ভারতে পালানোর সময় কিশোর গ্যাং নেতাসহ গ্রেফতার ২

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A college student, Md. Zakaria Khan, was stabbed by a gang led by Nahid Hasan after he tried to stop youths from beating a shopkeeper in Satkhira town. He died in hospital, and the article reports the main accused and an accomplice were arrested near the Indian border. This is a concrete, recent killing, so it qualifies as violence.

Reported by:JugantorDhaka PostProthom AloCorroborated · 3 sources
03/10/26•Satkhira town (সাতক্ষীরা শহর)

Killed

1

Injured

0

Summary

শনিবার (৩ অক্টোবর ২০২৬) রাতে সাতক্ষীরা শহরে এক দোকানিকে মারধরের চেষ্টায় বাধা দিতে গিয়ে কলেজছাত্র মো. জাকারিয়া খান কিশোর গ্যাং নেতা নাহিদ হাসানের নেতৃত্বাধীন দলের ছুরিকাঘাতে আহত হন, পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ৬ অক্টোবর ২০২৬ ভোরে কালিগঞ্জ সীমান্ত এলাকা থেকে পুলিশ প্রধান আসামি নাহিদ ও সহযোগী অমিত হাসান ওরফে শিপনকে গ্রেফতার করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Nahid Hasan (juvenile gang leader, main accused)Amit Hasan alias Shipon (accomplice)Md. Zakaria Khan (college student, victim)Shopkeeper (dispute party)Satkhira Sadar Thana policeDistrict Detective Branch (DB)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 03/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Dhaka Post · 06/10/26open original ↗

সীমান্ত এলাকা থেকে হত্যা মামলার দুই আসামি গ্রেপ্তার

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র মো. জাকারিয়া খান (১৯) হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসান (২৬) ও তদন্তে সন্দেহভাজন অমিত হাসান ওরফে শিপনকে (৩০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভোর ৪টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী শুইলপুর গ্রামে সদর থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ অভিযানে শিপনের বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার নাহিদ হাসান সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা পশ্চিমপাড়া মানিকতলা এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। অমিত হাসান ওরফে শিপন মো. হুমায়ুন কবিরের ছেলে। তার গ্রামের বাড়ি কালিগঞ্জ উপজেলার শুইলপুর গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জাকারিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে থানা ও ডিবি পুলিশের একটি দল রাতে ওই এলাকায় যায়। পরে শুইলপুর গ্রামের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নাহিদ ও শিপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, জাকারিয়া হত্যা মামলার প্রধান আসামি নাহিদ হাসানসহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এর আগে শুক্রবার (২ অক্টোবর) রাতে সাতক্ষীরা শহরের প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল মোড়ের একটি চায়ের দোকানে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হন জাকারিয়া খান। পরে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই মো. শাহারিয়ার খান বাদী হয়ে শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় নাহিদ হাসানকে প্রধান আসামি করে ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মুহিদ হাসান বনিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। এবার প্রধান আসামি নাহিদ হাসান ও তদন্তে সন্দেহভাজন শিপনকে গ্রেপ্তার করা হলো। ইব্রাহিম খলিল/এমএমবি

Source 2: Jugantor · 07/10/26open original ↗

ভারতে পালানোর সময় কিশোর গ্যাং নেতাসহ গ্রেফতার ২

সাতক্ষীরায় কলেজছাত্র হত্যা ভারতে পালানোর সময় কিশোর গ্যাং নেতাসহ গ্রেফতার ২ Advertisement সাতক্ষীরা প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ হত্যার পর পালানোর পথও ঠিক করে ফেলেছিল। সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আগেই পুলিশের হাতে ধরা পড়ল সাতক্ষীরায় ছুরিকাঘাতে নিহত কলেজছাত্র মো. জাকারিয়া খান হত্যা মামলার প্রধান আসামি ও কিশোর গ্যাং নেতা নাহিদ হাসান। একই অভিযানে মামলার আরেক আসামি ও হত্যাকাণ্ডের সহযোগী অমিত হাসান ওরফে শিপনকেও গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার ভোরে কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শুইলপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার নাহিদ সাতক্ষীরা শহরের ইটাগাছা পশ্চিমপাড়া মানিকতলা এলাকার মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে। অমিত হাসান ওরফে শিপন একই এলাকার মো. হুমায়ুন কবিরের ছেলে। পুলিশ জানায়, জাকারিয়া হত্যার পর নাহিদ ও তার সহযোগীরা আত্মগোপনে চলে যায়। জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, নাহিদ অবৈধ পথে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশে কালিগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থান করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সদর থানা পুলিশ সোমবার গভীর রাতে সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভোরে তাদের গ্রেফতার করে। উল্লেখ্য, শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে এক দোকানির সঙ্গে কয়েক তরুণের কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তারা তাকে মারধরের চেষ্টা করলে জাকারিয়া তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে কিশোর গ্যাং নেতা নাহিদ ও তার সঙ্গে থাকা কয়েক তরুণ জাকারিয়াাকে ছুরিকাঘাত করে। পরে তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৩ অক্টোবর রাত সোয়া ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

Source 3: Prothom Alo · 04/10/26open original ↗

সাতক্ষীরায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে দুটি বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর, দুজনকে পুলিশে সোপর্দ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের মালীর মোড়ে মাদক বিক্রির অভিযোগে দুটি বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। শনিবার রাতেছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় মাদক ব্যবসার অভিযোগে দুটি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করেছেন স্থানীয় লোকজন। এ সময় বাড়িটিতে মাদক কিনতে আসা দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের মালীর মোড়সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বাসিন্দা ফজর আলী ও তাঁর ভাই আইয়ুব আলীর বাড়িতে এ ভাঙচুর চালানো হয়। তাঁরা ১০–১২ বছর ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা করেন বলে অভিযোগ। তবে ফজর আলীর পরিবার মাদক ব্যবসার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মাদক কিনতে এসে আটক দুজন হলেন ধুলিহর ইউনিয়নের কাশীনাথপুর গ্রামের তপন সরকার (২৭) ও দৌলতপুর গ্রামের সাগর সরকার (২৩)। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছে। তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা বয়সী লোক ফজর আলী ও তাঁর ভাই আইয়ুব আলীর বাড়িতে মাদক কিনতে আসেন। তাঁদের বাড়িতে মাদকের আড্ডা বসে বলেও অভিযোগ আছে। এ নিয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে তাঁদের বিরোধ দেখা দেয়। গত শুক্রবার রাতে মাদক কিনতে আসা দুজনের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। এর জেরে স্থানীয় একজনের গলা থেকে সোনার চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর শনিবার রাতে আরও দুজন মাদক কিনতে এলে এলাকাবাসী তাঁদের আটক করেন। এরপর ফজর আলী ও আইয়ুব আলীর বাড়িতে গিয়ে ভাঙচুর চালান স্থানীয় লোকজন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যায়। রাত আটটার দিকে স্থানীয় বাসিন্দা মেহেদী হাসান (শিমুল) ঘটনাস্থল থেকে ফেসবুকে লাইভ করেন। মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। খুব ভয়ংকর অবস্থা হয়েছিল। স্থানীয় লোকজন অনেক ক্ষিপ্ত হয়ে ভাঙচুর করেছে। বাড়িতে ফজর আলী ও তার ভাই আইয়ুব আলীকে দেখিনি। তবে বাড়ির নারীদের দেখেছি। তারা লোকজনকে থামানোর চেষ্টা করছিল। ঘরের ভেতরে টাকাপয়সা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। পরে একজন ফজর আলীর স্ত্রীর একটি স্বর্ণের চুড়ি ফেরত দিয়ে গেছে।’ সাতক্ষীরা সদরের মালীর মোড়ে মাদক বিক্রির অভিযোগে দুটি বাড়িতে গতকাল শনিবার রাতে ভাঙচুর করেন এলাকাবাসীছবি: ভিডিও থেকে সংগৃহীত ঘটনাস্থলে থাকা ভালুকা চাঁদপুর মডেল হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক আবু ওয়াহিদ বলেন, ফজর আলী ও আইয়ুব আলী মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সন্ধ্যার পর সেখানে মাদক কেনাবেচা চলে। আজ এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ছাত্র-জনতা, নারী-পুরুষ সবাই মিলে মাদক উচ্ছেদের জন্য এখানে এসেছেন। মাদক কেনাবেচার অভিযোগের বিষয়ে ফজর আলী ও আইয়ুব আলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ফজর আলীর স্ত্রী মমতাজ খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাস্তায় কয়েকজনের সঙ্গে আমার স্বামীর বিরোধের জেরে লোকজন বাড়িতে এসে ভাঙচুর করেছে। মাদক বিক্রির অভিযোগ মিথ্যা।’ এ সময় ঘরের আসবাব ও অন্যান্য জিনিস নষ্ট করার পাশাপাশি নগদ টাকা ও কিছু মালামাল লুটপাটের অভিযোগ করেন তিনি। হামলা-ভাঙচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পাশের ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সহকারী পরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, দুই যুবক গাঁজা কিনতে এসেছে—এমন অভিযোগে এলাকাবাসী তাঁদের আটক করে রাখেন। পরে পুলিশ তাঁদের হেফাজতে নেয়। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটক দুজনের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আজ রোববার একটি মামলা করেছে বলে জানিয়েছেন সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শহীদুর রহমান। তিনি বলেন, আটক দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁরা মামলা করতে চাইলে বা আইনি সহযোগিতার প্রয়োজন হলে পুলিশ সহযোগিতা করবে। সুশাসনের জন্য নাগরিক–সুজনের সাতক্ষীরা জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক আহসান রাজিব বলেন, মাদক কেনাবেচার অভিযোগ থাকলে তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু অভিযোগের ভিত্তিতে আইন হাতে তুলে নিয়ে বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, নারীদের হেনস্তা করার অধিকার কারও নেই। মাদক কেনাবেচার অভিযোগের পাশাপাশি হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন খুলনা বিভাগগ্রেপ্তারভাঙচুরহামলামাদকমাদক ব্যবসাসাতক্ষীরাসাতক্ষীরা সদর