ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলে ব্যানার টানানো নিয়ে ছাত্রদল ও হল সংসদের নেতাদের মধ্যে হাতাহাতি
Why this classification
This incident was classified as political violence in Dhaka. Parties reported: BNP (Chhatra Dal), Mohsin Hall Sangsad. Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 2 sources.
Killed
0
Injured
1
Summary
২০২৬ সালের ৫ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলে ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও হল সংসদ নেতাদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন শিক্ষার্থী আহত হন। আহত শিক্ষার্থী সালমান খানকে মারধর ও রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
89% · severity 3
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
থানায় ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা নিতে নোটিশ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতাদের ওপর থানার ভেতরে হামলার ঘটনায় মামলা নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার, রমনা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার এবং শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে এই নোটিশ পাঠানো হয়।ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়েরের পক্ষে সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ সাদ্দাম হোসেন এই নোটিশ পাঠান। আজ মঙ্গলবার তিনি নোটিশের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। নোটিশে বলা হয়, ২৩ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদের নামে একটি মিথ্যা ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ দায়ের করতে ওই দিন সন্ধ্যায় শাহবাগ থানায় যান। সেখানে ছাত্রদলের ১০০-১২০ জন নেতা-কর্মী তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। সংবাদ পেয়ে মাস্টারদা সূর্য সেন হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান নূর আলভী সেখানে গেলে তাঁর ওপর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা অতর্কিত হামলা করেন। পরে সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমা, কমনরুম, রিডিংরুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক উম্মে সালমাসহ ডাকসু এবং হল সংসদের অন্য প্রতিনিধিরা শাহবাগ থানায় যান। নোটিশে আরও বলা হয়, থানায় প্রবেশের পর ছাত্রদল কর্মী জুনায়েদ আবরার এবি জুবায়েরকে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি দিতে থাকেন। ছাত্রদল কর্মী আলামিন, শাহ মুহাম্মাদ রুবায়েত এবং সৈকত মোরশেদ তাঁর মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। একই সময়ে ছাত্রদল কর্মী রাতুল এবং রাদিল ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিককে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করেন। এ ছাড়াও ছাত্রদলের অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ জন নেতা-কর্মী এবি জুবায়ের এবং মুসাদ্দিককে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি দিতে থাকেন। তাঁরা দুজন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার রুমের দিকে এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা সেখানে ঘেরাও করে মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করেন। পরে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। মামলার বিষয়ে বলা হয়, আহত ব্যক্তিরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়ে ২৬ এপ্রিল আমলযোগ্য অপরাধের বিবরণসহ এজাহার নিয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট উপস্থিত হন। কিন্তু ওসি সুনির্দিষ্ট আমলযোগ্য অপরাধের বিষয়টি এফআইআর হিসেবে রুজু করতে অস্বীকৃতি জানান। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা, পুলিশ রেগুলেশন্স অব বেঙ্গলের (পিআরবি) বিধি ২৪৪ (ক) এবং নারীপক্ষ বনাম বাংলাদেশ মামলায় প্রদত্ত হাইকোর্ট বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী আমলযোগ্য অপরাধের সুনির্দিষ্ট তথ্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নিকট পৌঁছানো হলে তা অবশ্যই এফআইআর হিসেবে রুজু করতে হবে।তাই অতি সত্বর এফআইআর রুজুর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে অনুরোধ করা হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুহসীন হলে ব্যানার টানানো নিয়ে ছাত্রদল ও হল সংসদের নেতাদের মধ্যে হাতাহাতি
ব্যানার টানানো নিয়ে ছাত্রদল ও হল সংসদের নেতাদের মধ্যে উত্তেজনার দৃশ্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মূল ফটকে। ৫ মে ২০২৬ছবি: প্রথম আলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের মূল ফটকে ব্যানার টানানো নিয়ে ছাত্রদল ও হল সংসদের নেতাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হল সংসদের নেতারা ব্যানার টানাতে গেলে এ ঘটনা ঘটে। এক ঘণ্টার বেশি সময় উত্তেজনার পর উভয় পক্ষ ধীরে ধীরে শান্ত হয়। জানা গেছে, মুহসীন হল সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক জুলহাস ইসলামকে গত ২৩ এপ্রিল শাহবাগ এলাকায় মারধরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার প্রতিবাদে গত সোমবার হলের মূল ফটকে একটি ব্যানার টানায় হল সংসদ। এ ঘটনায় হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন রবিন হামলাকারী উল্লেখ করে তাঁর ছবি জুড়ে দেওয়া হয়। হল ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা তা সরিয়ে ফেললে গতকাল আবার ব্যানার টানাতে যান হল সংসদের নেতারা। তখন উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরে হল সংসদের পক্ষ থেকে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ঘটনাস্থলে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে মুহসীন হল সংসদের ভিপি সাদিক শিকদার অভিযোগ করেন, ‘আমরা জুলহাসের ওপর হামলার ঘটনায় সাজ্জাদের বিচার চেয়ে গতকাল (সোমবার) একটি ব্যানার টানালে তারা (ছাত্রদল) এটা ছিঁড়ে পুড়িয়ে ফেলে। আজ (মঙ্গলবার) আবার ব্যানার টানাতে আসলে তারা আমাদের বাধা দেয়। এ সময় তারা আমাদের সঙ্গে থাকা ছোট ভাই সালমানকে মারধর করে আহত করে।’ সাদিক আরও বলেন, ‘সাংস্কৃতিক সম্পাদককে মেরে কান ফাটিয়ে দেবে, আবার এটার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আমরা বিচার চাইতে গেলে আমাদের শিক্ষার্থীদেরই তারা হামলা করে রক্তাক্ত করবে, এই হলো তাদের চরিত্র। তারা তাদের সেই ৯০-এর দশকের যে অস্ত্রের রাজনীতি, সেটি করতে চায়। কিন্তু আমরা বারবার সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখতে চাচ্ছি।’ হল সংসদের এই ব্যানার নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা থেকে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছবি: সংগৃহীত হল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে সাদিক আরও বলেন, ‘হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামকে আমরা সর্বোচ্চ অভিভাবক মনে করি। অথচ ঘটনার ১২-১৩ দিন পার হয়ে গেলেও তিনি জুলহাসকে একটিবার ফোন দিয়ে খোঁজ নেওয়ার সময় পর্যন্ত পাননি।’ গতকাল রাতে হাতাহাতির ঘটনায় মুহসীন হলের শিক্ষার্থী মো. সালমান খান আহত হন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আজকে (মঙ্গলবার) ব্যানার টানানোর কিছুক্ষণের মধ্যে ২০ থেকে ৩০ জন ছাত্রদলের নেতা-কর্মী মিছিল নিয়ে এসে হল গেটের ব্যানার টান দিয়ে ছিঁড়ে সামনের দিকে হাঁটা ধরে। তখন নৈতিক দায়বদ্ধতা থেকে আমিসহ হল সংসদের কয়েকজন সেই ব্যানারটা তাদের হাত থেকে ফিরিয়ে আনতে যাই।...তারা টানাটানি করে। একপর্যায়ে আমাকে একটা গাছের পেছনে নিয়ে যায়।...আমার ডান পাশের কান ও মাথায় বেশ কয়েকটা আঘাত করে। আমার হাতে খুব বাজেভাবে আঘাত করে। এতে ব্লিডিং হয়।’ এ ঘটনার বিষয়ে জানতে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হয়। কিন্তু তিনি কলের জবাব দেননি। এদিকে শাহবাগের ঘটনায় যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘হল সংসদের লোকজন আমাকে বারবার সন্ত্রাসী হিসেবে উল্লেখ করে ব্যানার টানানোর চেষ্টা করেছে। আমি কোনোভাবেই তা নই। তারা আমার ব্যাপারে এমন আচরণ করায় আজকের এ উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। আমি কোনোভাবেই সেদিনের হামলায় ছিলাম না।’ প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন রাজধানী থেকে আরও পড়ুন রাজধানী ঢাকারাজধানীঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ছাত্রদল
