বিদ্যুতের অভিযোগ জানাতে গিয়ে গ্রাহক-কর্মকর্তার মারামারি, আহত ৫
Why this classification
ঘটনাটি একটি নির্দিষ্ট দিনে (৫ অক্টোবর) সংঘটিত শারীরিক সংঘর্ষ, যাতে ৫ জন আহত হয়েছেন। এটি সহিংসতার সংজ্ঞা পূরণ করে এবং সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে ঘটেছে। তাই এটিকে সহিংস ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
5
Summary
ভোলার মনপুরায় বিদ্যুৎ সরবরাহের অভিযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে যাওয়া গ্রাহকদের সঙ্গে কর্মকর্তার মারামারিতে ৪ গ্রাহক ও এক প্রকৌশলী আহত হন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
ভোলায় যুবককে তুলে নিয়ে দুই চোখ উপড়ে ফেলল প্রতিপক্ষ
ভোলার বোরহানউদ্দিনে মো. রাজিব নামের এক যুবককে রাতের আঁধারে তুলে নিয়ে নির্যাতনের পর দুই চোখ উপড়ে ফেলেছে প্রতিপক্ষ। গতকাল সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের দেউলা শিবপুর গ্রামের বাড়ি থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ মঙ্গলবার এ ঘটনায় মামলা হলে ইমাম হোসেন নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয় তাঁকে। রাজিবের ভাই মো. রিয়াজ জানান, গতকাল রাত ১১টার দিকে বাড়ির সামনে বসে ছিলেন রাজিব। এ সময় একটি মাইক্রোবাসে কয়েকজন এসে তাঁকে তুলে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন করেন। পরে চোখ দুটি উপড়ে ফেলে ভোলা পলিটেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের কাছে ডোবার পাশে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রেখে যান। এ সময় রাজিবের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে নিয়ে পরিবারকে খবর দেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে ভোলা সদর হাসপাতালে পাঠান। অবস্থা আরও আশঙ্কাজনক দেখে আজ সকালে তাঁকে ঢাকায় নেওয়া হয়। রিয়াজ আরও জানান, রাজিবের শরীরে ও মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। দুষ্কৃতকারীদের কয়েকজন তাঁদের এলাকার। তাদের মধ্যে রাজিব কয়েকজনকে চিনতে পেরেছেন এবং তাদের নাম বলেছেন। বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশ্রাব আলী বলেন, মধ্যরাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আজ দুপুরে রাজিবের স্ত্রী বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে ইমাম হোসেন নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
বিদ্যুতের অভিযোগ জানাতে গিয়ে গ্রাহক-কর্মকর্তার মারামারি, আহত ৫
ভোলার মনপুরা উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে অভিযোগ জানাতে বিদ্যুৎ অফিসে যাওয়া গ্রাহক ও বিদ্যুৎ কর্মকর্তার সঙ্গে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে ওজোপাডিকোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী ছাড়াও ৪ গ্রাহক আহত হয়েছেন। পরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এ ঘটনায় দুই পক্ষেই পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন। সোমবার (৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় উপজেলার ডাকবাংলো মোড় ওজোপাডিকোর অফিসে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) মনপুরার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো.মনিরুজ্জামান মনির এবং স্থানীয় হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ী মো. শরিফ, মো. আক্তার, সোহাগ ও নিরব। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মনপুরা উপজেলার গ্রাহকরা প্রতিদিনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শুধু রাতে মাত্র দুই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পান। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ সরবারহের ভোগান্তির অভিযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে যান। পরে সেখানে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারি হয়। সেখানে কর্মরত উপ-সহকারী প্রকৌশলীসহ চার গ্রাহক আহত হন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে এবং আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে হাজিরহাট বাজারের ব্যবসায়ীরা বিদ্যুৎ অফিসে চার গ্রাহককে মারধরের অভিযোগ এনে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল শেষে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। অপরদিকে এ ঘটনায় বিদ্যুৎ অফিসে হামলা ও প্রকৌশলীকে মারধরের অভিযোগ মনপুরা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহত গ্রাহক সোহাগ, নিরব, শরীফ ও আক্তার অভিযোগ করে বলেন, রাতে আমরা মাত্র এক থেকে দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাই। তাছাড়া একটু বেশি সময় বিদ্যুৎ বিতরণের জন্য এক্সট্রা টাকা চায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনির। টাকা না দিলে লাইন কেটে দেয়। এই সমস্ত অভিযোগ নিয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনির উত্তেজিত হয়ে তাদেরকে মারধর করে জামা-কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। তারা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মনিরের বিচার দাবি করেন। এ বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসের (ওজোপাডিকো) দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কারো কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা চাওয়া হয়নি। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। গ্রাহকরা কোনো কথা না শুনে আমার ওপর হামলা করেছে। আমরা থানায় মামলা করেছি। ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপডিকো) মনপুরার আবাসিক প্রকৌশলী মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, পাওয়ার হাউজের তিনটি মেশিনের মধ্যে দুইটি নষ্ট। একটি দিয়ে কোনোমতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। কিন্তু অফিসে গিয়ে গ্রাহকেরা কর্মকর্তাদের মারধর করা ঠিক হয়নি। যারা ঘটনার সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মনপুরায় বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছেও বলে জানান তিনি। মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজাহারুল ইসলাম জানান, খবরে পেয়ে পুলিশ বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। বিদ্যুৎ অফিসে হামলা ও বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে মারধরের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে মনপুরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তড়িৎ চন্দ্র শীল বলেন, বিদ্যুৎ বিভ্রাটসহ গ্রাহকদের ওপর হামলার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ীরা স্মারকলিপি দিয়েছেন। দুপক্ষের সাথে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। মো.খাইরুল ইসলাম/এসএইচএ
মাইক্রোবাসে তুলে উপড়ে ফেলা হলো যুবকের দুই চোখ
মাইক্রোবাসে তুলে উপড়ে ফেলা হলো যুবকের দুই চোখ গ্রেফতার ১ Advertisement বোরহানউদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মো. রাজীব (২৮)। ভোলার বোরহানউদ্দিনে মো. রাজীব (২৮) নামের এক যুবককে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। পরে তাকে হাত-পা বাঁধা ও বিবস্ত্র অবস্থায় ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। আহত রাজীব উপজেলার সাচড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত ফারুক খানের ছেলে। এ ঘটনায় ইমন নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে উপজেলার দেউলা এলাকা থেকে রাজীবকে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নেয় কয়েকজন। পরে তাকে ভোলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে নিয়ে চোখ উপড়ে, হাত-পা বেঁধে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। পথচারীরা হাত-পা বাঁধা অবস্থায় রাজীবকে দেখতে পেয়ে থানায় খবর দিলে রাত ২টার দিকে পুলিশ তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে রাজীবের পরিবার পুলিশের সহায়তায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার ঢাকায় পাঠায়। বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আস্রাব আলী বলেন, রাজীব নামে এক যুবককে আহত অবস্থায় উদ্ধারের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। ইমন নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলছে। ওসি আরও বলেন, ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে কী কারণে রাজীবের সঙ্গে এমন বর্বরোচিত আচরণ করা হলো তা তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।
