ব্যাংকিং এজেন্টকে তুলে নিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি
Why this classification
The article describes one specific incident in which a master agent was held for three hours and stabbed and hacked with a machete during an extortion attempt, which is a concrete attack with injuries. The incident occurred within the recent window, and the accused's denial does not change its classification as a reported violent attack.
Killed
0
Injured
1
Summary
শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) রাতে সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের বাদাঘাট বাজারে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাস্টার এজেন্ট দেলোয়ার হোসেনকে তিন ঘণ্টা আটকে রেখে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর থানায় মামলা হয়েছে, তবে আফতাব সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ব্যাংকিং এজেন্টকে তুলে নিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি
ব্যাংকিং এজেন্টকে তুলে নিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি তাহিরপুরে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানের নামে মামলা Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংকের মাস্টার এজেন্টকে তুলে নিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় তাহিরপুরে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আফতাবসহ তিনজনের নামে থানায় মামলা করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে মামলাটি করেন ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংকের তাহিরপুর উপজেলার মাস্টার এজেন্ট দেলোয়ার হোসেন। মামলার আসামিরা হলেন তাহিরপুরের বাদাঘাট ইউনিয়নের সোহালা গ্রামের প্রয়াত ইউপি চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীনের ছেলে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আফতাব উদ্দিন, সোনাপুর গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে মিলন মিয়া, নুরপুর গ্রামের সুজাফর মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া। রাতে উপজেলার বাদাঘাট বাজারে আফতাবের নিজস্ব বিল্ডিংয়ের দ্বিতীয়তলার একটি কক্ষে টানা তিন ঘণ্টা আটকে রেখে ২০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের জন্য আফতাব ধারালো কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে মাথায়, ডান হাত রক্তাক্ত জখম করে দেলোয়ারকে হত্যাচেষ্টা চালান। খবর পেয়ে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউপি চেয়ারম্যন মাসুক, বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম সিকদার বাজারের ব্যবসায়ীদের নিয়ে আহত দেলোয়ারকে উদ্ধার করেন। শুক্রবার দুপুরে অভিযোগ ও মামলা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আফতাব চাঁদা দাবি, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ অস্বীকার করে যুগান্তরকে বলেন, উপজেলার নুরপুর গ্রামের অপর এক ব্যক্তির সঙ্গে জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য দেলোয়ারকে আমার অফিসে খবর দিয়ে নিয়ে যাই। নিজের বিল্ডিংয়ের একটি কক্ষে আটকে রেখে দেলোয়ারকে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে আফতাব বলেন, দেলোয়ার নিজেই নাটক সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছে।
