্যক্তি ও চুরি যাওয়া মেশিন উদ্ধারের দায়িত্ব রিপনকে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার কথাও বলা হয়। স্বজনদের দাবি, মারধরের পর রিপন অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তার মৃত্যু হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে রেজাউল ও সেলিম একটি অ্যাম্বুলেন্স ডেকে শুক্রবার রাতে রিপনের মরদেহ তার গ্রামের বাড়িতে পাঠান বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালে অ্যাম্বুলেন্সচালক মরদেহ নিয়ে আবার বগুড়ায় ফিরে আসেন। অ্যাম্বুলেন্সচালক সিয়াম বলেন, সেলিম নামে একজনের ফোন পেয়ে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে চানপাড়া ইটভাটা এলাকায় যাই। প্রথমে আমাকে বলা হয়েছিল, একজন অসুস্থ রোগীকে নিয়ে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, মরদেহ নিয়ে যেতে হবে। পরে রাত ১১টার দিকে রওনা হই। ঘোড়াঘাটে পৌঁছালে তারা এভাবে মরদেহ নিতে অস্বীকৃতি জানান। প্রায় সারা রাত সেখানে থাকার পর শনিবার ভোরে মরদেহ নিয়ে আবার ইটভাটার সামনে ফিরে আসি। ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য রবিউল ইসলাম বলেন, রাতে রিপনের মরদেহ বাড়িতে আনার খবর পেয়ে তাদের বাড়িতে যাই। বিষয়টি নিয়ে বগুড়ায় তার কর্মস্থলের কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলি। কিন্তু তাদের কথায় অমিল পাই। পরে বগুড়া ও ঘোড়াঘাটের পুলিশের সঙ্গে কথা বলে শনিবার বেলা ১১টার দিকে ইটভাটায় আসি। নিহতের বাবা মোসেজ মুরমু বলেন, এখানে এসে অনেক কিছু শুনেছি। কিন্তু আসলে কী ঘটেছে, তা আমি জানি না। ভাটা এলাকার সবাই আমার ছেলেকে ভালো বলেছে। বগুড়ায় এসে ছেলের চোখ, হাত ও কোমরে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়েছি। ময়নাতদন্তের পর আমরা মামলা করব। বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, ঝালাই মেশিন চুরির অভিযোগে শুক্রবার সকালে স্থানীয় লোকজন রিপনকে মারধর করেন। পরে রাতে তাকে তার থাকার পরিত্যক্ত ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় লোকজন তার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে পাঠালেও সেখান থেকে আবার ফিরিয়ে আনা হয়। ওসি আরও বলেন, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় এখনও কাউকে আটক করা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আব্দুল মোমিন/এসএইচএ
বগুড়ায় চোর সন্দেহে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা
বগুড়ায় চোর সন্দেহে শ্রমিককে পিটিয়ে হত্যা Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বগুড়ায় রিপন সরেন (৪৫) নামে এক ইটভাটা শ্রমিককে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার লাহিড়ীপাড়া ইউনিয়নের চন্ডিহারার চানপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। স্বাভাবিক মৃত্যু হিসাবে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে করে গ্রামের বাড়ি পাঠানো হলেও স্বজনরা হত্যা সন্দেহে তা ফেরত পাঠিয়েছে। শনিবার বিকালে সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, এক আদিবাসী শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রিপন সরেন দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বামনপাড়া গ্রামের প্রয়াত মেসো সরেনের ছেলে। তিনি বগুড়ার চানপাড়ায় একটি ইটভাটার শ্রমিক ছিলেন। স্থানীয় রেজাউল নামে এক ব্যবসায়ীর দোকান থেকে ঢালাই মেশিন চুরি হয়। এ জন্য রিপন সরেনকে সন্দেহ করা হয়। শুক্রবার সন্ধ্যায় কয়েকজন সরেনকে মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা বা মেশিন ফেরতের শর্ত দেওয়া হয়েছিল। পরে ইটভাটার শ্রমিকদের শয়নকক্ষে সরেনের লাশ পাওয়া যায়। এদিকে শুক্রবার রাতে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসাবে সরেনের লাশ অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দিনাজপুরের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে, লাশে আঘাতের চিহ্ন থাকায় পরিবারের লোকজন তা গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানায়। বাধ্য হয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালক লাশ বগুড়ায় ফেরত নিয়ে আসেন। ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, রিপন সরেন চানপাড়ার জনৈক ডিউকের ইটভাটার শ্রমিক ছিলেন। চোর সন্দেহে তাকে শাসন ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। পরে তার মৃত্যু হলে লাশ অ্যাম্বুলেন্সে গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হয়। সেখানে হত্যা সন্দেহ হলে লাশ ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শনিবার বিকালে লাশ শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এটি হত্যা না স্বাভাবিক মৃত্যু সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ব্যাপারে মামলা হয়নি।
