কোচিং শিক্ষকের লালসার শিকার ৯ বছরের এক শিশু

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

A coaching centre head teacher is alleged to have raped and physically assaulted a 9-year-old girl, threatening her with a knife, with the latest attack on 19 April 2026. Local residents rescued the child during the attack, and the suspect is absconding, so this is a concrete, recent act of violence.

Reported by:JugantorSingle source
19/04/26•মা ক্যাডেট কোচিং সেন্টার, সুন্দর নাউয়ার কোট গ্রাম, পীরগাছা

Killed

0

Injured

1

Summary

রংপুরের পীরগাছা উপজেলার একটি কোচিং সেন্টারের প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন সাগর (৩৩) প্রায় দুই মাস ধরে ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ ও শারীরিক নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ১৯ এপ্রিল আক্রমণের সময় স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করেন, এবং অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Delowar Hossain Sagar (33), director and head teacher of the coaching centreLocal residents who rescued the child

Affected infrastructure

Coaching centre room

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 19/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 24/04/26open original ↗

কোচিং শিক্ষকের লালসার শিকার ৯ বছরের এক শিশু

কোচিং শিক্ষকের লালসার শিকার ৯ বছরের এক শিশু Advertisement পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫০ পিএম রংপুরের পীরগাছা উপজেলায় ৯ বছরের এক নাবালিকা শিশুকে ধারাবাহিকভাবে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় একটি কোচিং সেন্টারের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। উপজেলার সুন্দর নাউয়ার কোট গ্রামে অবস্থিত ‘মা ক্যাডেট কোচিং সেন্টার’-এর পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন সাগরের (৩৩) বিরুদ্ধে এই পৈশাচিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী শিশুটির মায়ের দায়ের করা এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত রমজান মাসে অভিযুক্ত দেলোয়ারের স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকার সুযোগে এই নারকীয় তাণ্ডব শুরু হয়। কোচিং ছুটির পর ওই নাবালিকাকে প্রলোভন দেখিয়ে ঘরে আটকে রাখতেন দেলোয়ার। এরপর গলায় চাকু ধরে হত্যার হুমকি দিয়ে এবং মুখ চেপে ধরে দিনের পর দিন চলত এই পাশবিকতা। সর্বশেষ গত ১৯ এপ্রিল বিকাল ৪টার দিকে কোচিং ঘর ঝাড়ু দেওয়ার কথা বলে শিশুটিকে ডেকে নেন দেলোয়ার। সেখানে পুনরায় ধর্ষণের উদ্দেশ্যে স্পর্শকাতর স্থানে আঘাত ও নির্যাতন শুরু করলে শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় দেলোয়ার। স্থানীয়রা ঘরে ঢুকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। দীর্ঘ দুই মাস ধরে এই ভয়াবহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়ে শিশুটি প্রায় নির্বাক হয়ে পড়েছিল। অনুসন্ধানে জানা গেছে, দেলোয়ার হোসেন সাগর একজন পেশাদার অপরাধী। এর আগে ২০২২ সালে গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় মা শিক্ষা নিকেতন কোচিং সেন্টার পরিচালনার সময় নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে তিনি র্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। ৬ মাস জেল খেটে জামিনে বের হয়ে ২০২৩ সালের দিকে এলাকায় ফিরে আসে এবং পুনরায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড শুরু করে। স্থানীয়দের দাবি, ইতোপূর্বেও তিনি এলাকায় একাধিকবার এমন ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকাবাসী চরম ক্ষুব্ধ হয়ে অবিলম্বে ধর্ষকের ফাঁসি দাবি করেছেন। শিশুটির বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে আল্টিমেটাম দিয়েছেন যে, দ্রুত বিচার না হলে তারা রাজপথে কঠোর আন্দোলনে নামবেন। পলাতক থাকায় অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার পিতা মফিজুল ইসলাম বলেন, এসব তার ছেলের কোচিং সেন্টার বন্ধ করার ষড়যন্ত্র। ইতোপূর্বে ধর্ষণের মামলায় কারাবাসের বিষয় প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আগের কথা বাদ দেন। এখনকার ঘটনা মিথ্যা। মামলা তদন্ত কর্মকর্তা পীরগাছা থানার এসআই সুজন জানান, মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পীরগাছা থানার ওসি একেএম খন্দকার মহিব্বুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।