মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধেই হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
Why this classification
This is a single, concrete murder in Mymensingh in which the victim, Sumon Mia, was lured to a remote spot and stabbed many times with a knife by three men and a minor. The killing happened on the night of 26 February 2026, within the recent window, and three suspects have been arrested.
Killed
1
Injured
0
Summary
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানার অষ্টধার সেনপাড়া এলাকায় ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে সুমন মিয়াকে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরদিন সকালে একটি ধানক্ষেতের সেচের নালার ওপর তাঁর লাশ পাওয়া যায় এবং পুলিশ তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধেই হত্যা, গ্রেপ্তার ৩
মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধেই হত্যা, গ্রেপ্তার ৩ নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ প্রকাশ: ০৪ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৫৭ | প্রিন্ট সংস্করণ ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানা এলাকায় সুমন মিয়া হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তিন আসামিকে গ্রেপ্তারসহ হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি ও ভুক্তভোগীর মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার আসামিরা হলেন– কোতোয়ালি থানাধীন অষ্টধার কুঠুরাকান্দা গ্রামের সজীব আলী, অষ্টধার ভিটাপাড়া গ্রামের নাজমুল ইসলাম এবং একজন কিশোর। গ্রেপ্তার কিশোরকে আদালতের নির্দেশে গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিষয়টি সমকালকে নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি থানার ওসি নাজমুস সাকিব। পুলিশ জানায়, নিহত সুমন মিয়া গাজীপুরে বসবাস করতেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনি পারিবারিক কাজে গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের অষ্টধার ভিটাপাড়ায় আসেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি রাতে ইফতারের পর তাঁকে কৌশলে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সকালে অষ্টধার সেনপাড়া এলাকার একটি ধানক্ষেতের সেচের নালার ওপর তাঁর ক্ষতবিক্ষত লাশ পাওয়া যায়। পুলিশের তথ্যমতে, সুমনের শরীরে ধারালো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল। এই ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর মামা মাহিন হোসেন। পরে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওসি নাজমুস সাকিব জানান, ১৬৪ ধারায় আসামিরা স্বীকার করেন নিহত সুমন একই এলাকার বাসিন্দা এবং একে অপরের পরিচিত। তারা সবাই মাদক সেবন ও বেচাকেনায় জড়িত ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের ১০-১৫ দিন আগে মাদকের টাকা নিয়ে সুমনের সঙ্গে সজীব আলীর হাতাহাতি হয়। সেই প্রতিশোধ নিতেই ঘটনার রাতে গাঁজা সেবনের কথা বলে সুমনকে নির্জন স্থানে ডেকে আনা হয়। সেখানে পুনরায় টাকা নিয়ে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে আসামিরা সংঘবদ্ধভাবে সুমনের কপাল, গলা, বুক ও তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়। - বিষয় : - হত্যা
