তিতাসে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, সালিশে বখাটে এলাকা ছাড়া
Why this classification
The article reports a specific incident on 3 May 2026 in which four youths threatened four primary-school children with a knife and groped them in Mongalkandi, Tiatas, Comilla. A later village council on 5 May ordered one youth out of the area and beat three others with shoes, so this is a concrete violent event within the 14-day window.
Killed
0
Injured
0
Summary
৩ মে ২০২৬ সন্ধ্যায় কুমিল্লার তিতাসের মঙ্গলকান্দিতে ছুরি দেখিয়ে চার বখাটে চারজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি করে। পরে ৫ মে ২০২৬ (মঙ্গলবার) গ্রাম্য সালিশে এক বখাটেকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং আরও তিনজনকে জুতাপেটা ও জরিমানা করা হয়।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown, Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 03/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
৭ ঘণ্টা ধরে থানা ঘিরে রেখেছেন বিএনপির নেতাকর্মীরা
কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল কাইয়ুমকে আটকের ৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও তাকে ছাড়েনি পুলিশ। তাকে থানায় আনার পর থেকে ৭ ঘণ্টা ধরে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা ঘিরে রেখেছেন বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। রোববার (৩ মে) দুপুর ১২টার দিকে নগরীর শাসনগাছা এলাকার বাসা থেকে রেজাউল কাইয়ুমকে আটক করে পুলিশ। প্রথমে তাকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এবং পরে কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তখন পুলিশ জানিয়েছিল- জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়েছে। তবে আটকের ৮ ঘণ্টা পরেও বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। আটক রেজাউল কাইয়ুম কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। আটকের খবর ছড়িয়ে পড়লে তার অনুসারী নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা দলে দলে থানার সামনে জড়ো হন। একটি অংশ শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ডেও অবরোধ করেন। প্রায় তিন ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নিলে ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়। তবে বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া রুটের সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকদের মারধরের অভিযোগ ওঠে। ওই রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা বিপাকে পড়েন। পুলিশ বাধ্য হয়ে থানার মূল ফটক বন্ধ করে নিরাপত্তা জোরদার করে। রাত ৮টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রেজাউল কাইয়ুম আটক এবং থানার সামনে নেতাকর্মীরা অবস্থান করছিলেন। জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বারবার ফোন করা হলেও কারও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার দুপুরে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিলেন। কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম বলেন, আটকের বিষয়টি আমরা জেনেছি। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগকারী নেই। আরিফ আজগর/আরএআর
তিতাসে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, সালিশে বখাটে এলাকা ছাড়া
তিতাসে ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি, সালিশে বখাটে এলাকা ছাড়া ৩ জনকে জুতা পেটা ও জরিমানা Advertisement তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ তিতাসে ছুরির মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের শ্লীলতাহানির ঘটনায় গ্রাম্য সালিশে এক বখাটেকে এলাকা ছাড়ার নির্দেশ এবং আরও তিনজনকে জুতা পেটা ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার মঙ্গলকান্দিতে এ সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল। উল্লেখ্য, ৩ মে সন্ধ্যায় পঞ্চম শ্রেণির দুজন, তৃতীয় শ্রেণির একজন এবং প্রথম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থী মাছুমপুর থেকে প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফিরছিল। পথে মঙ্গলকান্দিতে চার বখাটে তাদের পথরোধ করে ছুরি দেখিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করে শ্লীলতাহানি করে। এ সময় তারা মোবাইল ফোনে ছবি ও ভিডিও ধারণেরও চেষ্টা করে। শিশুদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে বখাটেরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এবং শত শত নারী-পুরুষ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। এই বখাটেদের বিরুদ্ধে পূর্বেও ইভটিজিং, ছিনতাই ও চুরিসহ নানা অপকর্মের অভিযোগ ছিল। সচেতন মহল শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু সালিশ নয়, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি বলে দাবি করেন।
