আধিপত্য নিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a single, specific clash on 20 May 2026 between BNP and Jamaat supporters in Panhati, Palashbari, Gaibandha, in which Jamaat leader Samiul Islam Abhi was hit by a brick and later died on 30 May. The article is a primary report of a recent physical fight, and the exact cause of death is still under investigation.

Reported by:JugantorDhaka PostCorroborated · 2 sources
20/05/26•ছোটশিমুলতলা পানহাটি, পলাশবাড়ী

Killed

1

Injured

1

Summary

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর ছোটশিমুলতলা পানহাটিতে ২০ মে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে ইটের আঘাতে গুরুতর আহত জামায়াত নেতা সামিউল ইসলাম অভি ৩০ মে রংপুরের একটি হাসপাতালে মারা যান। মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে এবং উভয় পক্ষ পরস্পরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

88% · severity 7

Perpetrator side

BNPJamaat

Victim side

Jamaat

Other actors

সামিউল ইসলাম অভি (জামায়াত নেতা, পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের অফিস সম্পাদক)আব্দুস সামাদ মণ্ডল (পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপি সভাপতি)চান মিয়া (পলাশবাড়ী উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি)প্রদীপ (ওসি তদন্ত, পলাশবাড়ী থানা)এবিএম রশীদুল বারী (সহকারী পুলিশ সুপার, সি-সার্কেল, গাইবান্ধা)

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 30/05/26open original ↗

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পানহাটির আধিপত্য নিয়ে বিএনপি-জামায়তের দ্বন্দ্বে আহত জামায়াত নেতা সামিউল ইসলাম অভি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ি থানায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি মামলাও হয়েছে। শনিবার (৩০ মে) ভোরে রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এরআগে গত ২০ মে বিকেলে উপজেলার ছোটশিমুলতলা পান হাটিতে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত সামিউল ইসলাম অভি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর পৌর শাখার অফিস সম্পাদক ছিলেন। এছাড়া তিনি হোসেনপুর ইউনিয়নের সাবেক ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি এবং পৌর শহরের সিধনগ্রামের আকবর আলীর ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ২০ মে পলাশবাড়ি উপজেলার পৌর শহরের ছোটশিমুলতলা পানহাটিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় ঘটনা ঘটে। এদিকে প্রতিপক্ষের ইটের আঘাতে বুকে চোট পেয়েছিলেন সামিউল ইসলাম। পরে ওই দিন তিনি পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। সর্বশেষ গতকাল ২৯ মে দুপুরে তিনি অসুস্থ হলে পলাশবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে নেওয়া হয় রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩০ মে ভোররাতে তার মৃত্যু হয়। এদিকে আহত সামিউলকে আইসিইউতে নেওয়া হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করে জামায়াত নেতারা তার জন্য দোয়ার আবেদন করেন। সেখানে তারা লেখেন, পলাশবাড়ীতে পানহাটকে কেন্দ্র করে এক বিএনপি কর্মী সামিউলের বুকে সজোরে ইট দিয়ে আঘাত করেন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে (সামিউলকে) পলাশবাড়ী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে (২৯ মে) অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে পলাশবাড়ী হাসপাতালে আবার ভর্তি করা হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেলে রেফার্ড করেন। পরে বেসরকারি একটি ক্লিনিকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। মৃত্যুর পর অপর এক পোস্টে বলা হয়, সামিউল হত্যার বিচার চাই। এছাড়া আরেকটি পোস্টে, কারা পানহাটিকে বিএনপিকে দিতে চেয়েছিলেন, দায়িত্বশীলদের রক্ত চাই, মরদেহ চাই তাহলে রাজনীতি পোক্ত হবে। তাহলে এমপি, মেয়র, উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান হতে সুবিধা হবে। আমাদের থানার ঘটনাতে পঙ্গু করাতে না পেরে অবশেষে আমার ভাইকে মেরে দিলেন।’ উল্লেখ করা হয়। অপরদিকে, পান হাটিতে সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতের দুই পক্ষ থেকেই মামলা করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। দুই পক্ষের মামলার বিষয়টি ঢাকা পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি, তদন্ত) প্রদীপ। তিনি বলেন, মামলা হয়েছে আগেই। মামলাটি কাউন্টার মামলা। পলাশবাড়ী উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চান মিয়াকে পান হাটিতে সেদিন কি হয়েছিল? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি ঢাকা পোস্টকে বলেন, খুব লম্বা কথা, এখন ব্যস্ত আছি। সামিউলের শরীরের বিভিন্ন সমস্যা ছিল। মৃত্যুর সাথে সংশ্লিষ্টতা বলতে বুকে ইটের আঘাত করা হয়েছিল। সামিউলের মৃত্যুর ব্যাপারে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মন্ডল বলেন, পানহাটি নিয়ে সেদিনের ঘটনায় পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির নেতা-কর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এ বিষয়ে গাইবান্ধার সহকারী পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) এবিএম রশীদুল বারী ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই ঘটনায় মারা গেল কিনা, না অন্য ঘটনায় মারা গেল সেটা জানা দরকার। পুরো বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে। প্রসঙ্গত, আজ বাদ জোহর তার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হলেও বাদ আছর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয় বলে জানা গেছে। মাসুম বিল্লাহ/এসএইচএ

Source 2: Jugantor · 31/05/26open original ↗

আধিপত্য নিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

আধিপত্য নিয়ে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষ, আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু Advertisement সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬, ০৪:১৫ এএম গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পানহাটির আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আহত জামায়াত নেতা সামিউল ইসলাম অভি (৩৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শনিবার (৩০ মে) রংপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিহত সামিউল ইসলাম অভি পলাশবাড়ী পৌর জামায়াতের অফিস সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও তিনি হোসেনপুর ইউনিয়নের সাবেক ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পৌর শহরের সিধনগ্রাম এলাকার আকবর আলীর ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত ২০ মে বিকালে উপজেলার ছোটশিমুলতলা পানহাটিতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় প্রতিপক্ষের ছোড়া ইটের আঘাতে সামিউল ইসলাম অভি গুরুতর আহত হন বলে অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাকে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে গত ২৯ মে পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে রংপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। সামিউলের অসুস্থতার সময় জামায়াত নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার সুস্থতার জন্য দোয়া কামনা করেন। মৃত্যুর পর বিভিন্ন পোস্টে তার মৃত্যুর বিচার দাবি করা হয় এবং ঘটনার জন্য দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়। এদিকে, সংঘর্ষের ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত—উভয়পক্ষই পলাশবাড়ী থানায় পালটাপালটি মামলা দায়ের করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে পলাশবাড়ী থানার ওসি (তদন্ত) প্রদীপ জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় আগেই দুইপক্ষ থেকে কাউন্টার মামলা করা হয়েছে। পলাশবাড়ী উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি চান মিয়া বলেন, সামিউলের শরীরে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা থাকলেও সংঘর্ষের সময় তার বুকে ইটের আঘাত লেগেছিল। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। অপরদিকে পলাশবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ মণ্ডল দাবি করেন, পানহাটির ওই ঘটনার সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। গাইবান্ধা জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (সি-সার্কেল) এবিএম রশীদুল বারী বলেন, সামিউলের মৃত্যু সরাসরি ওই ঘটনার কারণে হয়েছে কিনা, নাকি অন্য কোনো শারীরিক জটিলতার কারণে হয়েছে, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।