বামনায় ছাত্রীকে ৭ মাস ধরে ধর্ষণ
Why this classification
ঘটনাটি রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর সাথে জড়িত নয়, বরং এটি একটি ব্যক্তিগত অপরাধমূলক যৌন সহিংসতা। তাই এটি রাজনৈতিক সহিংসতা নয়, বরং লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
বরগুনার বামনায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ সাত মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই বিদ্যালয়ের পিয়ন সুজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার বরগুনা সদর হাসপাতালে ভুক্তভোগী শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয় এবং বিকালে ভিকটিমের মা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/10/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
বরগুনায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে খালু গ্রেপ্তার
বরগুনার আমতলী উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার খালু বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত খালু মো. আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে। রোববার (২৪ মে) দুপুর ১টার দিকে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শনিবার (২৩ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়ন থেকে অভিযুক্ত মো. আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই ইউনিয়নের রাইবালা নামক এলাকার বাসিন্দা নূর হোসেন আকনের ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ওই কিশোরীর জন্মের দুই মাস পরেই মায়ের মৃত্যু হয়। এরপর থেকে নানা-নানীর কাছে থেকেই বড় হয় ওই কিশোরী। গত ১৮ মে সকালের দিকে মো. আলমগীর তার শ্বশুরবাড়ি এবং ওই কিশোরীর নানা বাড়িতে বেড়াতে যায়। এ সময় ওই বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ভুক্তভোগী কিশোরীকে একা পেয়ে ধর্ষণ করে আলমগীর। পরে ভুক্তভোগী কিশোরী বিষয়টি তার চাচাদের জানালে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযুক্ত মো. আলমগীর হোসেনকে ধরে আমতলী থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেন। এ বিষয়ে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ বলেন, গতকাল রাতে বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত পুলিশের একটি মোবাইল টিম ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে কথা বলে ধর্ষণের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় অভিযুক্ত খালু মো. আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও ভুক্তভোগী কিশোরীকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষার জন্য বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মো.আব্দুল আলীম/এসএইচএ
বামনায় ছাত্রীকে ৭ মাস ধরে ধর্ষণ
বামনায় ছাত্রীকে ৭ মাস ধরে ধর্ষণ পিয়নের বিরুদ্ধে মামলা Advertisement বরগুনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বামনায় তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে দীর্ঘ সাত মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে একই বিদ্যালয়ের পিয়ন সুজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বরগুনা সদর হাসপাতালে ভুক্তভোগী শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয় এবং বিকালে ভিকটিমের মা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্ত মো. সুজন মিয়া বামনা সদর ইউনিয়নের পশ্চিম সফিপুর এলাকার বাসিন্দা মৃত আব্দুল হকের ছেলে এবং বামনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিয়ন হিসাবে কর্মরত। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুকে বিদ্যালয়ের পিয়ন সুজন দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস শুরুর আগে ও শেষ হওয়ার পর বিদ্যালয়ের নিচতলার একটি কক্ষ এবং দ্বিতীয়তলার অপর একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ করত। সম্প্রতি শিশুটি বিদ্যালয়ে যেতে অনীহা প্রকাশ করলে তার মা বিদ্যালয়ে না যাওয়ার কারণ জানতে চান। একপর্যায়ে সে তার মায়ের কাছে বিষয়টি খুলে বললে ঘটনাটি জানাজানি হয়। এ ঘটনার কিছুদিন আগেও অভিযুক্ত সুজন একই বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির অপর এক শিক্ষার্থীর মাকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয়রা বসে ঘটনাটি মিটমাট করে দেন।
