স্বাভাবিক প্রসবের জন্য ইনজেকশন দেওয়ার পর অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু
Why this classification
The article reports a specific, recent event on 2 February 2026 in which relatives of a woman who died after an injection at a Bhola hospital caused heavy damage to the hospital. Destroying property is a violent act under the tracker's rules, so the event is counted, although the death itself resulted from alleged medical negligence rather than a direct attack.
Killed
0
Injured
0
Summary
ভোলা সদর রোডের হাবিব মেডিকেল সেন্টারে ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) ইনজেকশন দেওয়ার পর ২০ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা সাবিহা আক্তারের মৃত্যুর অভিযোগ উঠলে বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। পরে পুলিশ ও নৌবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, আর চিকিৎসক ও নার্সরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যান।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 02/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
স্বাভাবিক প্রসবের জন্য ইনজেকশন দেওয়ার পর অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু
ভোলায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ স্বাভাবিক প্রসবের জন্য ইনজেকশন দেওয়ার পর অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যু সাবিহা আক্তারের মায়ের আহাজারি। ছবি: সমকাল ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২১:২৫ ভোলা সদর রোডে হাবিব মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় সাবিহা আক্তার (২০) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ স্বজনরা হাসপাতালটিতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছেন। বিক্ষুব্ধদের তোপের মুখে পালিয়ে গেছেন হাসপাতালটির নার্স, চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা। পরে পুলিশ ও নৌবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। আজ সোমবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। সাবিহা সদর উপজেলার বাপ্তা ইউনিয়নের মহাজনের পুল এলাকার মো. নাহিদের স্ত্রী ও ধনিয়া ইউনিয়নের তুলাতুলি এলাকার আবুল কালামের মেয়ে। মো. নাহিদসহ স্বজনরা জানান, ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা সাবিহা আক্তারকে আজ দুপুর ১২টায় হাবিব মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসক দেখান। বাড়ি থেকে সুস্থ অবস্থাতেই সাবিহা হেঁটে হাসপাতালে এসেছিলেন। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে চিকিৎসক সাবিহার স্বাভাবিক প্রসব হবে বলে জানান। একপর্যায়ে ওই হাসপাতালের কর্মী পলি সেখানে প্রসবের জন্য সাবিহাকে ভর্তি করতে বাধ্য করেন। কিছুক্ষণ পর এক নার্স সাবিহার প্রসবব্যথা আনার জন্য তাকে কোনো একটি ইনজেকশন দেন। কিন্তু ইনজেকশন দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে শ্বাসকষ্ট বেড়ে নিস্তেজ হয়ে মারা যান সাবিহা। ঘটনার পর কৌশলে হাসপাতাল থেকে সরে পড়েন সব নার্স ও চিকিৎসক। তবে সাবিহাকে ঠিক কোন চিকিৎসক দেখেছিলেন তার নাম জানাতে পারেননি মো. নাহিদ। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভুল চিকিৎসায় অন্তঃসত্ত্বার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুর চালান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ ও নৌবাহিনী। দীর্ঘ চেষ্টার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন তারা। তবে হাবিব মেডিকেল সেন্টারের স্টাফ রাজীব ভুল চিকিৎসার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ক্লিনিকে আসার আগেই রোগীর অবস্থা গুরুতর ছিল। চিকিৎসায় কোনো ভুল হয়নি। হাসপাতালটির মালিক ২৯ জন। তাদের মধ্যে মো. সাদেক এটি পরিচালনা করেন। ঘটনার বিষয়ে তিনি সমকালকে বলেন, পারভীন নামে এক গাইনি চিকিৎসক ওই প্রসূতিকে দেখছিলেন। তাঁর পরামর্শেই ওই নারীকে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল। যখন ওই নারী মারা যান, তখন তিনি জুমার নামাজে ছিলেন। বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম জানান, ময়নাতদন্তের জন্য ওই নারীর মরদেহ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত চিকিৎসক, নার্সসহ সংশ্লিষ্টদের আটকের চেষ্টা চলছে। নিহতের পরিবার মামলা করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোলার সিভিল সার্জন ডা. মুহা. মনিরুল ইসলাম জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কী ইনজেকশন দিয়েছে তা দেখতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেখাতে পারেনি। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। গাফিলতি পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
