আলোকদিয়ায় বালুমহালে গুলি

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a single, specific incident on 10 May 2026 in which an armed group of 10 to 12 people threatened workers with weapons and fired several rounds to force them out and claim exclusive dredging rights. The incident is recent and in Bangladesh, and no casualties were reported.

Reported by:JugantorSingle source
10/05/26•আলোকদিয়া খেয়াঘাট, ৭ নম্বর টাওয়ার এলাকা

Killed

0

Injured

0

Summary

মানিকগঞ্জের শিবালয়ে আলোকদিয়া খেয়াঘাটের ৭ নম্বর টাওয়ার এলাকায় ২০২৬ সালের ১০ মে (রবিবার) ভোরে ১০-১২ জনের একটি সশস্ত্র দল ড্রেজিং শ্রমিক ও ইজারাদারের লোকজনকে অস্ত্র দেখিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে এবং কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। দলটি ফরিদপুর থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত যমুনায় শুধু 'ছাত্তার কমিশনারের' নামে ড্রেজিং চলবে বলে দাবি করে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

ছাত্তার কমিশনার (দাবিকৃত নাম)মেসার্স ইকরাম কনস্ট্রাকশন (ইজারাদার)ওসি মনির হোসেন

Affected infrastructure

ইঞ্জিনচালিত কাটার (৩টি)ড্রেজিং কার্যক্রম

Tags

Gang WarExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 11/05/26open original ↗

আলোকদিয়ায় বালুমহালে গুলি

আধিপত্য নিয়ে বিরোধ আলোকদিয়ায় বালুমহালে গুলি Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ শিবালয়ের যমুনা নদী বেষ্টিত দুর্গম আলোকদিয়া এলাকায় ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটা নিয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার ভোরে আলোকদিয়া খেয়াঘাটের ৭ নম্বর টাওয়ার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে চরাঞ্চলের মানুষের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। জানা যায়, ভোরে তিনটি ইঞ্জিনচালিত কাটারে ১০ থেকে ১২ জনের একটি সশস্ত্র দল ঘটনাস্থলে আসে। তারা সেখানে অবস্থানরত ড্রেজিং শ্রমিক ও ইজারাদার পক্ষের লোকজনকে অস্ত্র দেখিয়ে এলাকা ছাড়তে বলে। এ সময় তারা ফরিদপুর থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত যমুনায় শুধু ছাত্তার কমিশনারের নামেই ড্রেজিং চলবে বলে দাবি করে। এ সময় আতঙ্ক সৃষ্টি করতে তারা কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। জানা যায়, এবার চলতি বছর ১ কোটি ২০ লাখ টাকায় তেওতা বালু মহালের ইজারা নিয়েছেন মেসার্স ইকরাম কনস্ট্রাকশন। যমুনা নদীতে তেওতা বালুমহাল থেকে পলি কাটাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এর আগেও একই এলাকায় সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ৩ এপ্রিল প্রতিপক্ষের হামলায় ম্যানেজার মিরাজ হোসেন নিহত হন। ওসি মনির হোসেন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।