কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
Why this classification
The article reports that workers beat fellow workers and company officials on 9 February during a wage-related disturbance, injuring 2 officers and 8 workers, which is a concrete physical clash. The main content is a road blockade protest, and the assault claims come from the factory management, so confidence is moderate.
Killed
0
Injured
10
Summary
ভালুকায় শেফার্ড জিন্স লিমিটেড কারখানায় ৯ ফেব্রুয়ারি বেতন না পেয়ে বিশৃঙ্খলার সময় শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে কারখানা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, যাতে ২ জন কর্মকর্তা ও ৮ জন শ্রমিক আহত হন। এরপর কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকেরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দেড় ঘণ্টা অবরোধ করেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
55% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 09/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ
কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ভালুকা পৌর এলাকায় শেফার্ড জিন্স লিমিটেড কারখানাটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা সমকাল ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৯:৩৬ | প্রিন্ট সংস্করণ বিনা নোটিশে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শেফার্ড জিন্স লিমিটেডের শ্রমিকরা। সেই সঙ্গে কিছু শ্রমিকের এক মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানিয়েছেন তারা। শনিবার সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক দেড় ঘণ্টা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন কারখানাটির শ্রমিকরা। মহাসড়ক দেড় ঘণ্টা অবরোধ করে রাখায় প্রায় ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়। বিক্ষোভকারী শ্রমিকরা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বেতন পরিশোধ করে ছুটি দেওয়ার কথা ছিল। সেদিন সকালে অধিকাংশ শ্রমিক কারখানায় গিয়ে যথারীতি কাজে যোগ দেন। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ জানান শ্রমিকদের বেতনের টাকা আনতে জিএম হেড অফিসে গেছেন, আসতে প্রায় সন্ধ্যা হতে পারে। পরদিন বেতন দেওয়ার কথা জানিয়ে ছুটি ঘোষণা করেন। কিন্তু বেতন পরিশোধ না করায় শ্রমিকদের মাঝে অসন্তোষ দেখা দেয়। এক পর্যায়ে কারখানার ভেতর আন্দোলন শুরু করলে কর্তৃপক্ষ চাপের মুখে বাধ্য হয়ে ওই সময় ৬০ ভাগ শ্রমিকের বেতন পরিশোধ করেন। ওই সময় আর টাকা না থাকায় পরদিন বাকি ৪০ ভাগ শ্রমিকের বেতন যার যার ব্যাংক হিসেবে পাঠানো হবে বলে আশ্বাস দেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ পরদিন বেতন পরিশোধ করেননি। শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, কারখানাটি কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। শনিবার সকালে কাজে যোগদানের জন্য এসে দেখতে পান মূল ফটকে কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করার নোটিশ। পরে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। মহাসড়ক অবরোধের খবর পেয়ে থানা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি টিম ঘটনাস্থলে হাজির হয়। শ্রমিকদের দাবির বিষয়গুলো কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়ে অবরোধ প্রত্যাহারের অনুরোধ জানায় তারা। পরে বিক্ষোভকারীরা মহাসড়ক থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করেন। শেফার্ড জিন্স লিমিটেডের জি এম সাকিব হোসেন জানান, গত ৯ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ও জানুয়ারি মাসের বেতন দেওয়ার কথা ছিল। ওইদিন তিনি বেতনের টাকা নিয়ে হেড অফিস থেকে আসতে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় কয়েকজন উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক কর্মরত শ্রমিকদের কাজ বন্ধ করে আন্দোলনে যোগ দিতে বলেন। এ সময় শ্রমিকরা তাদের কথায় রাজি না হওয়ায় কর্মরত শ্রমিকদের মারধর শুরু করেন। এ সময় কর্মকর্তারা কথা বলতে গেলে উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিকরা তাদেরও মারধর করেন। এতে কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানসহ দুজন কর্মকর্তা ও আট শ্রমিক আহত হন। তাঁর দাবি, কর্মরত শ্রমিকরাই যদি মব সৃষ্টি করে তাহলে কারখানা চালানো সম্ভব নয় বিধায় কর্তৃপক্ষ কারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বকেয়া ৪০ ভাগ শ্রমিকের বেতন এই সপ্তাহের মধ্যে যার যার ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। শিল্প পুলিশ-৫ ময়মনসিংহের সহকারী পুলিশ সুপার ঘোপিনাথ কাঞ্জিলাল বলেন, বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের প্রতিনিধি, স্থানীয় প্রশাসন, ভালুকা সেনা ক্যাম্পের অধিনায়ক ও তারা দীর্ঘ বৈঠক করেছেন। আজ রোববার থেকে যথারীতি কারখানা চালু থাকবে। - বিষয় : - বিক্ষোভ
