খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনি, পরিয়ে দেওয়া হয় জুতার মালা
Why this classification
The article reports a concrete mob beating (গণপিটুনি) that occurred on 21 July 2026 in Pabna, with no involvement of political parties or organized groups, so it is classified as mob justice and not political violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
একজন ব্যক্তিকে ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর অভিযোগে স্থানীয় মানুষ রেলগেটের খুঁটিতে বাঁধে এবং গণপিটুনি দেয়। পরে তিনি ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 21/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনি, পরিয়ে দেওয়া হয় জুতার মালা
পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর অভিযোগ খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনি, পরিয়ে দেওয়া হয় জুতার মালা প্রতীকী ছবি ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬ | ২২:০৫ পাবনার ঈশ্বরদীতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর অভিযোগ এক ব্যক্তিকে রেলগেটের খুঁটিতে বেঁধে গণপিটুনি দিয়েছেন এলাকাবাসী। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার সাঁড়াগোপালপুর বকশিরচক তালতলা মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল আলীম জানান, মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় লোকজন ধর্মগ্রন্থ পোড়ানোর অভিযোগ শুনে ওই ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে তাঁকে ধরে নিয়ে আসেন। ঘটনা জানাজানি হলে শত শত মানুষ তালতলা মোড়ে জড়ো হন। স্থানীয়রা তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন। এক পর্যায়ে ঈশ্বরদী-রূপপুর রেললাইনের তালতলা রেলগেটের সঙ্গে তাঁকে রশি দিয়ে বেঁধে মারধর করা হয়। এ সময় কেউ কেউ তাঁর চুল-দাড়ি কেটে মুখে চুনকালি মাখিয়ে গলায় জুতা ঝুলিয়ে দেন। বকশিরচকের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ধর্মপ্রাণ মানুষ। এ ঘটনা গ্রামবাসী কোনোভাবেই মেনে নিতে পারেনি। এ কারণে এলাকার লোকজন তাঁকে ধরে এনে মারধর করেছে। পরে ওই ব্যক্তি ভুলের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন।’ ঈশ্বরদী থানার ওসি আশাদুর রহমান আসাদ বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি একজন মাদকাসক্ত। নেশার টাকার জন্য স্ত্রীকে মারধর করতেন। জোর করে টাকা ছিনিয়ে নিতেন। এ জন্য তাঁর স্ত্রী ধর্মগ্রন্থের মধ্যে টাকা লুকিয়ে রাখতেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই ব্যক্তি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। আইন অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - পাবনা - ঈশ্বরদী - গণপিটুনি - জুতার মালা
