বাঘায় ঠিকাদারকে চেয়ার দিয়ে মারধরের চেষ্টা

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

A municipal engineer in Bagha, Rajshahi allegedly raised a chair to strike a contractor and threw his file after the contractor refused to pay a bribe, which is a concrete physical attack attempt within the last 14 days. The engineer denies the bribe demand and the aggressive behaviour, but the report describes a specific, recent act of physical intimidation rather than a mere threat.

Reported by:JugantorSingle source
04/06/26•বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলী দপ্তর (পৌর ভবন)

Killed

0

Injured

0

Summary

রাজশাহীর বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম ঘুসের টাকা না পেয়ে ২০২৬ সালের ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) পৌর ভবনের দপ্তরে ঠিকাদার রবিউল ইসলামের দিকে চেয়ার তুলে মারতে উদ্যত হন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত প্রকৌশলী ঘুস দাবি ও ঠিকাদারের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

80% · severity 3

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম (বাঘা পৌরসভা)ঠিকাদার রবিউল ইসলাম

Affected infrastructure

ঠিকাদারের ফাইল

Tags

Extortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 07/06/26open original ↗

বাঘায় ঠিকাদারকে চেয়ার দিয়ে মারধরের চেষ্টা

ঘুস না পেয়ে ক্ষিপ্ত প্রকৌশলী বাঘায় ঠিকাদারকে চেয়ার দিয়ে মারধরের চেষ্টা Advertisement বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বাঘা পৌরসভার এক প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুসের টাকা না পেয়ে এক ঠিকাদারকে চেয়ার তুলে মারতে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার পৌর ভবনের প্রকৌশলী দপ্তরে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ঠিকাদারদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগী ঠিকাদার রবিউল ইসলাম জানান, বাঘা পৌরসভার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করার পরও দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিল পরিশোধ নিয়ে ভোগান্তিতে রয়েছেন। তার অভিযোগ, পৌরসভার প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম বিল ছাড়ের জন্য কয়েক দফায় অর্থ দাবি করেন। রবিউল ইসলামের ভাষ্য, কোভিড-১৯ প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার চারটি প্যাকেজের কাজ ছয় মাস আগে শেষ হলেও গত পাঁচ মাস ধরে বকেয়া বিলের জন্য তাগাদা দিতে গিয়ে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হয়েছে। এ সময় প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম তার কাছে ৩ লাখ টাকা ঘুস দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৬ লাখ ৩৫ হাজার ৯৭৫ টাকা ব্যয়ের একটি সড়ক নির্মাণকাজ তার স্ত্রী নিশাত জাহানের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘মায়ের দোয়া কনস্ট্রাকশন’ লটারির মাধ্যমে পায়। কাজ চলাকালে প্রকৌশলী গাঁথুনির মান নিয়ে আপত্তি তোলেন এবং পরে ওই কাজের জন্য ১ লাখ টাকা ও আগের বিলের জন্য আরও ৩ লাখ টাকা, মোট ৪ লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ। রবিউল ইসলাম বলেন, আমি ঘুস দিতে অস্বীকৃতি জানালে প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে যান। একপর্যায়ে তিনি আমার ফাইল ছুড়ে ফেলেন, গালিগালাজ করেন এবং উপস্থিত লোকজনের সামনেই চেয়ার তুলে আমাকে মারতে উদ্যত হন। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রকৌশলী তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমি কোনো ঘুস দাবি করিনি। ঠিকাদারের সঙ্গে কোনো ধরনের অসদাচরণ বা মারমুখী আচরণও করিনি। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।