খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৬
Why this classification
This is a single, specific incident on 25 April 2026 in which two BNP factions in Terokhada, Khulna, fought with local weapons, leaving one man dead and at least six injured. It is a physical clash with a death, so it qualifies as violence.
Killed
1
Injured
6
Summary
২০২৬ সালের ২৫ এপ্রিল সকালে খুলনার তেরখাদা উপজেলার মধুপুর এলাকায় পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এতে সাইফুল গ্রুপের সমর্থক নুর আলম (৫৫) নিহত হন এবং অন্তত ছয়জন আহত হন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
93% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 6
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ধানকাটাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, নিহত ১
ধানকাটাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষে সংঘর্ষ, নিহত ১ ফাইল ছবি খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬ | ১৮:৪০ খুলনার তেরখাদা উপজেলায় ধানকাটাকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। শনিবার সকালে উপজেলার ৬ নম্বর মধুপুর ইউনিয়নের মধুপুর উত্তরপাড়া বিলে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নূর আলম (৫৬) তেরখাদা উপজেলার বাসিন্দা ইকরাম শেখের ছেলে। তিনি সাইফুল মোড়ল গ্রুপের কর্মী ছিলেন। স্থানীয়রা জানায়, উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলামের অনুসারীদের সঙ্গে মধুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক সাইফুল মোড়লের অনুসারীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনা চলে আসছিল। শনিবার সকালে ধানকাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। দেশীয় অস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে সাইফুল গ্রুপের নূর আলম গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে হিজমুল্লাহ সোহেল রানা (৪০), নূর শেখ (৫৫), মুসা শেখ, মফিজুর রহমান (৪৫) ও আলী হুসাইন রয়েছেন। তাদের খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের ৯ ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তেরখাদা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু বলেন, মধুপুর উত্তরপাড়া বিলে ধানকাটাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয় বলে দাবি করেন তিনি। খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, শহিদুল ও সাইফুল মোড়ল গ্রুপের মধ্যে ধানকাটাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা ঘটনাস্থলে রয়েছেন। জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৬
খুলনায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৬ Advertisement খুলনা ব্যুরো প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম খুলনার তেরখাদা উপজেলায় পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এতে একজন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ৬ নাম্বার মধুপুর ইউনিয়নের মধুপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম নুর আলম (৫৫)। তিনি ওই এলাকার ইকরাম শেখের ছেলে এবং পেশায় কৃষক। নুর আলম বিএনপির সাইফুল গ্রুপের সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে সাইফুল গ্রুপের লোকজন ধান কাটতে বিলে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষ শহিদুল ইসলাম গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। দীর্ঘদিনের বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মুহূর্তেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে ধাওয়া-পালটাধাওয়া ও ব্যাপক মারামারির ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন নুর আলম। পরে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন— হিজমুল্লাহ সোহেল রানা (৪০), মুসা শেখ, মফিজুর রহমান (৪৫), আলী হুসাইনসহ অন্তত ছয়জন। তাদের খুলনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম সমর্থিত গ্রুপের ১৫ থেকে ২০ জন সদস্য পূর্বপরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের ওপর হামলা চালায়। তবে এ বিষয়ে অপর পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তেরখাদা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু বলেন, দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তেরখাদা থানার ওসি মো. শহিদুল্লাহ জানান, দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরেই এ সংঘর্ষ হয়েছে। এখন পর্যন্ত একজন নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
