ছাত্রদল নেতাকর্মীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি
Why this classification
The article describes a concrete physical clash between political student factions at Chittagong University that resulted in multiple injuries, including a university official.
Killed
0
Injured
3
Summary
রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট ও শাহজালাল হল এলাকায় ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষে ছাত্রদল নেতা, ছাত্রশক্তি নেতা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আহত হয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP, Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ছাত্রদল নেতাকর্মীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি
ছাত্রদল নেতাকর্মীর সঙ্গে শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ জুলাই ২০২৬ | ০৮:০৯ | প্রিন্ট সংস্করণ বড় পর্দায় ফুটবল খেলা দেখার সময় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রদলের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কয়েক দফায় মারামারি হয়েছে। এসব ঘটনায় শাখা ছাত্রদলের ক্রীড়া সম্পাদক মোছাদ্দিকুর জামান আল-মামুন ও জাতীয় ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক উলফাতুর রহমান রাকিব আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণচেষ্টার সময় আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী। হেনস্তার শিকার হন কয়েকজন সংবাদকর্মী। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, গত সোমবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বড় পর্দায় দেখানো হয় ব্রাজিল ও জাপানের মধ্যকার ফুটবল ম্যাচ। সেখানে মেয়েদের জন্য নির্ধারিত জায়গায় এক শিক্ষার্থীর সিগারেট ধরানোকে কেন্দ্র করে শুরুতে তর্কাতর্কি হয়। সেখানে উপস্থিত ছাত্রদল নেতা মোছাদ্দিকুর জামান আল-মামুন তাঁকে সরিয়ে দেন। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে জিরো পয়েন্ট এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে আবারও উত্তেজনা তৈরি হয়। যা পরে হাতাহাতিতে গড়ায়। মোছাদ্দিকুর জামান আল-মামুনের ভাষ্য, ‘আমি, রোকন ভাইসহ চার-পাঁচজন সিনিয়র স্টেশন থেকে জিরো পয়েন্টের দিকে যাচ্ছিলাম। এ সময় মাস্ক পরিহিত একদল শিক্ষার্থী আমাদের ওপর হামলা চালায়। সেখানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ও অ্যাকাউন্টিং বিভাগের কয়েকজন ছিল। তারা মাস্ক পরে এসে আমার ঘাড়ে ও মাথায় আঘাত করে। যাওয়ার সময় গালিগালাজ করতে করতে শাহজালাল হলে ঢুকে পড়ে। হামলাকারীদের মধ্যে পলাশ মোল্লা ও উলফাতুর রহমান মাস্ক পরা অবস্থায় ছিল।’ বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক শুভাশীষ চৌধুরী বলেন, মামুনকে আনার পর তাঁর মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে রেফার করা হয়। পলাশ মোল্লার ভাষ্য, সোমবার রাতে খেলাকে কেন্দ্র করে তাদের জুনিয়র জিসানকে ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মী মারধর করে। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাতে জিরো পয়েন্টে জিসানের সঙ্গে আবারও কথাকাটাকাটি ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার কিছু সময় পর শাহজালাল হলের সামনেও দ্বিতীয় দফায় মারামারি হয়। পলাশ মোল্লা বলেন, জিসানকে জাতীয় ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক রাকিবের মোটরসাইকেলে করে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাচ্ছিলেন। আলাউল হল এলাকায় পৌঁছালে কয়েকজন তাদের ঘিরে নামিয়ে মারধর করেন। ছাত্রশক্তি নেতা উলফাতুর রহমান রাকিব বলেন, ‘আমাকে মোটরসাইকেল থেকে নামিয়ে প্রথমে কয়েকজন মারধর করে। পরে ছাত্রদলের কয়েকজন ও নিরাপত্তা দপ্তরের সদস্যরা আমাকে উদ্ধার করলেও জাবেদসহ আরও কয়েকজন আবার মারধর করে। তারা আমার বাসার চাবিসহ মোটরসাইকেলের চাবি নিয়ে গেছে।’ যাকে নিয়ে ঘটনার শুরু সেই জিসানের দাবি, ছাত্রদলের এক বন্ধুর আমন্ত্রণে খেলা দেখতে যান। তিনি সামনের সারিতে বসতে চাইলে ছাত্রদল নেতা মামুন তাঁকে সরিয়ে দেন। পরে কারণ জানতে চাইলে দুর্ব্যবহার ও মারধরের শিকার হন। ঘটনাটি আড়াল করতে প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়ার মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে। মঙ্গলবার রাতের ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। দুই পক্ষকে নিবৃত্ত করার সময় আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী। এ সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে কয়েকজন সাংবাদিকও হেনস্তার শিকার হন। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিনের ভাষ্য, অভিযুক্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে পারে, তাদের সুনির্দিষ্ট পরিচয় আমরা জানি না। কোনো নেতাকর্মীর অন্যায় থাকলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। সাংবাদিকদের হেনস্তার বিষয়টি শুনে তাদের সরিয়ে দিয়েছেন। এ বিষয়ে দুই পক্ষের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী। তিনি বলেন, ‘আমরা তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ব্যবস্থা নেব। বৃহস্পতিবার দুই পক্ষকেই ডাকা হয়েছে।’ আর সাংবাদিকদের হেনস্তার বিষয়ে ছাত্রদল সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশা করছেন। - বিষয় : - হাতাহাতি
