হল সংসদের জিএসকে মারধরের অভিযোগ আম্মারের বিরুদ্ধে

AI-classifiedconfidence 60%

Why this classification

The article reports a specific incident on 17 June 2026 in which the hall general secretary alleges that the RAKSU general secretary grabbed his shirt collar and forced him out of a seating area, which is a physical altercation. The accused denies any physical contact, so the physical element is disputed and no injuries were reported, which keeps the severity low.

Reported by:Dhaka PostSingle source
17/06/26•হবিবুর রহমান হল মাঠ (LED স্ক্রিনের পাশে)

Killed

0

Injured

1

Summary

১৭ জুন (বুধবার) রাতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ দেখাকে কেন্দ্র করে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস নুরুল ইসলাম শহিদ, রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি ও জোর করে সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে মারধরের অভিযোগ তুলেছেন। আম্মার এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, তিনি শিক্ষার্থীটির গায়ে হাত দেননি এবং তাকে কেবল অন্য স্থানে বসতে বলেছিলেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

60% · severity 3

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

নুরুল ইসলাম শহিদ (নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের জিএস, অভিযোগকারী)সালাহউদ্দিন আম্মার (রাকসু জিএস, অভিযুক্ত)মুস্তাকুর রহমান জাহিদ (রাকসু ভিপি)আশিক শিকদার (হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস)আবু সাঈদ সামি (রাকসু সহ-ক্রীড়া সম্পাদক)আবু সাঈদ নূন (রাকসু সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক, প্রত্যক্ষদর্শী)

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 18/06/26open original ↗

হল সংসদের জিএসকে মারধরের অভিযোগ আম্মারের বিরুদ্ধে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নুরুল ইসলাম শহিদকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে। বুধবার (১৭ জুন) রাত ১০টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এ অভিযোগ করেন নুরুল ইসলাম শহিদ। শহিদ বলেছেন, আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার মধ্যকার বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ উপলক্ষে তিনি ও তার হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী হবিবুর রহমান হল মাঠে খেলা দেখতে যান। খেলার প্রায় ৩০-৩১ মিনিটের সময় রাকসুর ভিপি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং হবিবুর রহমান হল সংসদের জিএস আশিক শিকদার তাকে তাদের পাশে বসে খেলা দেখার জন্য ডাকেন। পরে তিনি এলইডি স্ক্রিনের পাশে সুতা দিয়ে ঘেরা নির্ধারিত স্থানে গিয়ে ভিপির পাশে বসেন। তিনি আরও বলেন, খেলা দেখার প্রায় এক মিনিট পর রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও সহ-ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ সামি সেখানে আসেন। এ সময় ভিপি একটি গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে স্থান ত্যাগ করলে আম্মার তাকে ওই স্থান থেকে সরে যেতে বলেন। কারণ জানতে চাইলে আম্মার তার গেঞ্জির কলার ধরে টানাটানি করেন এবং সেখানে কেউ থাকতে পারবে না বলে জানান। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক দড়ির ভেতরের স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। পোস্টে শহিদ আরও উল্লেখ করেন, এ ঘটনার পর কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে ভিপি ঘটনাস্থলে ফিরে আসেন। তখন তিনি ভবিষ্যতে রাকসুর কোনো কার্যক্রমে অংশগ্রহণে অনাগ্রহের কথা জানান। পরে ভিপি তাকে অন্যত্র নিয়ে যান। জানতে চাইলে প্রত্যক্ষদর্শী রাকসুর সহকারী ক্রীড়া সম্পাদক আবু সাঈদ নূন বলেন, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, তবে মূলত কী ঘটেছিল তা আমি জানি না। কারণ আমি স্ক্রিনের পাশে বক্সের একদম সামনে অবস্থান করছিলাম। সেখানে কী কথা হয়েছে বা কোনো গালাগালির ঘটনা ঘটেছে কি না, তা আমি স্পষ্টভাবে শুনতে পারিনি। তখন আমার মনে হয়েছিল, হয়তো সামান্য কোনো ঝামেলা হয়েছে। পরে কিছুক্ষণ আগে আমি তার (নুরুল ইসলাম শহীদ) পোস্টটি দেখতে পাই। তবে মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, রাকসুর আয়োজনে খেলা দেখানো হয়েছে; সেখানে সবাই সমান। শৃঙ্খলার ব্যাপারে গতবারের থেকে শিক্ষা নিয়ে চেষ্টা করেছি কোনো ঝামেলা ছাড়াই আয়োজন সুন্দর করার। আমাদের বোনেরা স্ক্রিনের বাম পাশে বসেছিলো। এখানে সামনে কেউ দাঁড়ালে আমাদের বোনেরা খেলা দেখতে পারছিল না। দায়িত্বের জন্য আমি এখানে ভিতরে এক কোনায় দাঁড়িয়ে ছিলাম আর কাউকে এখানে আসতে দিচ্ছিলাম না। হঠাৎ সে আসে তখন পিছনের বোনেরা খেলা দেখতে পারছিল না। আমি তাকে স্ক্রিনের ডানপাশে ভিপির পাশে গিয়ে বসতে বলি। সে সেখান থেকে বের হয়ে গালি দিতে দিতে চলে যায়। আম্মার আরও বলেন, দায়িত্ব নিয়ে বলছি আমি তার গায়ে টাচই করিনি। একবারের জন্যও তার টিশার্টে হাত দেইনি এবং সে যে পরিমাণ বাজে ভাষা ব্যবহার করেছে আমি টু শব্দটিও করিনি। সে উগ্র আচরণের এটা সবাই জানে। তার ব্যবহার সম্পর্কে সবাই অবগত। সে ইন্সট্যান্ট যে পরিমাণ মুখ খারাপ করে গালি আমাকে দিয়েছে সেগুলো ধরলে বড় আকারে সিনক্রিয়েট হয়ে যেত। আয়োজন সুন্দর করার ক্ষেত্রে কোনো কম্প্রোমাইজ নাই। এখানে সে কেন, রাকসু ভিপিকে অনুরোধ করে ডানপাশে বসিয়েছি যাতে বামদিকের বোনেরা খেলা দেখতে পারে। জুবায়ের জিসান/এমটিআই