৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরল ১১ জেলে, থানায় নেই কোনো অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single concrete incident in which dacoit gangs abducted 11 fishermen, chained them, and tortured them over several days. A gunfight also broke out between the two rival gangs, and the fishermen were released only after a 7.7 lakh taka ransom was paid. The incident occurred on 3 May 2026, within the 14-day window.

Reported by:Dhaka PostJugantorProthom AloCorroborated · 3 sources
03/05/26•আলোরকোল এলাকা, পূর্ব সুন্দরবন

Killed

0

Injured

0

Summary

সুন্দরবনের আলোরকোল এলাকা থেকে ৩ মে রাতে জাহাঙ্গীর বাহিনী ১১ জন জেলেকে অপহরণ করে পায়ে শিকল পরিয়ে আটকে রাখে। পরে শরিফ বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের পর শরিফ বাহিনী তাদের জিম্মি করে এবং ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ নিয়ে ৮ মে (শুক্রবার) ভোরে ছেড়ে দেয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 6

Perpetrator side

Jahangir BahiniSharif Bahini

Victim side

Locals

Other actors

Jahangir BahiniSharif BahiniRubel HawladarMd. Shaminul Haque (Officer-in-Charge, Sharankhola Police Station)

Tags

ExtortionGang War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Jahangir Bahini, Sharif Bahini

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Dhaka Post · 10/05/26open original ↗

৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরল ১১ জেলে, থানায় নেই কোনো অভিযোগ

সুন্দরবনে ১১ জেলে বনদস্যুদের কাছে সাত দিন জিম্মি থাকার পর ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দিয়ে পরিবারের কাছে ফিরেছে। আজ রোববার (১০ মে) পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি বলে জানা গেছে। দস্যুদের কাছে জিমি থাকা জেলেরা হলেন- ইয়াসিন হাওলাদার (২৩), শরণখোলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের, রুবেল হাওলাদার (৩০), আলমগীর ফরাজী (৫০), বাদল হাওলাদার (৩৫),সজিব হাওলাদার (২৭), হাফিজুল (২২), ছগির (৩২), পাথরঘাটা এলাকার রুবেল (২৫), খুলনার বটিয়াঘাটার দেব চন্দ্র (২৫), রাকিব (২৩) ও লুৎফর হাওলাদার (৩০)। বাড়িতে ফেরা এ সব জেলেরা বলেন, ৩ মে রাতে পূর্ব সুন্দরবনের আলোরকোল এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা এই ১১ জেলেকে অপহরণ করে। পরে তাদের পায়ে শিকল পরিয়ে আটকে রাখে। অপহরণের তিন দিন পরে সুন্দরবনের আরেকটি ডাকাত দল শরিফ বাহিনীর সঙ্গে ডাকাত দল জাহাঙ্গীর বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। পরে শরিফ বাহিনী ১১ জন জেলেকে তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে সুন্দরবনের অজ্ঞাত একটি স্থানে বন্দি করে রাখে। বনদস্যুদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া জেলে রুবেল হাওলাদার বলেন, আমিসহ আরও ১০ জেলেকে ৩ মে রাতে সুন্দরবনের আলোর কোল এলাকা থেকে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনী অপহরণ করে নিয়ে যায়। মুক্তিপণ দাবি করে আমাদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে ৫ মে জাহাঙ্গীর বাহিনীর সঙ্গে শরিফ বাহিনীর গোলাগুলি হয়। শরিফ বাহিনীর সঙ্গে পেরে না উঠে জাহাঙ্গীর বাহিনী সরে যায়। পরে শরীফ বাহিনী আমাদের জিম্মি করে সুন্দরবনের অন্য একটি অজ্ঞাত জায়গায় আটকে রাখে। ৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার পরে শরীফ বাহিনী আমাদের ১১ জেলেকে শুক্রবার ভোর রাতে ধানসাগর আড়ুয়াবয়ার নদীর মোহনায় নৌকায় করে ছেড়ে দেয়। রুবেল হাওলাদার আরও বলেন, তিন দিন আমাদের ওপর অনেক অত্যাচার করেছে জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা। নাম প্রকাশ না করা এক মহাজন বলেন, দস্যুরা প্রথমে প্রতিজনের এক লাখ টাকা করে মোট ১১ লাখ টাকা দাবি করে। অনেক বাগবিতণ্ডা ও দর কষাকষি করে প্রতিজনের ৭০ হাজার টাকা নিতে রাজি হয়। বিকাশের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করার পরে দস্যুরা জেলেদের ছেড়ে দেয়। আবারও বনে মাছ ধরতে গিয়ে বিপদে পড়তে পারে এই ভয়ে মুখ খুলতে চায় না জেলেরা। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক বলেন, আমরা শুনেছি সুন্দরবনে দস্যু বাহিনীকে মুক্তিপণ দিয়ে ১১ জেলে ফিরেছে। কিন্তু কেউ এখনো পর্যন্ত কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। আরকে

Source 2: Jugantor · 10/05/26open original ↗

মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন ১১ জেলে

সুন্দরবনে শিকলবন্দি ৭ দিন মুক্তিপণ দিয়ে ফিরলেন ১১ জেলে Advertisement বাগেরহাট ও শরণখোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে অপহৃত ১১ জেলে এক সপ্তাহ শিকলবন্দি থাকার পর মুক্তিপণ দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ৩ মে রাতে শরণখোলা রেঞ্জের আলোরকোল এলাকা থেকে বনদস্যু জাহাঙ্গীর বাহিনীর সদস্যরা তাদের অপহরণ করে। পরে ৫ মে আরেক দস্যু দল শরীফ বাহিনী বন্দুকযুদ্ধের পর জেলেদের নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং সুন্দরবনের গহীনে অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে। শুক্রবার রাতে মুক্তিপণ পাওয়ার পর শরীফ বাহিনী তাদের ধানসাগর স্টেশন এলাকার আড়য়াবের নদীর মোহনায় নামিয়ে দেয়। পরে তারা প্রায় চার কিলোমিটার হেঁটে বাড়িতে ফিরে যান। ফিরে আসা জেলেদের একজন রুবেল হাওলাদার জানান, অপহরণের পর তাদের মারধর করে শিকলবন্দি করে রাখা হয় এবং জনপ্রতি ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে দরকষাকষির মাধ্যমে ৭০ হাজার টাকা করে বিকাশে পরিশোধের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। ফিরে আসা অন্য জেলেরা হলেন- ছগির, রাকিব, লুৎফর হাওলাদার, বাদল হাওলাদার, সজিব হাওলাদার, হাফিজুল, আলমগীর ফরাজী, ইয়াসিন হাওলাদার, রুবেল, দেব চন্দ্র।

Source 3: Prothom Alo · 25/01/26open original ↗

ছাত্রলীগ নেতা কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না

বাগেরহাটে প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা (২২) ও ৯ মাস বয়সী সন্তান সেজাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কানিজের দেহ সিলিংয়ে ঝুলন্ত ছিল, শিশু সেজাদকে বালতির পানিতে চুবিয়ে হত্যা করা হয়। স্বামীর কারাবরণজনিত হতাশা থেকে কানিজ সন্তানকে হত্যা করে আত্মহত্যা করেছেন—এমন প্রাথমিক ধারণা থাকলেও, কানিজের বাবা এটিকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। সাদ্দামের পরিবার প্যারোলের আবেদন না করায় তিনি কারাফটকেই মা-সন্তানকে দেখেন।