তাবিজ দিতে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার
Why this classification
The article reports a specific recent attempted rape, which is a violent act, and occurs within 14 days in Bangladesh, so it is included. Although the perpetrator is a Jamaat leader, the act was a personal sexual assault, not a political clash, thus it is not classified as political violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
মির্জাগঞ্জে জামায়াত নেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব এক নারীর বাড়িতে তাবিজের নামে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঘটনা ১৬ জুলাই ঘটেছে এবং নারীর এক সন্তান রয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
94% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 16/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
তাবিজ দিতে বাড়িতে ডেকে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, জামায়াত নেতা গ্রেপ্তার
পটুয়াখালীতে তাবিজ দেওয়ার কথা বলে নিজ ঘরে ডেকে নিয়ে এক নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব (৪৫) নামে এক জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের উত্তর চৈতা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুব মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চৈতা গ্রামের মৃত জয়নাল মৌলভীর ছেলে। তিনি ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি এবং পেশায় তিনি একজন পল্লী চিকিৎসক। বাড়ির পাশে তার একটি ফার্মেসির দোকান রয়েছে। ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল (১৬ জুলাই) বৃহস্পতিবার জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমান ওই নারীর ভাইয়ের ছেলের পড়াশোনার উন্নতির জন্য তাবিজ দেওয়ার কথা বলে ঘরে ডাকেন। এসময় ওই নারীকে ঘরের মধ্যে জোরপূর্বক আটকে রেখে টানাহেঁচড়া করে তার পরিহিত বোরখা ও হিজাব খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন মোস্তাফিজুর রহমান। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই নারীর একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। এক বছর আগে তার স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়। সে প্রায়ই পল্লী চিকিৎসক জামায়াত নেতা মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যার কারণে তাবিজের জন্য যেতেন। এই সুবাদে বিভিন্ন সময়ে তাদের মধ্যে মুঠোফোনে যোগাযোগ হত। বৃহস্পতিবার সকালে জামায়াত নেতা তার স্ত্রী ও সন্তানদের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে পাঠিয়ে দেন। এরপর সন্ধ্যার দিকে ওই নারীকে নিজের বাড়িতে ডেকে নিয়ে আসেন। প্রায় দু-ঘণ্টা তারা ঘরের ভেতরে অবস্থান করেন। একপর্যায়ে ওই ঘর থেকে নারীর চিৎকার শুনতে পেয়ে আশপাশের মানুষ ছুটে আসেন। পরে এই ঘটনায় মির্জাগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দা মিরাজ বলেন, সন্ধ্যার দিকে ওই নারীর উপস্থিতি দেখে আমাদের সন্দেহ হয়। পরে কয়েকজন গিয়ে ঘরে প্রবেশ করলে ওই নারী অভিযোগ করেন, তাবিজ দেওয়ার কথা বলে তাকে ডেকে এনে ধর্ষণচেষ্টা করা হয়েছে। উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি এখনও আমি জানি না। অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, এ বিষয়ে ওই নারী বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণচেষ্টার মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামি মোস্তাফিজুর রহমান মাহাবুবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। সোহাইব মাকসুদ নুরনবী/এসএইচএ
প্রতিবেশীর বাড়িতে নিয়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গ্রেফতার ১
প্রতিবেশীর বাড়িতে নিয়ে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, গ্রেফতার ১ Advertisement কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জুলাই ২০২৬, ১০:২২ পিএম পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রতিবেশীর বাড়িতে নিয়ে ৪ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শহিদুল মুন্সী (৪৮) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে ওই শিশুর নানি বাদী হয়ে দুইজনের নামে কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষণচেষ্টার সহায়তাকারী আলা মৃধাকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে। পুলিশ ও ওই শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ওই শিশুর মা ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। শিশুটি তার নানির বাড়িতে থাকে। বুধবার দুপুরে সে ঘরের বাহিরে খেলা করতে বের হলে আলা মৃধা তাকে ডেকে প্রতিবেশী শহিদুলের বাড়িতে নেয়। ঘরে কেউ না থাকার সুবাদে শহিদুল তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং আলা মৃধা বাহির থেকে পাহারা দেয়। এ সময় শিশুটি চিৎকার দিলে স্থানীয়রা ওই ঘরে ঢুকে তাকে উদ্ধার করে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ ব্যবস্থায় মীমাংসার চেষ্টা করা হয় এবং আলা মৃধা শহিদুলকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করে। কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ধর্ষণচেষ্টার সহায়তাকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
