শ্রমিক পরিবহনের বাসে চাঁদা দাবি বিএনপি-কৃষক দলের সংঘর্ষ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

This is a single, concrete incident on 22 May 2026 in which BNP and Krishak Dal activists fought for about an hour, leaving at least 10 injured, three buses with smashed glass and tyres deflated. It is a physical clash with vandalism, so it qualifies as violence.

Reported by:SamakalSingle source
22/05/26•আরবেলা ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার সামনে, গাড়ারন গ্রাম, বরমী ইউনিয়ন, শ্রীপুর

Killed

0

Injured

10

Summary

গাজীপুরের শ্রীপুরে বরমী ইউনিয়নের গাড়ারন গ্রামে ২০২৬ সালের ২২ মে (শুক্রবার) আরবেলা ফ্যাশন লিমিটেডের সামনে শ্রমিক পরিবহনের বাসে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন এবং তিনটি বাসের কাচ ভাঙচুর ও কয়েকটির চাকার হাওয়া ছেড়ে দেওয়া হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

90% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

BNP

Other actors

আক্তারুজ্জামান শামীম (বরমী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব)জুনায়েদ মোল্লা (যুবদল নেতা, শামীমের ভাই)মাসুম আহমেদ (বরমী ইউনিয়ন কৃষক দলের ৬ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য, শ্রমিক পরিবহন ব্যবসায়ী)মোবারক হোসেন বাবু (মাসুমের পক্ষের ব্যক্তি)শামসুদ্দিন সুমী (বরমী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি)ডা. তোফায়েল হোসেন (শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক)শাহীনুর আলম (শ্রীপুর থানার ওসি)

Affected infrastructure

শ্রমিক পরিবহনের বাস (তিনটির কাচ ভাঙচুর)বাসের চাকার হাওয়া (দুটি)

Tags

Party ClashExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 23/05/26open original ↗

শ্রমিক পরিবহনের বাসে চাঁদা দাবি বিএনপি-কৃষক দলের সংঘর্ষ

শ্রমিক পরিবহনের বাসে চাঁদা দাবি বিএনপি-কৃষক দলের সংঘর্ষ গাজীপুরের বরমীতে শুক্রবার সংঘর্ষের সময় দোকানের ভেতরে মারধর করা হয় একজনকে -সমকাল গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬ | ০৭:৩৬ | প্রিন্ট সংস্করণ পোশাক কারখানার শ্রমিক পরিবহনের বাসে চাঁদা দাবিকে কেন্দ্র করে গাজীপুরের শ্রীপুরে বিএনপি ও কৃষক দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। ভাঙচুর করা হয়েছে শ্রমিক পরিবহনের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা তিনটি বাস। গতকাল শুক্রবার দুপুরে শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের গাড়ারন গ্রামে আরবেলা ফ্যাশন লিমিটেড কারখানার সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একাধিক ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে। এতে দেখা যায়, বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে মহড়া দিয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এ বিষয়ে বিএনপির দায়িত্বশীল কেউ কোনো বক্তব্য দেননি। পদে থাকা নেতারা বলছেন, এটা ওই দুজনের ব্যক্তিগত ইস্যু। দলীয় নয়।   জানা যায়, ওই কারখানার শ্রমিক পরিবহনের জন্য নির্ধারিত ৯টি বাস পরিচালনা করেন বরমী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সদস্য মাসুম আহমেদ। নিজের তিনটি ও অন্য মালিকদের কাছ থেকে ছয়টি বাস মাসিক চুক্তিতে ভাড়া নিয়ে কারখানা মালিক পক্ষের ওয়ার্ক অর্ডারের মাধ্যমে তিনি দেড় বছর ধরে এ ব্যবসা করে আসছেন। মাসুম আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, শ্রমিক পরিবহনের আমার এ ব্যবসায় নজর পড়ে বরমী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আক্তারুজ্জামান শামীমের। তিনি আমার কাছে এ বাবদ প্রতিমাসে ৫০ হাজার করে টাকা চাঁদা দাবি করেন। এক পর্যায়ে আমার ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়। চাঁদা দাবির একটি অডিও ভাইরাল হয় কয়েক মাস আগে।  প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে আক্তারুজ্জামান শামীমের নেতৃত্বে তাঁর একদল কর্মী আরবেলা ফ্যাশনের সামনে আসেন। এ সময় তাদের হাতে লাঠিসোটা ছিল। শ্রীপুর-বরমী রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শ্রমিক পরিবহনের বাসগুলো প্রথমে সরিয়ে নিতে বলেন তারা। এরপরই দুটি বাসের চাকার হাওয়া ছেড়ে দেওয়া হয়। তিনটি বাসের গ্লাস ভাঙচুর করা হয়। এ সময় মাসুম আহমেদ ও তাঁর লোকজন এসে বাস ভাঙচুরের কারণ জানতে চান। এরপরই তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। দৌড়ে তারা পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নিতে গেলে সেখানে গিয়েই পেটানো হয়। এরপর উভয়পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে সংঘর্ষ। ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বিএনপি নেতা আক্তারুজ্জামান শামীম মোটরসাইকেলের ওপর বসে এবং তাঁর ভাই যুবদল নেতা জুনায়েদ মোল্লা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে চিৎকার করে কথা বলছেন। মাসুমের শরীরে প্রথমে জুনায়েদকে হাত দিতে দেখা যায়।  সংঘর্ষে আহত মাসুম আহমেদের পক্ষের মোবারক হোসেন বাবু জানান, আমাদের হাতে কিছুই ছিল না। আক্তারুজ্জামান শামীমের লোকজন পূর্বপ্রস্তুতি নিয়েই এখানে আসে। এরপরও আত্মরক্ষার জন্য আমরা চেষ্টা করি।  এ বিষয়ে বরমী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব আক্তারুজ্জামান শামীম বলেন, চাঁদা দাবির প্রশ্নই আসে না। মাসুম আওয়ামী লীগের লোক। বিএনপির সময় আওয়ামী লীগের লোক কারখানায় ব্যবসা করবে– এটা আমার কর্মীরা মেনে নিতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, ওই কারখানায় পরিবহনের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার জন্যই আমার লোকজন সেখানে গিয়েছিল, এটা সত্য। মিথ্যা বলব না। তবে কেউ মারামারি করতে যায়নি। মাসুম ও তাঁর লোকজন আগে থেকেই ওত পেতে ছিল। তারাই আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমার ছয়জন নেতাকর্মীকে পিটিয়ে আহত করেছে।  অন্যদিকে মাসুম আহমেদ বলেন, তিনি কখনই আওয়ামী লীগে ছিলেন না। বরাবরই বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। শামীমের লোকজনের হামলায় তাঁর চারজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানান তিনি। বরমী ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি শামসুদ্দিন সুমী জানান, মাসুম আহমেদ ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড কৃষক দলের ১নং সম্মানিত সদস্য। উভয় পক্ষের আহত ১০ জনকেই শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তোফায়েল হোসেন বলেন, ১০ জনের মধ্যে পাঁচজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে গেছেন। বাকিরা ভর্তি আছেন।  বিএনপি নেতা শামীমকে দাবিকৃত চাঁদা না দেওয়ার কারণেই হামলা করা হয়েছে উল্লেখ করে মাসুম আহমেদ গতকাল সন্ধ্যায় শ্রীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।  শ্রীপুর থানার ওসি শাহীনুর আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যাওয়ার আগেই উভয়পক্ষ চলে যায়। সেখানে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করছি।    - বিষয় : - সংঘর্ষ