‘গুলি করলেই খাওয়া যাবে ৫-১০ কোটি টাকা’

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This article reports a specific shooting in which gunmen from the Sajjad gang fired on an industrialist's building twice in Chandanpura, Chattogram, to intimidate him over a ₹12 crore extortion demand. Although the article also covers an arrest, that arrest alone would not qualify; the qualifying event is the armed attack itself. No casualties were reported.

Reported by:JugantorSingle source
15/03/26•চন্দনপুরা, চট্টগ্রাম নগরী

Killed

0

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের চন্দনপুরায় ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমানের ভবন লক্ষ্য করে দুই দফায় গুলিবর্ষণ করা হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ১২ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে ভয় দেখাতে সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের বাহিনী এই হামলা চালায়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Sajjad Bahini

Victim side

Locals

Other actors

Sajjad Ali Khan alias Boro Sajjad (gang leader, reportedly in India)Saidul Islam (gang associate, arrested on 15 March)Mostafizur Rahman (industrialist, target)Bayezid Bostami Thana OC Jahedul Kabir

Affected infrastructure

industrialist's building

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Sajjad Bahini

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 26/03/26open original ↗

‘গুলি করলেই খাওয়া যাবে ৫-১০ কোটি টাকা’

বিদেশে বসে সাজ্জাদের চাঁদাবাজি ‘গুলি করলেই খাওয়া যাবে ৫-১০ কোটি টাকা’ Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ২৬ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান ওরফে বড় সাজ্জাদের এক সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তার নাম সাইদুল ইসলাম। ১৫ মার্চ নগরীর বায়েজিদ বোস্তামির নয়াহাট থেকে তাকে গ্রেফতার করার পর তার কাছ থেকে বেশকিছু নির্মাণাধীন ভবনের ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করা হয়েছে। এসব ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে পাওয়া গেছে ভয়ংকর সব তথ্য। নির্মাণাধীন ভবনের ভিডিও ফুটেজ বিদেশে অবস্থানরত সাজ্জাদের কাছে পাঠাতেন সাইদুল। বলতেন, শুধু গুলি করলেই পাওয়া যাবে মোটা অঙ্কের টাকা। আর এভাবেই সাজ্জাদ বিদেশে বসে তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে দিয়ে আদায় করতেন কোটি কোটি টাকা। ফুটেজ পাঠানো ও তথ্য সরবরাহের বিনিময়ে সাইদুলকে প্রতি সপ্তাহে দেওয়া হতো ৫ হাজার টাকা বেতন! বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি জাহেদুল কবির সাজ্জাদের চাঁদাবাজির এই তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, গ্রেফতার সাইদুল সাজ্জাদ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য। নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সাজ্জাদ বাহিনীকে সহযোগিতা করাই ছিল তার কাজ। সন্ত্রাসী সরোয়ার হোসেন ওরফে বাবলাকে গুলি করে হত্যার মামলায় সাইদুলকে গ্রেফতার করা হয়। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে নির্মাণাধীন ভবনের ভিডিও ধারণ করে সাজ্জাদের কাছে পাঠানোই ছিল তার কাজ। এর বিনিময়ে তিনি প্রতি সপ্তাহে পাঁচ হাজার টাকা করে পান। সাইদুলের মতো আরও অর্ধশতাধিক সোর্স সাজ্জাদের রয়েছে। তারা বায়েজিদ বোস্তামি, চান্দগাঁও, পাঁচলাইশ, হাটহাজারী, চকবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের বিষয়ে সাজ্জাদকে তথ্য দিয়ে আসছিল। ভিডিওতে নির্মাণাধীন কয়েকটি ভবন দেখিয়ে চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় সাইদুলকে বলতে শোনা যায়, ‘এখানে পাইলিং চলছে। ওদিকে দূরে আরেকটিতেও পাইলিংয়ের কাজ চলছে। অনেক কাজ চলছে। এখানে আরও কয়েকটির পাইলিং হবে।’ নির্মাণাধীন ভবনের ভিডিও ধারণ করতে করতে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়-‘অনেক ভবন এখানে। ৫ থেকে ১০ কোটি টাকা খাওয়া যাবে। গুলি করতে হবে, যারা গাদ্দারি করে।’ বায়েজিদ বোস্তামি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল কবির বলেন, শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের সহযোগী সাইদুলকে গ্রেফতারের পর তার কাছ থেকে বিভিন্ন নির্মাণাধীন ভবনের ভিডিও ফুটেজ উদ্ধার করা হয়েছে। নির্মাণাধীন ভবনের ভিডিও ধারণের পাশাপাশি কোন ভবন থেকে কত টাকা চাঁদা আদায় করা যাবে, মালিকের পরিচয়, চাঁদা না দিলে কী করণীয়, সে বিষয়ে ধারণা দিতেন সাইদুল। নগরীর চন্দনপুরায় ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমানের ভবন লক্ষ্য করে দুই দফায় মুহুর্মুহু গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ১২ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে তাদের ভয় দেখাতে এই গুলিবর্ষণ করা হয়েছিল। এছাড়া বায়েজিদ বোস্তামী ও নাসিরাবাদ শিল্প এলাকায়ও ইতঃপূর্বে নির্মাণাধীন ভবনের সামনে গিয়ে গুলিবর্ষণের অনেক ঘটনা ঘটেছে। ভয়ে বাড়ির মালিকরা থানায় এসব অভিযোগ করেননি। অনেকে নীরবে চাঁদা দিয়ে সাজ্জাদ বাহিনীর কাছ থেকে নিস্তার পেয়েছেন। এইট মার্ডারসহ কয়েক ডজন মামলার আসামি সাজ্জাদ আলী খান বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।