ইবিতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাময়িক বহিষ্কার তিন
Why this classification
প্রবন্ধে স্পষ্টভাবে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীর মধ্যে শারীরিক হাতাহাতি ও আঘাতের বর্ণনা আছে, যা ১৪ দিনের মধ্যে ঘটেছে এবং বাংলাদেশে ঘটেছে; তাই সব সিদ্ধান্ত ট্রেস ফ্ল্যাগ সত্য। তবে কোনো রাজনৈতিক দল বা সংগঠনের অংশগ্রহণ না থাকায় এটি রাজনৈতিক নয়, বরং অপরাধমূলক সংঘর্ষ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
Killed
0
Injured
6
Summary
(৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি ও ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের করিডোরে বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এতে ছয়জন আহত হন এবং তিনজন শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 6
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ইবিতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাময়িক বহিষ্কার তিন
ইবিতে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, সাময়িক বহিষ্কার তিন ছবি- সমকাল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ২১:১১ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাসে উচ্চস্বরে গল্প করাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতির জেরে বাংলা ও ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের নিচতলার করিডোরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ছাড়া ঘটনা তদন্তে প্রশাসন ও বাংলা বিভাগের পক্ষ থেকে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। জানা গেছে, গত মঙ্গলবার কুষ্টিয়াগামী গোধূলি বাসে উচ্চস্বরে গল্প করাকে কেন্দ্র করে বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হৃদয় এবং আইসিটি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাইদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এতে উভয়ে আহত হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় প্রক্টর অফিসে উভয় বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনায় বসে প্রক্টরিয়াল বডি। তবে দুপুর ১টায় সভা শেষ হওয়ার পর দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রথমে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনায় আইসিটি বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফুল ইসলাম আঘাত পেয়ে সাময়িকভাবে অচেতন হয়ে পড়েন এবং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাইদ আহত হন। এ ছাড়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গিয়ে আইসিটি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদ, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান ও সহকারী প্রক্টর আব্দুল বারী হেনস্তার শিকার হন। ঘটনার পর বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের শাস্তির দাবিতে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে তালা দেন আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডির আশ্বাসে তারা তালা খুলে দেন। এ ছাড়া এ ঘটনায় সন্ধ্যায় তারা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এ সময় তারা দাবি করেন, বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা হত্যার উদ্দেশ্যে তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত সাপেক্ষে প্রকৃত দোষীদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানান। অন্যদিকে ঘটনার পর বাংলা বিভাগের শিক্ষকরা বিভাগে জরুরি আলোচনায় বসেন। আলোচনায় বাংলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মনজুর রহমানকে আহ্বায়ক করে সাত সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়। কমিটিকে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। এ দিকে প্রক্টরিয়াল বডি ও ছাত্র-উপদেষ্টার জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রাথকিভাবে সংঘর্ষে দোষী হিসেবে চিহ্নিত তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে প্রশাসন। সাময়িক বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন– বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আব্দুর রউফ ও মোসাব্বির হোসেন। এ ছাড়া ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত, শাস্তি নির্ধারণের জন্য পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে প্রশাসন। কমিটিতে খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট ড. এ এস এম আয়নুল হক আকন্দকে আহ্বায়ক করা হয়েছে। অন্য সদস্যরা হলেন– ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ, পরিবহন প্রশাসক ড. শেখ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ এবং সহকারী প্রক্টর মো. জাকির হোসেন। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উপ-রেজিস্ট্রার মো. সালাউদ্দিন মোল্লাকে। এ কমিটিকে দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, বর্তমানে বিবিদ্যালয়ের পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আমরা ঘটনার প্রেক্ষিতে জরুরি কিছু ব্যবস্থা নিয়েছি। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটি সার্বিক বিষয়ে প্রতিবেদন দিবেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়
ইবিতে সংঘর্ষের জেরে বহিষ্কার তিন শিক্ষার্থী
ইবিতে সংঘর্ষের জেরে বহিষ্কার তিন শিক্ষার্থী ইবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাসে উচ্চস্বরে গল্প করা নিয়ে মারামারির জেরে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই শিক্ষক-শিক্ষার্থী আহত এবং প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যসহ অন্য শিক্ষকরা হেনস্তার শিকার হয়েছেন। বুধবার দুপুরে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনে বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রক্টরিয়াল বডি ও ছাত্র-উপদেষ্টার জরুরি সভায় তিন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন-বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের আব্দুর রউফ ও মোসাব্বির হোসেন। ঘটনা তদন্তে পৃথক কমিটি হয়েছে।
