শিক্ষাবোর্ড সচিবের অপসারণ দাবিতে এমএম কলেজে বিক্ষোভ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The event is classified as political violence because the protest was organized and supported by the local Chhatra Dal (BNP student wing) to demand the removal of a government official following an alleged physical assault on a student.

Reported by:JugantorSingle source
17/08/26•MM College Campus

Killed

0

Injured

1

Summary

যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব কর্তৃক এমএম কলেজের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। বিক্ষোভে যশোর জেলা ও এমএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সংহতি প্রকাশ করেছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 2

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

Dr. Md. Abdul Matin (Education Board Secretary)Zahid Hasan Sejan (Student)Kamruzzaman Bappi (District Chhatra Dal Convener)

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 17/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 17/08/26open original ↗

শিক্ষাবোর্ড সচিবের অপসারণ দাবিতে এমএম কলেজে বিক্ষোভ

শিক্ষার্থীকে শারীরিক লাঞ্ছনা শিক্ষাবোর্ড সচিবের অপসারণ দাবিতে এমএম কলেজে বিক্ষোভ Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ০৮:০৩ পিএম শিক্ষাবোর্ড সচিবের অপসারণ দাবিতে এমএম কলেজে বিক্ষোভ যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও মারধরের অভিযোগে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব ড. মো. আব্দুল মতিনের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে কলেজের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তবে বোর্ড সচিব লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন যশোর জেলা ও এমএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সকালে কলেজের ‘চেতনায় চিরঞ্জীব’ ভাস্কর্যের পাদদেশ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত শিক্ষা বোর্ড সচিবের অপসারণ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, রোববার সকালে সনদপত্রে বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের বিষয়ে কথা বলতে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব ড. মো. আব্দুল মতিনের কক্ষে যান এমএম কলেজের ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান সেজান। সেজানের অভিযোগ, গলায় হেডফোন থাকার কারণে সচিব তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন এবং একপর্যায়ে তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। জাহিদ হাসান সেজান বলেন, কাজের প্রয়োজনে আমি সচিবের কক্ষে গিয়েছিলাম। শুধু গলায় হেডফোন থাকার কারণে তিনি আমার সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন এবং গায়ে হাত তোলেন। আমার কোনো গুরুতর অপরাধ থাকলে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে দিতে পারতেন। একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণের প্রতিবাদে আমি সচিবের পদত্যাগ দাবি করছি। বিক্ষোভ মিছিলে সংহতি জানিয়ে যশোর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তা কিভাবে একজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন আচরণ করতে পারেন? একটি তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। আমরা অবিলম্বে শিক্ষাবোর্ডের সচিবের অপসারণ দাবি করছি। দাবি মানা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। কর্মসূচিতে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। লাঞ্ছিত করার বিষয়টি অস্বীকার করে যশোর শিক্ষাবোর্ডের সচিব প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন বলেন, ঘটনার সময় জেলা বিএনপির সভাপতিসহ ওই শিক্ষার্থীর দুই শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষক হিসেবে পিঠ চাপড়ে নৈতিকতার ছবক দিয়েছি মাত্র। সেটাকে ট্যাগিং করা কাম্য নয়।

Source 2: Jugantor · 18/08/26open original ↗

যশোর শিক্ষা বোর্ড সচিবের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ

কলেজ শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছনা যশোর শিক্ষা বোর্ড সচিবের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ Advertisement যশোর ব্যুরো প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ এক কলেজশিক্ষার্থীকে লাঞ্ছনার অভিযোগে যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিবের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান সেজানের অভিযোগ, বোর্ড সচিব তাকে লাঞ্ছিত করেছেন। সেজানের দাবি, সচিব ড. মো. আব্দুল মতিন তাকে মারধর করেছেন। তবে সচিব তা অস্বীকার করেছেন। এদিকে বোর্ড সচিবের অপসারণ দাবিতে সোমবার এমএম কলেজে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কলেজটির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে সংহতি জানিয়ে অংশ নেন যশোর জেলা ও এমএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। ওই সময় তারা সচিবের অপসারণ, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে স্লোগান দেন। জানা যায়, রোববার কলেজটির ইতিহাস বিভাগের তৃতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী সেজান সনদপত্রে বাবা-মায়ের নাম সংশোধনের বিষয়ে কথা বলতে সচিবের কক্ষে যান। সেজানের দাবি, গলায় হেডফোন থাকায় তিনি তাকে লাঞ্ছিত করেন এবং একপর্যায়ে তাকে চড়-থাপ্পড় মারেন। সেজান বলেন, আমার কোনো অপরাধ থাকলে তিনি আমাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দিতে পারতেন। এমন আচরণের প্রতিবাদে আমি তার পদত্যাগ দাবি করছি। এ বিষয়ে যশোর জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কামরুজ্জামান বাপ্পি বলেন, একজন দায়িত্বশীল সরকারি কর্মকর্তার কাছে এমন আচরণ কাম্য নয়। আমরা অবিলম্বে তার অপসারণ দাবি করছি। দাবি মানা না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে। এদিকে, বোর্ড সচিব বলেন, ঘটনার সময় ওই শিক্ষার্থীর দুই শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষক হিসাবে পিঠ চাপড়ে তাকে নৈতিকতার শিক্ষা দিয়েছি মাত্র। সেটাকে ট্যাগিং করা কাম্য নয়।