শেরপুরে আন্দোলনের মুখে বদলি, জামালপুরেও বাধার মুখে অধ্যক্ষ
Why this classification
প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা প্রধানকে বাধা দেয় এবং তিনি এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন, যা শারীরিক আক্রমণ হিসেবে হিংসা অন্তর্ভুক্ত; ঘটনা ১৫ অক্টোবর, ২০২৬-এ ঘটেছে এবং বাংলাদেশে, তাই এটি বৈধ হিংসা ঘটনা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
1
Summary
১৫ অক্টোবর জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে শিক্ষার্থীরা নতুন প্রধান মাকসুদা ইয়াসমিনকে প্রবেশে বাধা দেয় এবং তাকে কলেজে ঢুকতে না দিয়ে বাধা দেয়; এক শিক্ষার্থীকে তিনি আঁচড় দিয়ে রক্ত বের করে দিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। কোনো মৃত্যু হয়নি, একজন আহত রিপোর্ট করা হয়েছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শেরপুরে আন্দোলনের মুখে বদলি, জামালপুরেও বাধার মুখে অধ্যক্ষ
জামালপুরে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদান করতে পারেননি কলেজটির নবনিযুক্ত অধ্যক্ষ মাকসুদা ইয়াসমিন। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে জামালপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় সংলগ্ন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে এ ঘটনা ঘটে। আন্দোলন সূত্রে জানা গেছে, মাকসুদা ইয়াসমিন দীর্ঘদিন শেরপুর নার্সিং কলেজে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি শেরপুর নাসিং কলেজে দুর্নীতি, অগণতান্ত্রিক বিচার, শিক্ষার্থীদের হুমকি প্রদানসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধী কর্মকাণ্ড ঘটিয়েছেন। পরে শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ ১ মাস আন্দোলনের পর গত ১২ অক্টোবর মাকসুদা ইয়াসমিনকে শেরপুর নার্সিং কলেজ থেকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজে যোগদানের জন্য প্রজ্ঞাপন জারি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীরা জামালপুর সিভিল সার্জনের কার্যালয় সংলগ্ন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের সামনে মাকসুদ ইয়াসমিনের যোগদানের প্রজ্ঞাপন বাতিল এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। পরে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাকসুদা ইয়াসমিন জামালপুর নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের যোগদানের জন্য আসেন। এ সময় আন্দোলনে থাকা শিক্ষার্থীরা তাকে দেখে ভুয়া, দুর্নীতিবাজ, লোভী, ধান্দাবাজ, মিথ্যাবাদী, ফ্যাসিস্টসহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেয় এবং তাকে কলেজে ঢুকতে বাধা দেয়। পরে শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়ে দীর্ঘ সময় কলেজের সামনে আটকে থাকেন মাকসুদা ইয়াসমিন। তারপর দুপুর ২টার দিকে কলেজে ঢুকতে না পেরে কলেজের গেট থেকেই ফিরে যান তিনি। ওই কলেজের শিক্ষার্থী লাভলু হোসেন বলেন, আমাদের আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে- শেরপুর নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ এক মাস আন্দোলন করার পরে মাকসুদা ইয়াসমিনকে পদত্যাগ করিয়েছে। পদত্যাগ করানোর পর সেই প্রিন্সিপালকে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আমাদের জামালপুর নার্সিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কলেজে বদলি করা হয়েছে। একজন দুর্নীতিবাজ, একজন অনিয়মকারী, উনার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা এক মাস আন্দোলন করে পদত্যাগ করিয়েছে। এজন্য সেই পদত্যাগকৃত বা সেই দুর্নীতিবাজকে আমরা তো কখনই মেনে নেব না। আরেক শিক্ষার্থী মোছা. ফারহানা বলেন, আমরা চাই না কোনো দুর্নীতিবাজ, ফ্যাসিস্ট, লোভী ব্যক্তিকে আমাদের প্রিন্সিপাল হিসেবে এখানে রাখুক। আমরা চাই না যে তিনি এখানে আসুক। আমরা কোনোভাবেই তাকে মেনে নেব না। যখন তিনি এখানে এসেছেন তখন আমাদের একজন শিক্ষার্থীকে তিনি আঁচড় দিয়ে আমাদের রক্ত বের করে দিয়েছে। এ বিষয়ে জামালপুর সিভিল সার্জন ডা. আজিজুল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে বিষয়টি আমি শুনেছি। এখন উনার (মাকসুদা ইয়াসমিন) বদলির বিষয়টি বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে আমার কিছু করার বা বলার নেই। বাঁধন হোসেন/এসএইচএ
