রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় হামলা, ভাঙচুর
Why this classification
প্রকাশিত ঘটনার মধ্যে হ্যান্ড বোমা বিস্ফোরণ, ভাঙচুর এবং ৬ জনের আঘাত রয়েছে, যা সংজ্ঞায়িত হিংসাত্মক কাজের মধ্যে পড়ে এবং ১৪ দিনের মধ্যে ঘটেছে; তাই এটি একটি বৈধ হিংসা ঘটনা হিসেবে বিবেচিত।
Killed
0
Injured
6
Summary
১৯ জুন ২০২৬ তারিখে রাজশাহী মতিহার থানার বিনোদপুর বাজারে দুইটি রেস্তোরাঁতে হ্যান্ড বোমা বিস্ফোরণ ও ব্যাপক ভাঙচুর ঘটেছে। ঘটনায় তিনজন পুলিশ সদস্য ও তিনজন হোটেল কর্মচারী আহত হন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 6
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement, Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 19/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় হামলা, ভাঙচুর
রাজশাহীতে রেস্তোরাঁয় হামলা, ভাঙচুর তিন পুলিশ সদস্যসহ আহত ৬ Advertisement রাজশাহী ব্যুরো ও রাবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহীর মতিহার থানার বিনোদপুর বাজারে খাবার দিতে বিলম্ব হওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে দুটি রেস্তোরাঁয় ব্যাপক ভাঙচুর ও হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে পুলিশের তিন সদস্য আহত হন। এছাড়া হোটেলের তিন কর্মচারীও আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে বিনোদপুর বাজার ও মণ্ডলের মোড় এলাকায় চলে এ তাণ্ডব। মতিহার থানার পুলিশ কনস্টেবল ফয়েজ উদ্দিনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মতিহার এলাকার সাবেক শিবির ক্যাডার রমজানের সহযোগীরা এ হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় রমজান আলী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিনোদপুর বাজারের ‘বাংলা টিফিন’ নামে একটি রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে যান। খাওয়া শেষে রমজান কিছু খাবার পার্সেল নিতে অর্ডার করেন। এ সময় হোটেলের কর্মচারীরা তাকে জানান, পার্সেল ডেলিভারি দিতে অন্তত ২০ মিনিট লাগবে। এ নিয়ে হোটেলটির কর্মচারীদের সঙ্গে রমজানের কথা কাটাকাটি হয়। পরে পার্সেল না নিয়েই রমজান ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। এদিকে এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর কতিপয় যুবক রাম দা ও ধারাল অস্ত্র নিয়ে রেস্তোরাঁয় ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। যুবকরা হোটেলটি লক্ষ্য করে পরপর কয়েকটি হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুরো এলাকায় ত্রাসের সৃষ্টি করে। এলাকার মণ্ডলের মোড়ে থাকা ‘বঙ্গভোজ’ নামের আরেকটি হোটেলেও হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এদিকে খবর পেয়ে মতিহার থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মারমুখী যুবকরা তাদের লক্ষ্য করে আরও দুটি হাতবোমা নিক্ষেপ করে। এতে কনস্টেবল ফয়েজসহ তিন পুলিশ আহত হয়। আহত হয় হোটেলটির তিন কর্মচারী। বাংলা টিফিনের মালিক শাকিল জানান, ছোট একটা ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ধরনের হামলা ও তাণ্ডব কেন চালানো হলো তিনি বুঝতে পারছেন না। সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করেও হাতবোমা নিক্ষেপ করেছে। এতে কয়েক পুলিশ সদস্য ও হোটেল কর্মচারী আহত হয়েছেন। আইনগত ব্যবস্থা নেবেন কি না এখনো সিদ্ধান্ত নেননি। বাজার সমিতির নেতারা ঘটনাটি মীমাংসার চেষ্টা করছেন বলে জানান শাকিল। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রমজান আলী জানান, তিনি পরিবার নিয়ে হোটেলটিতে রাতের খাবার খান। পরে একটা পার্সেলের অর্ডার দেন। কিন্তু হোটেলের কর্মচারীরা তাকে ধাক্কাধাক্কি করেন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তিনি হোটেল ত্যাগ করেন। পরে কারা হোটেলটিতে হামলা করেছে তা তিনি জানেন না। হামলার ঘটনা দুঃখজনক। আমি হোটেল মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আরএমপির মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, তুচ্ছ একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও হাতবোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। কয়েক পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
