হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় সাময়িক বহিষ্কার ৩১ শিক্ষার্থী
Why this classification
A real, recent physical clash occurred on 21 May 2026 at HSTU in Dinajpur, where more than 100 students armed with sticks and local weapons attacked another hall, vandalised property and injured an assistant proctor and several students. The article reports a concrete single incident, not a reaction or roundup.
Killed
0
Injured
2
Summary
২১ মে ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে হাবিপ্রবিতে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শতাধিক শিক্ষার্থী লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে শহীদ নূর হোসেন হলে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে এবং সহকারী প্রক্টরসহ কয়েকজনকে আহত করে। ঘটনার পর ৩১ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 2
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় সাময়িক বহিষ্কার ৩১ শিক্ষার্থী
হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষ-ভাঙচুরের ঘটনায় সাময়িক বহিষ্কার ৩১ শিক্ষার্থী দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় দিনাজপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬ | ২০:০৩ | আপডেট: ২২ মে ২০২৬ | ২০:১৯ দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৩১ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তরের এক অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের ২৭তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বহিস্কারের আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে শহীদ আবরার ফাহাদ হল থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি নিয়ে শহীদ নূর হোসেন হলে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা নামাজ ঘরসহ হলের বিভিন্ন আসবাবপত্র, সিসি ক্যামেরা ও অন্যান্য সম্পত্তি ভাঙচুর করে। পাশাপাশি সহকারী প্রক্টরসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়ে আহত করা হয়। ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৩১ শিক্ষার্থীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ছাত্র শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ১৪ ও ১৫ ধারা অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সরকারি সম্পত্তি ক্ষতির অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বহিষ্কারের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে পূর্ব বিরোধের জেরে শহীদ নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থী আল ফিমানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল মাঠে খেলা দেখার সময় মারধর করে শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীরা। ঘটনাটি জানতে পেরে নুর হোসেন হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী টিএসসি থেকে আবরার ফাহাদ হলের এক শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে মারধর করে। এরপর লাঠিসোঁটা নিয়ে আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীরা নুর হোসেন হলে হামলা চালায়। তারা নুর হোসেন হলের জানালার কাচ, ক্যারম বোর্ড ও একটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। পরে বেলা তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে নুর হোসেন হলের শিক্ষার্থীরা। এতে সড়কের উভয় পাশে শতাধিক গাড়ি আটকা পড়ে এবং তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই আবাসন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ৩১ শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় বহিষ্কার ৩১
হাবিপ্রবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় বহিষ্কার ৩১ Advertisement হাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৩১ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের ২৭তম সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা অফিস আদেশে বিষয়টি জানানো হয়। হাবিপ্রবির রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে শহীদ নূর হোসেন হল ও শহীদ আবরার ফাহাদ হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে একজন সহকারী প্রক্টরসহ অন্তত ৭ জন আহত হন। ঘটনার পর হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে নূর হোসেন হলের শিক্ষার্থীরা প্রায় ৬ ঘণ্টা রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে প্রশাসনের আশ্বাসে তারা অবরোধ প্রত্যাহার করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সংঘর্ষের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই আবাসন ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়। বহিষ্কারের অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে শহীদ আবরার ফাহাদ হল থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে শহীদ নূর হোসেন হলে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তারা নামাজঘরসহ হলের বিভিন্ন আসবাবপত্র, সিসি ক্যামেরা ও অন্যান্য সম্পত্তি ভাঙচুর করে। পাশাপাশি সহকারী প্রক্টরসহ কয়েকজন শিক্ষার্থীর ওপর হামলা চালিয়ে আহত করা হয়। ভিডিও ফুটেজ ও অন্যান্য সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে ৩১ শিক্ষার্থীকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আরও জানায়, ছাত্র শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ১৪ ও ১৫ ধারা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ, অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং সরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বহিষ্কারের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
