শ্রেণিকক্ষেই নারী শিক্ষককে থাপ্পড় ও ঘুষি শিক্ষার্থীর

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

A ninth-grade student slapped and punched a female teacher inside a classroom at a Tangail school on 22 June 2026, which is a concrete physical attack within the 14-day window. No injury count is reported, and no party or political involvement is present.

Reported by:SamakalSingle source
22/06/26•ডা. শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ঘাটাইল

Killed

0

Injured

0

Summary

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ডা. শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে গত ২২ জুন (সোমবার) শাসন করায় নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী শ্রেণিকক্ষে নারী শিক্ষককে থাপ্পড় ও ঘুষি মারে। সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক বিদ্যালয়ে ফিরতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীনারী শিক্ষক (ইংরেজি বিষয়)সবুর মিয়া (অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা, বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী)পারভীন আক্তার (শিক্ষক)রোকেয়া আক্তার (শিক্ষক)মোশারফ হোসেন (প্রধান শিক্ষক)এজহারুল ইসলাম মিঠু ভূঁইয়া (সালিশ বৈঠকের প্রধান)

Tags

AttackBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 25/06/26open original ↗

শ্রেণিকক্ষেই নারী শিক্ষককে থাপ্পড় ও ঘুষি শিক্ষার্থীর

শ্রেণিকক্ষেই নারী শিক্ষককে থাপ্পড় ও ঘুষি শিক্ষার্থীর নারী শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় সালিশ বৈঠক ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬ | ০৭:২৪ শ্রেণিকক্ষে শাসন করায় নারী শিক্ষককে মারধর করেছে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। ঘাটাইল উপজেলার ডা. শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে গত সোমবার এ ঘটনা ঘটে। গতকাল বুধবার বিষয়টি নিয়ে সালিশ বৈঠক হলেও বিচারে সন্তুষ্ট নন ভুক্তভোগী শিক্ষক। ন্যায়বিচার না পাওয়ায় বিদ্যালয়ে আর ফিরতে চান না তিনি। ভুক্তভোগী শিক্ষকের বাড়ি শেরপুরের নকলা উপজেলায়। এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে ইংরেজি বিষয়ে নিয়োগ পেয়ে প্রায় ছয় মাস আগে ডা. শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। গত সোমবার দুপুরে কোনো এক বিষয় নিয়ে শ্রেণিকক্ষে নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী সঙ্গে ওই শিক্ষকের কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তাঁকে শাসন করতে একটি থাপ্পড় দেন ওই শিক্ষক। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে কয়েকটি থাপ্পড় ও ঘুষি দেয় ওই শিক্ষার্থী। এই ঘটনার সময় শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থী ছাড়াও তিন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। সেখানে উপস্থিত শিক্ষক আনিছুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার সাক্ষী আমি। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর ওই ছাত্রকে আমি শাষণ করেছি।’ অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা সবুর মিয়া একই বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। স্থানীয়রা জানান, কিছু দিন আগে স্কুলের ছাত্রীদের বিরক্ত করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী। এই ঘটনায় এক শিক্ষক বিচার করলে তাঁর বাবা উল্টো প্রধান শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে ওই শিক্ষককে শাসান। নারী শিক্ষককে মারধরের দুই দিন পর গতকাল বুধবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা ও উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতাদের সমন্বয়ে এক সালিশ বৈঠকের আয়েজন করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সালিশে সিদ্ধান্ত হয় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হবে। তাঁর বাবা সবুর মিয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধান শিক্ষক ও স্কুল পরিচালনা পরিষদ। ভুক্তভোগী শিক্ষকের পা ধরে ক্ষমা চাইবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী। তবে এই বিচারে সন্তুষ্ট না হয়ে ভূয়া ভূয়া স্লোগান দেওয়া শুরু করেন স্থানীয়রা। এক পর্যায় উত্তেজিত জনতা জুতা নিয়ে মাতবরদের সামনে চলে যায়। বর্তমানে এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ঘটনার পর তাঁর দুই সহকর্মী পারভীন আক্তার ও রোকেয়া আক্তার বাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর পক্ষ নিয়ে তাঁকে হুমকি দিয়েছেন। বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন, ‘যেখানে শিক্ষকরা শিক্ষককে ও ছাত্ররা শিক্ষককে সম্মান দিতে জানে না সেই বিদ্যালয়ে আর ফিরে যাব না। এই পেশায় আর ফিরে যেতে ইচ্ছে করছে না। সরকার যদি নিজ জেলায় আমাকে বদলির ব্যবস্থা করে তবে, না হয় ভেবে দেখব।’ শিক্ষক রোকেয়া আক্তারের ভাষ্য, ঘটনা মীমাংসা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আর কথা বলতে চান না। তবে তাঁর এবং শিক্ষক পারভীন আক্তারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বাবা সবুর মিয়ার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে সংবাদকর্মীর পরিচয় পেয়ে কথা বলতে রাজি হননি। প্রধান শিক্ষক মোশারফ হোসেন জানান, সালিশে স্কুলের দপ্তরি সবুর মিয়ার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে তা বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এবং শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সালিশ বৈঠকের প্রধান ছিলেন ধলাপাড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম মিঠু ভূঁইয়া। তিনি স্বীকার করেছেন এই বিচারে সন্তুষ্ট না ভুক্তভোগী শিক্ষক ও স্থানীয়রা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার তিন দিন পার হলেও তিনি কিছুই জানেন না। লোকমুখে শুনে গতকাল বুধবার বিদ্যালয় পরিদর্শন করেছেন। ডা. শওকত আলী ভূঁইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত কোনো কমিটি নেই। সভাপতির দায়িত্বে আছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মাহমাদুল হাসান। তাঁর ভাষ্য, বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক ঘটনাটি তাঁকে জানাননি। তবে লোকমুখে বিষয়টি শুনেছেন।